শনিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
২৭ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেন সুপ্রিম কোর্ট

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: ধর্ষণের ঘটনায় এক মামলায় স্থগিতাদেশ থাকার পরও আসামিকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে বর্তমানে সংযুক্ত এবং ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর সাবেক বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগে সশরীরে উপস্থিত হন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কার্যতালিকার ১ নং ক্রমিকের মামলায় শুনানি শেষে তার ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা সিজ করা হয়েছে মর্মে আদেশ প্রদান করেন। পূর্ণাঙ্গ রায় পরবর্তীতে প্রকাশ হবে।

স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া মোছা. কামরুন্নাহারকে তলব করেছিলেন আপিল বিভাগ। সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সকালে আপিল বিভাগে হাজির হন তিনি।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তার বিষয়ে রুদ্ধদ্বার শুনানি অনুষ্ঠিত হয় ও বেলা ১১টায় শুনানি শেষ হয়।

এদিন ‘রাষ্ট্র বনাম আসলাম সিকদার’ শিরোনামের মামলাটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১ নম্বর ক্রমিকে ছিল।

গত বছর ১২ মার্চ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ তাকে ওই বছরের ২ এপ্রিল আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।  

গত ১১ নভেম্বর বনানীর আলোচিত ধর্ষণ মামলায় সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে খালাস দেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহারের আদালত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ মামলা করতে যায় তা না নেওয়ার পরামর্শ দেন। বিচারকের এ বক্তব্য বিতর্কের জন্ম দেয়। সমালোচনার মুখে প্রধান বিচারপতি বিচারক কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেন।

আরও পড়ুন: এবার উচ্চ আদালতে ক্ষমা চাইলেন সেই বিচারক

এরপর সোমবার দুই বছর আগের একটি ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দেওয়া নিয়ে কামরুন্নাহারের তলবের আদেশের বিষয়টি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসে।

২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের অভিযোগে বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার সাবেক অনুষ্ঠান প্রযোজক আসলাম শিকদারের বিরুদ্ধে ঢাকার হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন এক নারী। ওই দিনই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে এ মামলায় ২০১৯ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট আসলাম শিকদারকে জামিন দিলে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত জামিন স্থগিত করে দেন। পরে এ স্থগিতাদেশ বাড়ানোর জন্য আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

চেম্বার আদালতে জামিন স্থগিত থাকার পরও আসামি আসলামকে জামিন দেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক কামরুন্নাহার। সে সময় আসলাম শিকদারের জামিন পাওয়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতের নজরে এনেছিলেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তখন আপিল বিভাগ বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথি আনেন। নথি আসার পর তা পর্যালোচনা করেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা। এরপর বিচারক কামরুন্নাহারকে তলবের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

উইমেনআই২৪//এএসইউ//

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
ইউসেপ হাফিজ মজুমদার সিলেট টেকনিক্যাল স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা         বিশ্বের বিচিত্র সব টয়লেট রেস্তোরাঁ         বিয়েতে ঝুড়ি ভর্তি টাকা উপহার! গুনতেই পাক্কা তিন ঘণ্টা!         মাছি তাড়াতে গিয়ে উড়িয়ে দিলেন বাড়ির একাংশ         সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়ানো চার ভৌতিক জাহাজ         ‘আমরা নির্যাতনকে নির্মূল করতে পারিনি’         নতুন প্রজন্মের জন্য গবেষণা কাজে প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী         ছোটবেলায় আমরাও অর্ধেক ভাড়ায় চলেছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         এবার সাহসী সামান্থা         মহাসড়কে টোল আদায়ে বিল পাস         বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলন হচ্ছে না         স্মার্টফোন ব্যবহারে চোখের ক্ষতি এড়াতে         টিকা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে বউ-শাশুড়ির প্রাণহানি         মহামারীতে প্রবাসী আয়েই শক্ত অর্থনীতি: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী         ডব্লিউসিআইটি ২০২১ :তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ব আসরে ডিজিটাল বাংলাদেশ         করোনার নতুন ধরন 'ওমিক্রন' নিয়ে এত উদ্বেগ কেন?         বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, কমতে পারে দেশেও         করোনায় আজও মৃত্যু কমেছে         প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েরা