সোমবার, ৪ মাঘ ১৪২৮
১৭ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

নৌপরিবহনে পুরনো ইঞ্জিন ও অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন

ফাতিমা পারভীন:

ঢাকা থেকে বরগুনা অভিযান- ১০ এর ট্রাজেডি বাংলাদেশের নৌ পথে নিরাপত্তার দুর্ঘটনার বিষয়টি আবার সামনে চলে এসেছে। আমাদের দেশে অতীতেও লঞ্চে অগ্নি এবং ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে তবে এমন মর্মান্তিক ভয়াবহ এবং বীভৎস ঘটনা বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে কিনা সন্দেহ। নিজের বেঁচে থাকার জন্য যেমন আহাজারি ছিল তেমনি পরিবারের সঙ্গীকে কিংবা অন্যান্য সদস্যকেও বাঁচানোর জন্য গগনবিদারী  আর্তচিৎকার ছিল। পিতা নিরাপত্তা দিতে পারেনি শিশুসন্তানকে যুবক সন্তান নিরাপত্তা দিতে পারেনি বয়স্ক পিতা-মাতাকে মা আগলে রাখতে পারেননি তার বুকের শিশুকে কিংবা স্বামী তার স্ত্রীকে নিরাপদ ভাবে নিরাপত্তা দিতে পারেনি নিজের জীবনের বেঁচে থাকার জন্য সেদিনের এই বাস্তবতা বড় কঠিন এবং ভয়ঙ্কর ছিল এমন বীভৎস দৃশ্যের কথা আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষের লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করা বড় কঠিন। কী নিদারুন সীমাহীন বিদগ্ধ আর্তনাদ, যে আর্তচিৎকারে প্রকম্পিত হয়েছে সারা বিশ্ব। ক্ষতবিক্ষত হয়েছে বাংলার প্রতিটি জনপদের মানুষ। রক্তক্ষরণ হয়েছে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে। এসবের জন্য দায়ী কে! দায়ীদের খুঁজে বের করতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে লঞ্চের ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য সবকিছু তদারকি হয়েছিল কিনা। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কিনা? যন্ত্র থাকলে তো হবে না সেগুলো কার্যকর ছিল কিনা, তাও দেখতে হবে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করা আবার যাত্রী ব্যতীত অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন বহন করার বিষয়টি দেখে মনে হয় পণ্যবাহী জাহাজ। লঞ্চ পরিচালনায় যারা নিয়োজিত থাকেন তারা এই বিষয়টি কখনোই মাথায় রাখেন না,মূলত ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি ধারণ করা আবার ফিটনেসবিহীন পরিবহন অন্যদিকে অসুস্থ প্রতিযোগিতা এটাই হচ্ছে লঞ্চ দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বড়  মূল মূল কারণ।
বরগুনা জেলায় আমার জন্ম বলে আমাদের প্রতিনিয়ত ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নৌপথে। বাস্তবতার নিরিখে যদি বলতে যাই তবে বলতে হবে শৈশব থেকে যে কথাটি প্রতিদিন শুনে আসছিলাম “উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট” এটি অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য মালিকপক্ষের অসাধু  লোভ লালসার তাড়নায় ত্বরান্বিত হয়, তাইতো বলি বিবেকের মানদণ্ড আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে সেটা ভাবতে সত্যিই অসহায় লাগে। অসহায় লাগে এই কারণেই যে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর কি কারণে কিভাবে ফিটনেসবিহীন রুট পারমিট সার্টিফিকেট দিলেন সেটা আজ ভাববার বিষয়।
অভিযান-১০ লঞ্চটি আয়তনে বড়, চাকচিক্যময় উপর থেকে দেখলেই প্রত্যেকের বিলাস ভ্রমণ করতে ইচ্ছে করে,যেন কোথাও ঘাটতির কমতি নেই কিন্তু ভেতরে তা কিন্তু নয়। এমন উপর থেকে চাকচিক্যময় হলেও মূলত তা ফিটনেসবিহীন একটি নৌ-পরিবহন। একজন মানুষের যেমন মেরুদণ্ড মূল চাবিকাঠি, তেমনি একটি-পরিবহনের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে ইঞ্জিন। এসব দূর পাল্লার নৌপথে ব্যবহার হচ্ছে রিকন্ডিশন ইঞ্জিন ফলে কিছুদূর যেতে না যেতেই চলন্ত নৌ-পরিবহন গুলো থেমে যায় আবার কখনও কখনও ওই রিকন্ডিশন ইঞ্জিন থেকে কালো ধোঁয়া এবং বড় বড় শব্দ বের হয়। এসব ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও সদরঘাট থেকে প্রতিদিন ছেড়ে দেয় লঞ্চ। 
দুঃখজনক হলেও সত্য অধিকাংশ ইঞ্জিনের দাম নৌ-পরিবহনের চেয়েও দ্বিগুণ তার বেশি হওয়ার কারণে পুরনো বা রিকন্ডিশন ইঞ্জিন দিয়ে চালানো হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের ভ্রমণবিলাসী নৌ-পরিবহন।নৌ পরিবহন অধিদপ্তর জেনেও তাদেরকে রুট পারমিট করছেন তাই এই দায়ভার নৌপরিবহন অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট মালিক  সমিতি পর্ষদের নিতে হবে কেননা সেইফটি প্রটেকশন নিশ্চিত না করে কোন নৌপরিবহনে রুট পারমিট করা উচিত 
নয়।মনে পড়ে গত ১৪ই আগস্ট পরেরদিন জাতীয় শোক দিবস পালন করতে নিজ এলাকায়  উপস্থিত হবার জন্য আমি এই লঞ্চের যাত্রী হয়েছিলাম,ঢাকা থেকে সেদিন ছেড়ে আসা বরগুনাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ অভিযান-১০ রাজাপুরের বিষখালী নদীর কাছে আসলে হঠাৎলঞ্চটি আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।ঘন্টাখানেক পরে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানান দেয়, যে লঞ্চটি ডুবোচরে আটকে গিয়েছে এটি আর যেতে পারবেনা আমরা কয়েকজন যাত্রীরা বললাম, জোয়ার আসলে তো লঞ্চটি আবার চালু করতে পারবেন কিন্তু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন ইঞ্জিন একটু সমস্যা হয়েছে।ওই সময়ে প্রায় সাড়ে চারশত যাত্রী ছিল লঞ্চ কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল আমাদের যাত্রীদের তীরে ওঠার কিংবা নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কোনক্রমেই বিকল্প কোন পদক্ষেপ দিয়েছিল না তখন নারী-শিশু বৃদ্ধ অসুস্থ রোগী যে যার মতো করে আমরা লঞ্চ থেকে আসতে সক্ষম হয়েছিলাম। কয়েক ঘন্টা পরে
সেদিনের সেই কষ্টটা আমি  ভুলতে পারছি না, তারা মূলত লঞ্চের সাথে প্রতিযোগিতা দিয়ে চালাচ্ছিল এ প্রতিযোগিতার নাম যদি অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলি তাহলে খুব একটি ভুল হবে না আমার। দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের এই দূরপাল্লার নৌপরিবহন ও পরিবহনগুলো ফিটনেসবিহীন ও অসুস্থ প্রতিযোগিতা অদক্ষ চালক দিয়ে পরিচালনা করা নিত্য নৈতিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগুন লাগলে মানুষ আগুন নিভাতে পানির জন্য ছোটাছুটি করে ফায়ার সার্ভিস স্বেচ্ছাসেবকগনও এর ব্যতিক্রম নয়  আর সেই  পানির মধ্যে তরতাজা কতগুলো প্রাণ পুড়ে ছাই হয়ে গেল নৌপরিবহনে দক্ষ জনবলের অভাবে এ বীভৎস দৃশ্য সারা জীবন আমাদের বিবেককে  তাড়া করবে। তবে প্রতিটি  লঞ্চের ডিজাইনের সাথে সব কিছু  পরিষ্কার থাকে যেমন লঞ্চের ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় সবকিছু তদারকি করে দেওয়া হয়,সঠিক মাপে লঞ্চের ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে কিনা বিধি মোতাবেক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আছে কিনা,লঞ্চের বডি ঠিক আছে কিনা ব্যবহারের উপযোগী কিনা কিংবা প্রতিটি ডেকে বহির্গমন দরজা কতগুলো থাকবে সিঁড়ি কতটুকু খাড়া হবে ইঞ্জিন নতুন কিনা, লঞ্চের ফিটনেস দেওয়ার আগে এগুলোর সত্যতা যাচাই করে ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রদান করার সময় কর্তৃপক্ষের বাস্তবতায় তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব। বাস্তবতায় দেখেছি প্রতিটি নৌপরিবহনে রিকন্ডিশন ইঞ্জিন ব্যবহার হচ্ছে ফলে কিছুদূর যেতে না যেতেই চলন্ত নৌ-পরিবহন গুলো থেমে যায় আবার কখনও কখনও ওই রিকন্ডিশন ইঞ্জিন থেকে কালো ধোঁয়া এবং বড় বড় শব্দ বের হয়।
নৌ-পরিবহনের যে সুবিধাগুলো কিংবা  যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য যে সকল ব্যবস্থা থাকা দরকার অধিকাংশই ক্ষেত্রেই তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল ছিল, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যন্ত্র থাকলে হবে না সেগুলো কার্যকর ছিল কিনা তাও দেখার বিষয়। একইসঙ্গে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত  ক্রু কখনোই নৌ-পরিবহন নিয়োগ দেয়নি আবার অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রটি  থাকলেই হবে না সেটি কবে সর্বশেষ ফায়ার ড্রিল হয়েছে এই জবাবদিহিতা আমাদের নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট যা কখনোই আশানুরূপ চোখে পড়েনি। নিরাপত্তাকর্মী কিংবা দক্ষ জনবল লঞ্চ মালিক কখনোই নিয়োগ করেন  নি। এই বিষয়ে জবাবদিহিতা চাইতে গেলে নৌপরিবহন মালিকগণ সব সময় সরকারকে দোষারোপ করে আসছেন,সত্যি কথা হচ্ছে দক্ষ জনবল গঠনে যেমন একটি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে তেমনি একজন সফল ব্যবসায়ীর দায়বদ্ধতা রয়েছে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া কখনোই একটি রাষ্ট্র দক্ষ জনবল গঠন করতে সক্ষম হয় না।
অভ্যন্তরীণ  নৌ অধ্যাদেশ-১৯৭৬এর আওতায় বেশিরভাগ দুর্ঘটনার মামলা দায়ের করা হয়। কোন কোন দুর্ঘটনায় মামলা করতে গেলে দন্ডবিধির ধারাও আসে। অভ্যন্তরীণ নৌ অধ্যাদেশের ৫৫ ধারায় বলা হয়েছে ঝড়ের সংকেত থাকা অবস্থায় নৌযাত্রা নিষিদ্ধ, এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধারায় শর্ত ভঙ্গ হলে অভ্যন্তরীণ নৌ যান মাষ্টারের তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে, এই ধারার উপধারা (২) অনুসারে যেখানে কোন অভ্যন্তরীণ নৌ যান দুর্ঘটনার ফলে প্রাণহানি বা কোন ব্যক্তি আহত বা নৌযানের বা অন্যকোন নৌযানের সম্পদ নষ্ট হয়ে থাকে এবং এ ধরনের কোনো ত্রুটি মালিক মাস্টার বা কোনো কর্মকর্তা বা ক্রু সদস্যের অযোগ্যতা বা অসদাচরণ  বা  কোন আইন ভঙ্গের কারণে ঘটে। তবে ওই নৌযানের মালিক অন্য কোনো কর্মকর্তা বা ক্রু সদস্য বা তাদের প্রত্যেককে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। নৌ দুর্ঘটনা বড় ধরনের প্রাণহানি হলেও  শাস্তির বিধান নামমাত্র বলছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বিশেষজ্ঞরা আবার এমনও মনে করছেন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে অধ্যাদেশ এর কয়েকটি ধারা সংশোধন করা সময়ের দাবি। আমরা জানি এই পর্যন্ত অতীতের মতোই মামলায় বিচারকার্যের দীর্ঘসূত্রিতা ১০ বছরেও মামলা রায়ের মুখ দেখবে কিনা তা বিচার ব্যবস্থায় আমরা নিশ্চিত নয়, কেননা মামলার সাক্ষীদের সঠিক নিয়মে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে হ্যান্ডেলিং করা হয় না। অনেক ক্ষেত্রে নিহতের আত্মীয় পরিজন পরিবারের সঙ্গে আসামিদের আপস হয়ে যায় ফলে সাক্ষীদের আদালতে আনতে ব্যর্থ হয় রাষ্ট্রপক্ষ, আবার তাদের সাক্ষী দিতে আনতে অবহেলাও থাকে।
নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের উদাসীনতা, দায়িত্বে অবহেলা, দায়সারা পালিত দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের  পরিবহন পরিচলন ও অব্যবস্থাপনা এবং অসাধুভাবে রুট পারমিট সার্টিফিকেট  দিয়ে লক্কর ঝক্কর  নৌপরিবহনে কতগুলো নিরীহ মানুষের অগ্নিদগ্ধ করে প্রাণ কেড়ে নিল। যারা সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে তারা যে পর্যায়ের হোক, যে দলেরই হোক যত বড় ক্ষমতার অধিকারী হোক সকলের বিচারের আওতায় আনা উচিত। একদিন হয়তো ভুলে যাব আমরা এই দিনের স্মৃতি, বছর ঘুরে বারবার শিরোনাম হয়ে আসবে ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রিন্ট মিডিয়ার শিরোনাম আর যারা প্রাণ হারিয়েছেন সেই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে চিরদিনই। হয়তো তারা অসহায়ের মতো জীবন যাপন করবে,তবে ভবিষ্যতে এমন করে আর কোনো নারী শিশু বৃদ্ধ পুরুষ এভাবে অকালে প্রাণ হারাবে না। হতভাগ্য মানুষের জন্য আর কোনদিন নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ এভাবে অব্যবস্থাপনায় কারো জীবন ধ্বংসেরও কারণ হয়ে দাঁড়াবে না সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি ।
বিচারে যাই হোক নৃশংস বীভৎস এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের যথাযথ ক্ষতিপূরণ রাষ্ট্র  মালিকপক্ষ এবং আমাদের বিচারব্যবস্থা দ্রুত বিচার কার্য নিষ্পত্তি দিবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা অসহায় দর্শকের মত পথ চেয়ে থাকব ।

লেখক নারী ও শিশু অধিকার কর্মী পাথরঘাটা উপজেলা  পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান

 

 

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
বিশ্বে করোনাভাইরাসে একদিনে শনাক্ত ও মৃত্যু কমেছে         অবশেষে পদত্যাগ করলেন শাবির সেই প্রভোস্ট         বাণিজ্য মেলায় শিশুদের জন্য চালু হলো দুটি জাম্পিং হাউজ         'জনস্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে'         ‘মেশিনে ভোট দেওয়া সোজা’         হ্যাটট্রিকের পর আইভী যা বললেন         ইসলামী ব্যাংকে দুই দিনব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন         শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশ         যুক্তরাষ্ট্রে জিম্মি ঘটনার নেপথ্যে পাকিস্তানি বিজ্ঞানী আফিয়া সিদ্দিকী         বিচারপতি টিএইচ খান আর নেই         শীতে প্রবীণদের যত্নে পাঁচ পরামর্শ         আইভীর হ্যাট্রিক জয়         নারায়ণগঞ্জ সিটি আমাদের সর্বোত্তম নির্বাচন: মাহবুব তালুকদার         রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ সদস্য         লুডুকে ‘অলৌকিক শক্তি’ মানতেন যারা         বড় ব্যবধানে এগিয়ে আইভী         ধরে নিয়ে যাওয়া সেই দুই ছাত্রকে ফেরত দিল বিএসএফ         বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে টস জিতে ব্যাটিংয়ে যুবারা         করোনা : ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও শনাক্ত বাড়ল         ৪৫ বছর পর মাকে খুঁজতে বাংলাদেশে ম্যারিও         রাতেই সাত কলেজের ভর্তি ফল প্রকাশ