ঢাকা, বাংলাদেশ

সোমবার, আশ্বিন ১০ ১৪২৯, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

English

বৃত্তের বাইরে

ধর্ষণের যে কলঙ্ক তা কে বহন করবে?

প্রকাশিত: ২০:০৬, ১০ আগস্ট ২০২২; আপডেট: ২০:০৯, ১০ আগস্ট ২০২২

ধর্ষণের যে কলঙ্ক তা কে বহন করবে?

 ‘ধর্ষণের যে কলঙ্ক তা কে বহন করবে?’

গণপরিবহনে অব্যাহতভাবে ধর্ষণের ঘটনা ও নারীর নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদ ও প্রতিকারের দাবিতে ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’র (৬৬ টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের প্ল্যাটফরম) উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ মানববন্ধন হয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। 

ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে নারী নির্যাতনের নানা নতুন ধরন যুক্ত হচ্ছে। এমতাবস্থায় পুরানো আইন দিয়ে নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় বিচারের কাজ পরিচালনা করা যাবে কীনা তা ভেবে দেখার সময় এসেছে।’ তিনি প্রশ্ন রাখেন ‘ধর্ষণের যে কলঙ্ক তা কে বহন করবে?’ এসময় তিনি গণপরিবহনে ধর্ষণের ঘটনা প্রতিহত করতে গণপরিবহন মালিক, গণপরিবহন শ্রমিক ও গণপরিবহনমন্ত্রীসহ সকলকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সকলকে নিজ নিজ দায়বদ্ধতা থেকে জোরালোভাবে কাজ করতে হবে ‘ তিনি আরো বলেন, ‘নারী কোথাও নিরাপদ নয়, নারীকে কেউ নিরাপত্তা দেবে না, তার নিজেকেই নিরাপত্তা আদায় করতে হবে। সব ধরনের ধর্ষণের ঘটনা প্রতিহত করতে সামাজিক আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে।’

বক্তারা প্রতিনিয়ত গণপরিবহনে নারীর প্রতি সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘বিষয়টি খুবই পুরানো এবং প্রায়ই ঘটছে। এসব ঘটনার বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিরোধে  শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কথা বলা হলেও এর বাস্তবিক প্রয়োগ নেই। এরফলে একটি ঘটনার রেশ না কাটতেই পুনরায় আরো অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। বক্তারা  এসময় গণপরিবহনে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন।’ তারা বলেন, ‘প্রতিটি ঘটনার মামলার বিচারকাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে, টহলরত পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে, যারা সড়কপথে আছে তাদের আচরণগত পরিবর্তনের জন্য প্রশিক্ষণ দিতে হবে, প্রকৃত অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘটনা প্রতিহত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসনের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’  

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণস্বাক্ষরতা অভিযানের শামসুন্নাহার পলি, ওয়াইডব্লিউ সিএ অব বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর  বিনা অধিকারী, একশন এইড এর নুরুন্নাহার, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবি সমিতির অন্যতম সদস্য দিলশাত আরা, ব্লাষ্টের শাহরিয়ার হোসেন, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উপপরিচালক শাহনাজ সুমী, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের আইনজীবী রুমা সুলতানা, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট  ফেকুলাল ঘোষ কমল। এছাড়াও সংহতি প্রকাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোবারক হোসেন।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সংগঠন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং সংগঠনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অ্যাডভোকেসি ও লবি পরিচালক জনা গোস্বামী।

ইউ

বীরকন্যা প্রীতিলতার নামে সড়ক

প্যারিসে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

৯০ দিনে দক্ষিণাঞ্চলে আমূল পরির্বতন

মেলোনি হতে পারেন ইতালির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী  

ইভ্যালি ফিরছে স্মার্টফোন বিক্রির মধ্য দিয়ে

৫ খাবার: কার্বোহাইড্রেটে ভরপুর হলেও স্বাস্থ্যকর

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও নৌপথ নিরাপদ নয়ঃ কাদের

নৌকাডুবি : ২৩ জনের পরিচয় মিলল

‘বিএনপি জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি করেছে’

বিপিএলে দল পেলো না সাকিবের মোনার্ক মার্ট

ইডেন ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

বীজন নাট্য সন্মাাননা পেলেন কবি গোলাম মাওলা জসিম

‘শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার’

বাংলাদেশে ফার্মাসিস্টদের নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার দাবি

বিপিএলের ৭ ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম ঘোষণা