ঢাকা, বাংলাদেশ

বুধবার, জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪৩১, ২৯ মে ২০২৪

English

মতামত

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন সাবিনা-রিতুরা

মাঝরাতে জবি মসজিদে ঘুমন্ত ছাত্রী!

এখনও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন সোয়া কোটির বেশি গ্রাহক

ফেসবুকে এমপি আনারের মেয়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস

অনলাইন যৌন হেনস্তার শিকার ৩০ কোটিরও বেশি শিশু

ইন্দোনেশিয়ায় স্বর্ণপদক জিতলেন বাংলাদেশের নারীরা

ভাইরাল ছবিটি নিয়ে যা জানা গেল

ডিএসইসি এর সাথে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের মতবিনিময় 

এমপি আনারের দেহাংশ উদ্ধারের দাবি

স্ত্রী-সন্তানসহ বেনজীরকে দুদকে তলব

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো ইউরোপের তিন দেশ

হানিট্রাপে হত্যার শিকার আনার, শিলাস্তির গ্রামের বাড়ি শূনশান

ধানের দাম কমায় সরবরাহ ঘাটতি আশুগঞ্জ মোকামে

ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন হালিমা আক্তার

আজিজ, বেনজীরে অস্বস্তিতে নেই সরকার: কাদের

মতামত বিভাগের সব খবর

কানাডার ভিজিট ভিসা: ক্ষুণ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি

কানাডার ভিজিট ভিসা: ক্ষুণ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি

২০১০ সাল! সাউদার্ন আলবার্টা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে দু`বছর পড়াশোনা শেষে একটি অয়েল কোম্পানিতে ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করছি। পাশাপাশি একটি স্থায়ী চাকুরীর প্রত্যাশায় এদিক সেদিক ঘুরছি। এরই মাঝে জোটে যায় এক শুভাকাঙ্ক্ষী। বিল ন্যাট! সে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান ব্যবসায়ী। এক বিকেলে তাঁর এক বন্ধুর বাসায় যাবে। সাথী হওয়ার প্রস্তাব পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে গেলাম। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা গোপন বাসনা তো আছেই। পথিমধ্যে বিল’কে আমার চাকুরীর বিষয়টি মনে করিয়ে দিলাম। প্রত্যুত্তরে বললো, ‘তোমার জন্যই যাচ্ছি’। শুনে এক রকম প্রশান্তি নিয়েই এগোতে থাকলাম। একটি পুরনো বাড়ির সামনে গাড়ি থামলো। দেখে মনে হলো কোন এক মধ্য বিত্তের আবাস গৃহ!

জেলা পরিষদে আলেয়া জাহির : আমাদের প্রত্যাশা

জেলা পরিষদে আলেয়া জাহির : আমাদের প্রত্যাশা

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের ফলাফল গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে গিয়ে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে পদত্যাগ করেছিলেন সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা: মুশফিক হোসেন চৌধুরী। শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য প্রার্থিতা উন্মুক্ত ছিল। বৃহত্তম বিরোধী দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাটি সীমাবদ্ধ ছিল। একজন চল্লিশ বছরের রাজনৈতিক মাঠ পরিক্রমা অতিক্রম করে আসা হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী আর অন্যজন হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া জাহির। মৌলিক গণতন্ত্রের আদলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনটি ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ। চুড়ান্ত হিসেবে বিজয় মাল্যটি আলেয়া জাহিরের ঘরে উঠে। একজন স্বজ্জন, বিনয়ী নারী নেত্রী হিসেবে আলিয়া জাহিরের বিজয় নিঃসন্দেহে অভিনন্দন যোগ্য!

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দূরদর্শী এক স্বপ্নদ্রষ্টা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দূরদর্শী এক স্বপ্নদ্রষ্টা

প্রতিটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে একজন বড় মাপের নেতা থাকেন। যেমন আমেরিকার জর্জ ওয়াশিংটন, রাশিয়ার লেনিন, চীনের মাও সেতুং, ভারতের মহাত্মা গান্ধী, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ, ভিয়েতনামের হো চি মিন এবং বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু। জাতির পিতা, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বা স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা হিসেবে তাঁরা নিজ নিজ দেশে মর্যাদার আসনে চিরকাল অধিষ্ঠিত আছেন। যেমন আমাদের আছেন বাংলার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন, একে অপরের পরিপূরক। একটিকে বাদ দিয়ে আরেকটিকে কল্পনা করা যায় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নেতা বা নায়ক হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি জাতির শত বছরের ইতিহাসের গৌরবজনক ঘটনা হচ্ছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। ৩০ লাখ শহীদের তাজা রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং সীমাহীন আত্মত্যাগের বিনিময়ে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর এই স্বাধীনতার বিজয় অর্জিত হয়।

নেত্রী চায় উৎসব মুখর নির্বাচন: নেতাকর্মী সংঘাতে কেন? 

নেত্রী চায় উৎসব মুখর নির্বাচন: নেতাকর্মী সংঘাতে কেন? 

গণতন্ত্রের অন্যতম মৌল নিয়ামক সহনশীলতা। নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই গণতন্ত্রের আবির্ভাব। আর যে বা যাঁরা এই প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে জনগণের মতামতকে সানন্দে মেনে নেয়ার মানসিকতা ধারণ করেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তিনিই নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। স্বাধীনতা উত্তর কাল থেকেই আমাদের গনতন্ত্র বারবার হোঁচট খেয়েছে। তবুও এ অঞ্চলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কে সুদৃঢ় করতে প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন। ৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু তথা আওয়ামী লীগের প্রতি বাংলার জনগণ যদি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সমর্থন না দিতো, তাহলে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ কখনো সর্ব সাধারনের যুদ্ধ হিসেবে পরিগণিত হতো না। তাই এটি নির্দ্বিধায় বলা যায়, নিঃশঙ্ক চিত্তে, উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সত্তরের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উৎপত্তিতে অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করেছিল। আর এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির জনক তথা বিশ্বের অন্যতম জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও উদ্ভাবনী বাংলাদেশ

জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও উদ্ভাবনী বাংলাদেশ

বর্তমান সময়ে বহুল আলোচিত বিষয় ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ এর মধ্যে কি আছে এবং কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে। গত ৭ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে গঠিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ এর ৩য় সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বপ্রথম ঘোষণা করেন ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের সভার সিদ্ধান্তের প্রায় আট মাস পর গত ১২ ডিসেম্বর, ২০২২ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস-২০২২ এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের অর্থ্যাৎ তিনি ঘোষণা দিলেন আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতি ও উদ্ভাবনী বাংলাদেশ। তিনি বললেন, ‘আমরা আগামী ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। আর সেই সঙ্গে বাংলাদেশ হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। সেই সাথে তিনি স্পষ্টতই জানিয়ে দিলেন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ এর চারটি স্তম্ভের কথা যথাঃ (১) স্মার্ট সিটিজেন; (২) স্মার্ট গভর্নমেন্ট; (৩) স্মার্ট ইকোনমি এবং (৪) স্মার্ট সোসাইটি।

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া

ঊনিশ শতকের শেষের দিকে মুসলমানদের জাতীয়  জীবনে আসে এক চরম যুগ সন্ধিক্ষণ। সে যুগে পুরুষশাসিত সমাজে সমগ্র মুসলিম নারীসমাজে বিরাজিত দু;খ দূর্দশা তাপ গ্লানি শাপ অভিশাপের বেড়াজাল থেকে এবং পুরুষের  কামনা বাসনার একমাত্র  পুতুল, হাতে পায়ে বেরি দেওয়া নারীসমাজকে যিনি দেখিয়েছিলেন সুর্যের মুখ, যিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন নারীদের সম্পূর্ন আলাদা  সত্তা নিয়ে পৃথিবীতে  বিচরণ  করার, যিনি মোমবাতির মৃদু আলোকশিখায় আলোকিত করেছিলেন নারীর মুখাবয়ব, যিনি শীলনোড়া ঠেলেও নারীর  হাতে তুলে দিয়েছিলেন বর্ণ পরিচয়ের ছবি, যিনি দেখিয়েছিলেন নারীর  অন্ধ দুচোখে জ্ঞানের আলো,  যিনি  শুনিয়েছিলেন- ``জাগো বংগবাসী/দেখো কে দুয়ারে/ অতি ধীরে ধীরে /করে করাঘাত`।