Women Eye
প্রিন্টঃ ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৯ পি. এম.
 

বেগম সুফিয়া কামাল পদকে ভূষিত কবি রোকসানা পারভীন সাথী

প্রকাশিতঃ ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১
বেগম সুফিয়া কামাল পদকে ভূষিত কবি রোকসানা পারভীন সাথী

সম্মাননার ক্রেস্ট হাতে কবি রোকসানা পারভীন সাথী

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: কবি বেগম সুফিয়া কামাল পদকে ভূষিত হলেন সাহিত্যিক ও কবি রোকসানা পারভীন সাথী।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় গেন্ডারিয়ার ১৫, দীন নাথ সেন রোডে কিশলয় কচি-কাঁচার মেলায় বসন্ত বরণ উৎসবে গুণীজন সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

কবি ও সাহিত্যিক রোকসানা পারভীন সাথী রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা ভাষা বিভাগের অধ্যাপক। তিনি মূলত শিশু সাহিত্য নিয়ে কাজ করছেন। সমাজ সচেতনতার বিষয় তার লিখনীতে প্রাধান্য পায়। অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এরই মধ্যে তিনি একাধিক সংগঠন হতে পুরস্কৃত হয়েছেন। বাংলাদেশের ভাগ্যবিড়ম্বিত হতদরিদ্র কন্যাশিশু ও অসহায় নারীদের নিয়ে নিরীক্ষাধর্মী অনুষ্ঠান করেন বাংলাদেশ বেতারে। বাংলাদেশ বেতারে বিভিন্ন আয়োজনে নিরন্তর সক্রিয় তিনি।

শিক্ষকতা, বেতারের অনুষ্ঠান, কবিতা যজ্ঞ ও লেখালেখি নিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব ঐশ্বর্যমন্ডিত জগৎ। সুরের খেয়ায় ভেসে বেড়ান। গান নিয়েও কাজ করছেন। গান রচনা করছেন।

কবি রোকসানার সাথীর পড়াশোনা: আজিমপুর গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি ও ইডেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।পরবর্তীতে তিনি ব্যাচেলর অব এডুকেশন ও মাস্টার্স অব এডুকেশন ডিগ্রি অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে।

তিনি ১৯৬৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার ধানমণ্ডির একটি উচ্চ মধ্যবৃত্ত পরিবারে (৫১ বর্তী পরিবারে) জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারে তিনি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেন। তার বাবা মরহুম কে. এ. খালেক ছিলেন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সেক্রেটারির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধারে বিশিষ্ট একজন ব্যবসায়ীও ছিলেন। সমাজ হিতকর কর্মব্রতে অকুণ্ঠ ভালোবাসায় গড়ে তুলেছেন বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ধরে নিয়ে চালায় পাশবিক মর্মান্তিক নির্যাতন বলি হয়ে ১৯৭১ সালে লন্ডনে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ওই বছরের ২৯ জুন সেখানেই মারা যান। অবস্থায়  ১৯৭১ সালে লন্ডন যান। মা মিসেস নাজিমুন্নেসা। বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা।