ঢাকা, বাংলাদেশ

রোববার, মাঘ ১৬ ১৪২৯, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩

English

বৃত্তের বাইরে

উত্তরায় মিলন মেলা এবং জাতীয় পোশাক সালোয়ার কামিজ

প্রকাশিত: ০০:০০, ৫ এপ্রিল ২০২২; আপডেট: ১৩:৪৪, ২০ জুলাই ২০২২

উত্তরায় মিলন মেলা এবং জাতীয় পোশাক সালোয়ার কামিজ

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা চার নম্বর সেক্টরে বনভোজন ও মিলন মেলা বসেছিল ১২ মার্চ। ১২ শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু একটি স্মরণীয় দিন কাটায় নাশতা চা কফি, দুপুরে উপাদেয় খাদ্য। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগীতা কোনোটাই বাদ ছিল না। চার নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির নির্বাহী কমিটির সকল সদস্য এবং কর্মীবৃন্দ সাফল্যের সাথে আয়োজন শুরু ও সমাপ্ত করে। 

ওই মিলন মেলায় অংশগ্রহণকারী জনৈক ব্যক্তি সেখানে অংশ নেওয়া কয়েকজনের সঙ্গে গল্পের ছলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলেছেন। সেই আলাপচারিতা তিনি নিজের লিখনীতে তুলে ধরেছেন…

মিলন মেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। আমার টেবিলে আমরা কয়েকজন বয়ষ্ক বসেছিলাম। এক তরুণ দম্পত্তি দুটি সুন্দর শিশু নিয়ে বসেছিলেন। স্বামী স্ত্রী দুজনেই অনুকরণীয় সপ্রতিভ। সালোয়ার কামিজ পরা বধূটিকে বললাম ‘ওই দেখ একটি মেয়ে কেমন সুন্দর শাড়ি পরেছে।

আমি একদিন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটের বড় ডাক্তার সাহেবের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আরও দুজনকে দেখলাম, তারাও দেখা করবেন। অল্প বয়ষ্কা একটি মেয়ে আর একজন পুরুষ। মেয়েটি শাড়ি পরা। খুবই সুন্দর দেখাচ্ছিল। আমি ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, মেয়েটি আপনার কী হয়। তিনি বললেন, আমার ভাতিজী। ও একজন জজ। শাড়িপরা জজ? বিষ্ময়কর!

আমাদের পাশে একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর বসেছিলেন। তিনি বললেন, সালোয়ার কামিজই ইসলামী পোশাক, শাড়ি নয়। তাই সালোয়ার কামিজই আমাদের জাতীয় পোশাক। আমি বললাম, আমরা আগে বাঙালি, তারপরে কি মুসলমান নই?
তিনি জবাব দিলেন, না। আমরা আগে মুসলমান, তারপরে বাঙালি। যে মুসলমান নয়, সেতো রাসকেল! ভাবলাম, এখানেই থামি।
বাসায় এসে ইত্তেফাকের এক সহকর্মীর কাছে ফোন করলাম। বয়সে একটু ছোট হলেও ধর্ম নিয়ে চর্চা তার অনেক বড়। তিনি আমাকে প্রথমে অনেক সুরেশ মাখালেন: আপনি অনেক পড়াশোনা করেছেন, অনেক জ্ঞান লাভ করেছেন, ইত্যাদি ইত্যাদি। পরিশেষে বললেন, আপনি নিশ্চয়ই জানেন, প্রত্যেক মানুষই মুসলমান হয়ে জন্মায়, তারপর বাবা মায়ের ধর্ম গ্রহণ করে। ফলত: মুসলিম এবং ইসলাম সবার উপরে, বাঙালিরও উপরে। আমি বলতে চাইলাম, পাকিস্তানের বন্দীশালায় বঙ্গবন্ধুর চৌকির পাশেই তার কবর খোড়া হচ্ছিল। দেখিয়ে দেখিয়ে। লোকটি ভয় পায় কীনা! যে সময় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন: আমি প্রথমে মানুষ, তারপর বাঙালি, তারপর মুসলমান। আমার দেশের স্বাধীনতার জন্য মরতে আমি ভয় পাইনা। এখানে আমার মৃত্যু হলে লাশ আমার স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে কবর দিবা! কিছুই বলতে পারলাম না: এখানে মুক্তো ছড়িয়ে লাভ নেই! তাঁকে আরও বলতে পারতাম, ইহুদি-খৃষ্টানরাও মনে করে, জন্মের সময় মানুষ ইহুদি-খৃষ্টান হয়ে জন্মায়।

এরপর একটি ঘটনাস্থল ওই চার নম্বর সেক্টরের জামে মসজিদ। জুমার জামাতে খতিব সাহেব বয়ান দিচ্ছিলেন “এই দ্যাখেন কী বিপদ! আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে এখন মুসলমান হতে হবে। তিনি অনেক মডেল মসজিদ নির্মাণ করেছেন। কাবা নির্মাণের সময় ইবরাহিম এবং ইসমাইল (আ:) বলেছিলেন, হে প্রভু আমাদের একাজ কবুল কর এবং আমাদেরকে মুসলিম কর। তাহলেই দ্যাখেন, মসজিদ নির্মাণের পর তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এখন আর মুসলিম না হয়ে থাকতে পারবেন না।

জামাত শুরু হওয়ার আগে গেটের বাইরে দাড়ানো লোকদের বললেন, আপনারা ভেতরে আসুন। সামনের কাতারে আসুন; এইযে ভাই, গায়ে, গায়ে লাগিয়ে দাড়ান (উল্লেখ্য তখন ওমিক্রনের নতুন ঢেউ চলছিল) পাঁচ মিনিটের জন্য আমি অনুমতি দিলাম। পাঁচ মিনিট দূরত্ব বজায় না রাখলেও চলবে। শুনে খুশি হলাম। তিনি শুধু প্রধানমন্ত্রীর ভালমন্দ দেখেন না, তার কথামত কোভিড-ভাইরাসও চলাফেরা করে। মসজিদের মধ্যে খতিবের কথার প্রতিবাদ করা দুরস্ত না থাকলে বলতে পারতাম: হুজুর, সুরা বাকারার ১২৮ নম্বর আয়াতের কথাটি আছে এভাবে: রব্বানা ওয়াজআলনা মসুলিমাইনিলাকা, ওয়ামিন জুরুরি আতিনা উম্মতাম মুসলিমাতালাøাক, ওয়া আরিনা মানছিকানা ওয়াতুব আলাইনা ইন্নাকা, আনতাত তাওয়াবুর রাহিম।
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের কোরআনসূত্র: এবং আমাদের দেশে প্রচলিত মাওলানা আশরাফ আলী থানভির অনুবাদ এরকম: হযরত ইবরাহিম ও হযরত ইসমাইল (আ:) কাবা গৃহ নির্মানের সময় বলেছিলেন, হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের দুজনকে তোমার একান্ত অনুগত কর এবং আমাদের বংশধর হতে তোমার অনুগত এক উম্মত তৈরি কর। এই অনুগত শব্দের অর্থ ব্যাপাকতর। জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকলেই স্রষ্টার অনুগত বলে দাবি করতে পারেন।

এই তো যেদিন পরীবাগ জামে মসজিদে জুমার নামাজর সময় হুজুর বললেন আমাদের জাতির পিতা হযরত ইবরাহিম। তিনি কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছিলেন, বুঝতে অসুবিধা হয় নি। আমার এক ভাগ্নে বিএনপি করে সেও একদিন বলেছিল আমাদের জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ:)।

ইদানীং এই বাক্য বেশ প্রসার লাভ করেছে। হায়রে মানুষ মানুষ হিসেবে গর্ব করতে। এক ভূখন্ড স্বাধীন করে দিয়ে তার মাশুল দিলে তুমি সপরিবারে রক্ত দিয়ে। তোমার সোনার বাংলায় এখন আবার কৃষ্ণবর্ণ কিছু গাছালি জন্মাচ্ছে। তারা স্বপ্ন দেখে একাত্তর পূর্ব সেই অস্বাভাবিক দেশটিকে পূর্নবহাল করার। তাহলেতো দেখছি আমাদের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ আসন্ন।

এখানে বলতে চাই ইবরাহিম আলাইহিসসাল্লাম কোন কোন জাতির পিতা ছিলেন। প্রখ্যাত ইসলামী গবেষক এবং বহু গ্রন্থের প্রনেতা মার্টিন লিংস এর একটি বইয়ের নাম: সাল্লাহি আলাইহিসসাল্লাম মুহুম্মদ, হিজ লাইফ বেজড অন আরলিয়েস্ট সোর্সেস। সেখানে তিনি মুসা (আ:) এর তাওরাতেরও আদি পুস্তকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন: হযরত ইবরাহিমের দুই পুত্র ইসমাইল ও ইসহাক (আ:)। ইসমাইল (আ:) তার মাতা হাজেরা বিবির সাথে কেনান থেকে চল্লিশ উষ্ট্র দিবস দক্ষিণে মক্কায় এসে বসতি স্থাপন করেন। এই ধারাতেই কোরাইশবংশে মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর জন্ম হয়। আরেক ধারা কেনান অর্থা সিরিয়ার জেরুজালেমে বংশ বিস্তার করে। ওই ধারায় ইসহাকের ছেলে ইয়াকুব অর্থাৎ ঈসরাইল তার ১২ পুত্র (ইউসুফ সহ) মিশরে গিয়ে বংশ বিস্তার করে। পরবহর্তীকালে ফেরাউন শাসকরা বনি ইসরাইলের উপর অকথ্য নির্যাতন শুরু করলে তারা মুসা ও হারুনের (আ:) নেতৃত্বে সাগর পাড়ি দিয়ে আবার প্রমিজড ল্যান্ড জেরুজালেম ফিরে আসে। এই ধারায় মহান নবী হযরত সোলায়মান ও হযরত দাউদ (আ:) এর জন্ম হয়। দাউদকে সৃষ্টিকর্তা যাবুর গ্রন্থ প্রদান করেন। কিন্তু হলে কি হবে, এই বনি ইসরাইল বারে বারে গোমরাহীতে আকৃষ্ট হয় এবং তাদের উপর সৃষ্টিকর্তার লানত নেমে আসে। অন্তত: দুইবার বাবিল সম্রাট নেবুচাদনেজার জেরুজালেম ধ্বংস করে পুরো ইহুদি জাতিকে দাস বানিয়ে নিজ দেশে নিয়ে আসেন। অসংখ্য পুরষকে হত্যা করেন। এরপর পারস্য রাজা সাইরাস বাবিল দখল করেন এবং ইহুদি জাতিকে মুক্ত করে তাদের আবার জেরুজালেমে ফিরে যাবার অনুমতি দেন। এরপর আমাদর রাসূলের আবির্ভাব এবং ইসলামী উম্মাহ গঠনের পর মুসলমানগণ সোলাইমান (আ:) প্রতিষ্ঠিত বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদকে কেবলা বানিয়ে নামাজ পড়তেন । কিন্তু একদা আল্লাহর নিদের্শে মক্কায় কাবার দিকে মুখ করে নামাজ পড়া শুরু হয়। এই নির্দেশের মধ্যে গুঢ় তত্ত্ব কী ছিল তা অনেকেই অনুধাবন করতে পারেন নাই। একদা হুযুর (সা:) বলেছিলেন, আজ হযরত মুসা (আ:) বেঁচে থাকলে তাঁকেও আমার শরিয়ত গ্রহণ করতে হত। আরেকবার ইহুদিরা নবিজীকে (সা:) প্রশ্ন করেছিলেন, আপনারা আমাদের ধর্মগ্রন্থ অশ্রদ্ধা করেন না। তাহলে শনিবারে সাব্বাত দিবস (প্রার্থনা দিবস) পালন করেন না কেন? হুযুর সা: এর জবাবা ছিল, হযরত ইবরাহিমের (আ:) আমলে শুক্রবারই প্রার্থনা দিবস ছিল; মুসা (আ:) এর আমলে ওটার পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে হযরত ইসা (আ:) জেরুজালেমেরই এক অংশে বেথেলহেমে জন্ম গ্রহণ করেন। তারাও জেরুজালেমকে দাবি করে বসে। এক সময় ইউরোপের সমস্ত খৃষ্টান রাজারা ক্রুসেড নাম দিয়ে জেরুজালেম অধিকারের জন্য এগিয়ে আসে। আরবের মুসলমানরাও তা প্রতিরোধ করে। মহাবীর সালাউদ্দিন আইয়ুবির নেতৃত্বে তারা জেরুজালেম দখল করতে সমর্থ হয়।

কিন্তু সেটি আবার খৃষ্টানদের দখলে যায়। হযরত ওমর (রা:) নিজে গিয়ে আবার জেরুজালেম নগরীর চাবি হস্তগত করেন। এরপর জর্ডান নদী দিয়ে অনেক পানি প্রবাহিত হয়েছে। ইহুদিরা ইউরোপে ফুলেফেপে উঠলে খৃষ্টান হিটলারের তা মন:পুত হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে যে লক্ষ লক্ষ ইহুদি নারী পুরষ ও শিশু হত্যা করে। পরবর্তীতে বিজয়ী ইউরো মার্কিন অক্ষশক্তি ইহুদিদের নিয়ে ফিলিস্তিনের জমি দখল করে যেখানে বসিয়ে দিয়ে আরকটি সংকটের সৃষ্টি করে। এটি কতদিনে সমাধান হবে বলা যায়না। মার্টিন লিংস তাওরাতের আদিপুস্তকের উদ্ধৃত দিয়েছেন, আব্রাহাম ওয়াজ দ্যা ফাউন্টেন হেড অব টু স্পিরিচুয়াল ষ্ট্রিমস, ফ্লো টুগেদার, বাট অব ইটস ওন কোর্স। কখনও মিলিত হবে না। আসলে ইবরাহিম (আ:) কে দুটি নয়, তিনটি ধর্মের লোকেরা তাদের আদিপিতা বলে মনে করে। তিনটি প্রস্রবন পৃথিবীতে পাশাপাশি প্রবাহিত। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা ছাড়াতো কিছুই হতে পারেনা। এদের অভিন্ন বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একেশ্বরবাদিতা। পৃথিবীতে এখন বাস করছে: খৃষ্টান- ২.৩৮ বিলিয়ন, মুসলিম- ১.৯১ বিলিয়ন, হিন্দু- ১.১৬ বিলিয়ন, বৌদ্ধ- ৫০৭ মিলিয়ন, ইহুদি- ১৪.৬ মিলিয়ন, লোকজ ধর্ম- ৪৩০ মিলিয়ন, অন্যান্য ধর্ম- ৬১ মিলিয়ন, ইসরাইলে ইহুদি সংখ্যা- ৬৯,৩০,০০০ (২০২২ এর হিসাব), ইসরাইলে-৭৪.২% ইহুদি, ১৭.৮% মুসলিম, ২.০%, খৃষ্টান, ১.৬% দ্রুজ।, ৪.৪% অন্যান্য বিশ্বাসে বিশ্বাসী।

হিসাবটি দিলাম এই জন্য যে, আমার লন্ডন প্রবাসী এক ভগ্নীপতির মত অনেকেই সারাক্ষণ ইহুদি-নাছারা বলে গালি দেন। অথচ ইসরাইলের মাত্র ৭০ লাখেরও কম লোকের সাথে প্রায় দুইশ কোটি মুসলমান পেরে উঠছেনা।

১৯৬৭ সালে কয়েকটি আরব দেশের সাথে ইসরাইলের যুদ্ধ হয়েছিল। এক রাত্রের মধ্যে তারা ঝটিকা আক্রমণ চালিয়ে আরবদের বিরাট অঞ্চল দখল করে নেয়। পরবর্তীকালে তারা কিছু অংশ ছেড়ে দিলেও পশ্চিম তীর গাজার অনেকখানি এলাকা এখনও দখল করে আছে এবং সেখানে ইসরাইলীদের বসতি নির্মাণ করে চলেছে। ফিলিস্তিনীরা তাদের ঢিল ছোড়ে, আর ইহুদিরা গুলি ছোড়ে।
তাই মেজর জেনরালে মোহাম্মদ আলী শিকদার লিখেছিলেন, শুধু মুখে গালিগালাজ না করে এবং তেল আবিবে গিয়ে বোমা না ফেলে এখানে ওখানে নিরীহ নারী পুরুষ হত্যা না করে আমাদের মগজের শক্তি বাড়াতে হবে। গবেষণা, আবিষ্কার অর্থাৎ বিজ্ঞানের শক্তি বাড়াতে হবে। যদি আমরা সমশক্তিমান হতে চাই। মুছিবত আরেকটি আছে। ২৬ মার্চ মাগরিবের নামাজ আদায় করতে বঙ্গভবনের উত্তর-পার্শ্বের মসজিদে (আমেরিকান এক্সপ্রেস ভবনের পেছনে) ঢুকেছিলাম। সকলেই জানি, ওই ওয়াক্তের সময় অল্প এবং ছোট সূরা দিয়ে আদায় করতে হয়। তো ইমাম সাহেব আজানের সাথেই দাড়িয়ে গেলেন এবং কাধেকাধে মুচড়িয়ে দড়াতে বললেন। এই উপলক্ষে যতগুলো হাদিছ আছে, ধীরস্থির কন্ঠে সবগুলোই একে একে আরবি বাংলা মিশিয়ে বলতে লাগলেন। ঝাড়া দশ মিনিটেরও বেশি সময়। কথা শেষ করলেন শেষ কথা বলে: ছামনে এগিয়ে আসেন; কাতার পুরো করেন, কাঁধে কাঁধ লাগিয়ে দাঁড়ান, আরো জমে জমে। তাহলে মানুষে মানুষে ভালবাসা আর বন্ধুত্ব অনেক বৃদ্ধি পাবে। বায়তুল- মোকাররম এবং সেনানিবাস এলাকার কয়েকটি
মসজিদ ছাড়া আর কোথাও স্বাস্থ্য বিধির বালাই নাই। অথচ স্বাস্থ্য অধিদফতর এখনও বাংলাদেশকে কোভিড মুক্ত বলে ঘোষণা দেয় নাই। শুনেছি ওমিক্রনের সাব-ভেরিয়েন্ট নাকি শিগগিরিই ছড়াবে। এই পরিস্থিতিতে এক শ্রেণীর লোককে সবখানেই দেখেছি, সরকারি আদেশ-নিষেধ লংঘন করতে এবং করাতে তারা ভালবাসেন। একজন ইমাম সাহেবকে বলতে শুনেছি, আল্লাহর ঘরে কনো ভাইরাসের প্রবেশাধিকার নাই। অথচ মসজিদ একটি ভাল গণমাধ্যম। এখানে হাজার হাজার লোককে উপদেশ দেয়া যায়। কিন্তু কোনোদিন শুনলাম না, আপনারা যথাবিধি টিকা নেবেন। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াবেন।

তাই মার্টিন লুসার কিং জুনিয়রের একটি বাক্য স্মরণ করা দরকার: ঘৃণা দিয়ে ঘৃণা দূর করা যায় না, শুধু ভালাবাসা দিয়ে করা যায়। আল্লাহর একজন অলি হযরত আজানগাছি (র:) তাই সকলের জন্য প্রার্থনা করেছেন: ইয়া ইলাহি, রহমত জেয়াদা..... কর তামাম আলম পর। অর্থাৎ সর্ব সত্তায় শান্তি হউক।

উইমেনআই২৪//ইউ//০৫-০৪-২০২২//০৭:১৫ পিএম//

‘চলতি বছরে নিপাহ ভাইরাসে ৫ জনের মৃত্যু’

পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুলের বাসায় গিয়ে উঠব: কাদের

জাপানি দুই শিশুর অভিভাবকত্ব পেলেন মা

কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশনের ২ দিনের কর্মবিরতি ঘোষণা

রাজশাহীতে যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

‘পাঠান’ দিয়ে ভারতে একসঙ্গে ১৭ নজির

মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চা সেবা দিচ্ছেন আছর আলী

বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের পড়াশোনা বন্ধে তালেবানের কাণ্ড

বাংলাদেশিদের জন্য ইতালি যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ

হতাশা থেকে সন্তানকে মুক্ত রাখতে করণীয়

সারাহর কর্নিয়া নিয়ে ভালো আছেন দুই রোগী

পাকিস্তানে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৩৯

যেসব রোগ সারাবে সজনে ডাঁটা

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

শুটিং বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশের কলি

Social Islami Bank Limited