সোমবার, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯
২৭ জুন ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

কক্সবাজারে যত্রতত্র স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: ভবিষ্যতে কক্সবাজারই হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের রুটের রি-ফুয়েলিং পয়েন্ট। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারকে মহাপরিকল্পনার আলোকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। তাই এই শহরে যত্রতত্র কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিনি।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যারা পশ্চিমা দেশ থেকে পাশ্চাত্যে দেশে যারা যায়, তারা কিন্তু এই কক্সবাজার থেকে রি-ফুয়েলিং করবে। রি-ফুয়েলিংয়ে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন সময় অগ্রাধিকার পায়। এক সময় হংকং ছিল এরপর থাইল্যান্ড অথবা সিঙ্গাপুর এখন দুবাই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কক্সবাজারই হবে আন্তর্জাতিক আকাশ পথের রি-ফুয়েলিংয়ের একটি জায়গা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই কক্সবাজারে ভালো কনভেনশন সেন্টার করা হবে, অন্য কোথাও না, রাজধানীতে না। আমি চাই কক্সবাজার হবে এজন্য যে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াবে এবং সরকারি যে সেমিনার সেগুলো করা হয় সেখানে যাতে করা যাবে এমন ভাবে তৈরি করা হবে।’

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালের ২৭ মার্চ অনুষ্ঠিত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবন নির্মাণের জন্য এক একর ২১ শতক জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই বছরের ৬ মে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।’

কউক চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদ জানান, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় কউকের বহুতল অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করা হয় এবং ২০২১ সালের ডিসেম্বর প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।

তিনি আরও জানান, সরকার বহুতল অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বরাদ্দ দিয়েছিল ১১৪ কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা। কিন্তু কাজ শেষে টাকা সাশ্রয় হয় চার কোটি ৩১ লাখ টাকা। তা সরকারি তহবিলে যথারীতি ফেরত দেওয়া হয়েছে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১০ তলা ভবনটির নকশা প্রণয়ন করে স্থাপত্য অধিদফতর। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও গণপূর্ত অধিদফতর যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। ২০১৬ সালের ৬ জুলাই কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য জাতীয় সংসদে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল পাস হয়।

উইমেনআই২৪//ইউ//১৮-০৫-২০২২//৪:৩৬পিএম//

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
সরিষাবাড়ীতে ৬ শতাধিক বন্যার্তকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ         ঢাকায় ১৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি         ‘উন্নত বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’         ১ হাজার ৮৩৬ নারী-শিশু পেলেন ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অনুদান         মগবাজারে ভবনে আগুন         ৫-১২ বছর শিশুরা ফাইজারের টিকা পাবে         ২৭ জুলাই থেকে ঢাকা-টরন্টো বিমানের ফ্লাইট         গাড়ির চাপ না থাকায় শিমুলিয়ার দুই ফেরি আরিচা         পদ্মা সেতুতে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী         উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে: প্রধানমন্ত্রী         করোনা টিকা মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়: ডা. আলমগীর হোসেন         ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে প্রথম নুয়েল         বন্যাকবলিত এলাকা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী         ঢাবি ‘খ’ ইউনিটে ৯০ শতাংশই ফেল         টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রকে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ         প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ইসলামী ব্যাংকের ১০ কোটি টাকা         পদ্মা সেতু পারাপারে যাত্রীদের দায়িত্বশীল হতে হবে: কাদের         ডিজিটাল সংযোগ স্থাপনে ২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প         নেত্রকোনায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে হুয়াওয়ে         দূর্গাপুর উপজেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবিতে সমাবেশ