বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
০২ ডিসেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

‘ নারীর ক্ষমতায়নে নারী পুরুষের সম অঙ্গিকার অপরিহার্য ’

 ‘ নারীর ক্ষমতায়নে নারী পুরুষের সম অঙ্গিকার অপরিহার্য ’

মিনা মাশরাফী :
                                                                                                                                                                                                                                                                                              ৮মার্চ আর্ন্তজাতিক নারী দিবস বিশ্ব নারীর অহঙ্কারের প্রত্যয় দীপ্ত একটি দিন। সুদীর্ঘ নারী আন্দোলনের যৌক্তিকতায়  জাতিসংঘের সমর্থনের মধ্য দিয়ে তাৎপর্যর্পুন এ দিনটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল বলেই  আজকে দেশের সামগ্রীক  অগ্রযাত্রায় সোনালী সূর্য ঝলমলে আলোয় উদ্ভাসিত। এই দিনটি সর্ব ক্ষেত্রে নারীর অগ্রযাত্রার প্রবেশ দ্বার উন্মুক্ত করেছে । প্রতিষ্ঠিত এই দিনের প্লাটফর্মকে সামনে রেখে  নারী তার ন্যায্য পাওনা আদায়ে নতুন চিন্তা ধারা প্রয়োগে সাহসী হয়েছে। 
একবিংশ শতাব্দির সুচনায় দাঁড়িয়ে  নারী আন্দোলন তথা বাংলাদেশের নারী আন্দোলন  যুক্ত হয়েছে ‘সিডো’ সনদ বাস্তবায়ন,বেইজিং, বেইজিং+১০, আজকের বিশ্ব ও বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া, বিশ্বায়নের ভাল মন্দ  জেন্ডার ইকুয়ালিটির মধ্যে নতুন ভাবনা -- মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ভূমিকা  রাষ্ট্র সমাজ ও পরিবারের দায়িত্বকে  তাই আাজ নতুন করে পর্যালোচনা করে  দেখতে হবে বিশ্বায়নের পরিস্থিতি। জাতীয় উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করতে সাধারন মানুষ তথা নারী পুরুষকে নির্বিশেষে স্বাবলম্বী করে তোলা, শিক্ষা স্বাস্থ্য চিকিৎসা  এ সবের মান এবং  পরিনত সামাজিক অবস্থানগত উন্নয়ন র্পুবক ক্ষমতায়নের কথা ভাবতে হবে। কারন আত্মবিশ্বাস, আত্মউন্নয়ন ও স্বাবলম্বীতা ছাড়া স্বাধীনতা এবং যে কোন ধরনের মতায়নের কথা ভাবা যায়না ।  
বর্তমানে  অনেক পরিবর্তন এসেছে। সাম্প্রতিক বিশ্বের দেশে দেশে রাষ্ট্র প্রধান,সরকার প্রধান, বিচারপতি, মন্ত্রী,প্রভৃতি পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন নারীরা। বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংস্থার শীর্ষপদেও নারীরা নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশে দেশে বর্তমানে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হিসাবে  নারী এখন ক্ষমতাসীন। আমরা দেখতে পাই :
*) মিশেল বাশেলেট : চিলির প্রথম প্রেসিডেন্ট। ১১মার্চ ২০০৬ সালে  তিনি দায়িত্বভার গ্রহন করেন।
*) ইলেন জনসন সারলিফ : লাইবেরিয়ার তথা আফ্রিকার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৬ জানুয়ারী ২০০৬ সালে শপথ নেন।
*) আঞ্জেলা মারকেল : জামানীর প্রথম নারী চ্যান্সেলর। ২০০০সালে সিডিই পার্টিও সভাপতি এবং২০০৬ সালে চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
*) মারিয়া ডি-কারমো : সাওটোমা অ্যান্ড প্রিন্সিপির দ্বিতীয় নারী প্রধান মন্ত্রী। ৮জুন ২০০৫ সালে তিনি প্রধান মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহন করেন ।
*) হেলেন কার্ক: নিউজিল্যান্ডের প্রধান মন্ত্রী। ২০০৫ সালের অক্টোবরে প্রধান মন্ত্রী হিসাবে পুননির্বাচিত হন।
*) হান মিউংসুক : দক্ষিন কোরিয়ার প্রথম মহিলা প্রধান মন্ত্রী । ২০০৬ সালের ২১ এপ্রিল  তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেন। 
এছাড়া  বাংলাদেশ,জ্যামাইকা, মোজাম্বিক, ফিলিপাইন এবং ইউক্রেনের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী নারী । ফিনল্যান্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট একজন নারী।
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দুই নারী : পররাষ্ট্র মন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইচ ও হিলারী ক্লিনটন। বর্হি বিশ্বের পররাষ্ট্রনীতিতে তাঁরা গুরুত্বর্পুন ভ’মিকা পালন করছেন।
নারী প্রকৃতির আর্শীবাদে সহজাতভাবে সৃজনশীলতার অধিকারী  এক অনন্য বৈশিষ্ট নিয়ে প্রতিয়মান। নারীর  সৃজনশীলতার স্পর্শে পৃথিবী হয় সুষমামন্ডিত। জ্ঞান- বিজ্ঞানে পৃথিবী এগিয়েছে অনেক দূর। এগিয়েছি  আমরাও। বিশ্বজগতের প্রতিটি বিজয় ও সাফল্য এবং নব সৃষ্টির পেছনে নারীর অবদানও অপরিসীম। তারপরও নারীর সম অবদানে সমৃদ্ধ সমাজ আজও নারীকে সমান চোখে দেখতে অভ্যস্ত হয়নি। এ বাস্তবতা বৈষম্যমূলক, যা ভীষনভাবে অযৌক্তিক, অনৈতিক ও পুরুষ তান্ত্রিক সমাজের পক্ষপাত দুষ্ট সংকীর্নতার বহি:প্রকাশ। আর এই  বৈষম্যমূলক সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিই নারীর প্রতি সহিংসতার মূল কারন। মমতাময়ী নারী  মানব শিশুকে গর্ভে ধারন করে  পৃথিবীকে রেখেছে প্রানবন্ত। নারী বিহীন সুসজ্জিত মায়া মমতার পরিবার কল্পনা করা যায় না। মাতৃর্গভ হতে শিশুর জন্মের পর যে কোন পেশার একজন নারীর  কোল জুড়ে নারীর স্তন্য সুধা পান করে  নিরাপদ আদর যাতে বেড়ে উঠে শিশু। পৃথিবীর বিস্তৃত অবয়বের সাথে পরিচিত হয়। অবারিত দৃষ্টি প্রসারিত করতে শেখে। নারীর কাছেই প্রথম  হাতে খড়ি আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও জ্ঞানের মত আলোক বর্তিকার। দক্ষ নাগরিক বানাতে গোড়ায় পানি ঢালার কাজটি করেন স্নেহময়ী মা’। যে কোন একজন মানুষের পৃথিবীর পাঠশালায় প্রথম কারিগর ও শিক্ষক মা’। আনন্দ ভালবাসা, স্নেহ- মমতা, প্রেরনা ছাড়াও এ বিশ্ব বিনির্মানে, নানা উদ্ভাবন আবিস্কার,এবং মাঠে ময়দানে সুনিপুন দক্ষতা দেখিয়েছে নারী, নেতৃত্ব দিয়েছে নানা আন্দোলন, সংগ্রামে এবং ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে  নানা দেশের শীর্ষ আসনে। কর্মী, আবিস্কারক,বিচারক,বিজয়ী পর্বতারোহী, নভোচারিনী, রানী, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, বিরোধী দলের নেত্রী, রাজনীতি, আইন সভায়,মন্ত্রীসভায়,ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনের উচ্চপর্যায় । সিমন দ্যা বেভোয়ার বলেছেন: ‘নিজের পুরুষত্ব নিয়ে  নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা একজন পুরুষ নারীর প্রতি  সবচেয়ে বেশী অহম, আক্রমনাত্মক অথবা ঘৃনাপূর্ন ভাব প্রকাশ করে থাকে’। হাজার বছর ধরে নারীর সামাজিক বা শারিরীক নিষ্পেষনের মূল কারনটি তিনি একটি বাক্যে বলে দিয়েছেন’।  নারীর উপস্থিতি নিজ যোগ্য আসনে সমাসীন হওয়া সত্বেও এখনো বিশ্বময় নারীর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ক্ষমতায়ন ও সার্বভৈাম অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রচলিত ধ্যান ধারনার  প্রভাব মুক্ত হওয়া  অত্যন্ত জরুরী।
নারী অধিকার নিশ্চিত করে  তাঁকে  ক্ষমতায়ন করা শুধু সমাজের জন্য নয়,  পুরুষের নিজের জীবনের  মান উন্নয়নেও অতি প্রয়োজন।একটি পরিবারের পুরো দায়ভার একজন পুরুষকে করে তোলে সেই পরিবারটির  একজন প্রয়োজনের কৃতদাস। তাতে হয়তো সে পরিবারের আন্যান্য সদস্যদের উপর  অভিভাবকত্বের ক্ষমতায় যথেচ্ছা দাম্ভিকতা করার অধিকার পায়,কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তার জীবনখানি ঐ পরিবারের ঘানি টানা বলদের মতই হয়। তার গতানুগতিক জীবন মানের তেমন কোন পরিবর্তন হয়না। একমাত্র উদার চিত্তে দুরদর্শী চিন্তাকর্ষনের মাধ্যমে নারীর অবদানের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি প্রদান পুর্বক নারীর ক্ষমতায়নের পথ সুগম করতে পারলে এই অবস্থার পরিবর্তন আসবেই আসবে। ম্যান্সপ্লানিং বন্ধ করতে হবে।এই শব্দটি দিয়ে যা বোঝায় তা হলো  -- প্রচলিত ধারনায় পুরুষ শ্রেনী অনেক সময় পরিবেশের অহম থেকে মনে করেন যে তার নিজের অভিজ্ঞতা জ্ঞান নারীর চেয়ে বেশী, পুরুষ নামেই  মনে করে সে জানে বেশী ক্ষমতা ও জ্ঞানে নারী অপেক্ষা সুপিরিয়র। জ্ঞান - বিজ্ঞানের চর্চা ও পরিচর্চার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হওয়া সত্বেও পুরুষ পুরুষ প্রাচীন মানসিকতার গন্ডি থেকে বেরিয়ে আসার মত উদার চিত্ত এখনও তৈরী হয়নি।  পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ থেকে নারীর জ্ঞান দক্ষতা কর্ম ও মর্যাদাকে তাচ্ছিল্য করে দেখতে শেখার অভ্যাসের অবসান হয়নি আজও। নারীর ক্ষমতায়নের পথ প্রসারিত করতে হলে এমন ধারনার অবসান অবশ্যই প্রয়োজন।একটা উদহারনের মাধ্যমে পরিস্কার ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছি : একজন ছেলে বন্ধুকে তার মেয়ে বন্ধু বললো -- ছেলেটি এমন নোংরাভাবে আমার দিকে তাকাচ্ছিল যে, আমাকে আড্ডা থেকে চলে আসতে হলো। সঙ্গে সঙ্গে ছেলে বন্ধুটি বললো  --ছেলেটি না হয় একটু তাঁকিয়েছে ----তা --তে কি হয়েছে ? সে তো আর বাঘ ভাল্লুক নয় ? এখানে  ছেলে বন্ধুটি  ঝট্পট্ তার মত করে মেয়েটির মানসিক অবস্থার বিচার না করে মন্তব্য করে  ফেললো। এটাই  ম্যান্সপ্লানিং। বাংলাদেশের নারীদের ক্ষেত্রে --  শিশু কন্যা থেকে একজন নারীর প্রতি  জীবনাবসানের আগ পর্যন্ত তার কাছের পুরুষটি (অভিভাবক, বাবা, ভাই, স্বামী ) এই কাজটিই করে থাকেন। তাঁরা জানেন না এ কাজটির প্রভাব  নারীকে  মানসিকভাবে  কতটা ক্ষতিগ্রস্থ করে । আর এ কারনেই কোন কিশোরী  ইভটিজিং এ উত্যক্ত হয়ে বাড়িতে অভিভাবকের  সহানুভুতির আশ্বাস পাবেনা এই আস্থাহীনতায়  এবং তাচ্ছিল্য হওয়ার ভয়ে নিরুপায় হয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। প্রখ্যাত অভিনেত্রী বিটেল্ ডেভিস কষ্টের সাথে বলেছেন : When a man gives his opinion  he‘s  a man. When a woman gives her openion, she’s a bitch.’ বর্তমান সমাজে  পুরুষদের মুখে মহিলা বা নারী শব্দটি গালি অথবা তিরস্কার হিসাবে ব্যাবহার করতে দেখা যায়। মেয়েদের অস্তিত্বের প্রতি পুরুষের মনোভাবটি এতে প্রকট হয়ে উঠে। নারীকে কটাক্ষ করার  জন্য কিছু ভিন্ন রকম ভাষা ও শব্দও তৈরী করেছে পুরুষ সমাজ। যে সব শব্দের পুরুষ বাচক কোন শব্দ নেই। যেমন : সতী, রমনী, কুলটা, পতিতা,গনিকা ইত্যাদি। এছাড়া কোন কোন পুরুষকে কখনও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে শোনা যায় চ্যালেঞ্জে হেরে গেলে চুরি পরে পরাজয় স্বীকার করে নেবেন। এ রকম ঘোষনা দিয়ে  নারীকে অবমাননার চোখ দেখা হয়। হাজার বছর ধরে পুরষ মনোভাবে স্বভাবগত ভাবেই  এ কাজটি হয়ে আসছে একান্তই কুসংস্কার, পুর্বধারনা, পুরুষত্ব  জাহির করা পক্ষপাত আর অজ্ঞতা ও আক্রমনাত্বক মনোভাব থেকেই। এতে পুরুষের কোন উপকার হয়নি বরং সামগ্রীক ভাবেই ক্ষতি হয়েছে সর্বজনের। নারীকে তার যোগ্য মর্যাদা ও প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার প্রবনতা পুরুষের সম্মাান ও মহত্বকে ছোট করে।
বৈজ্ঞানিক গবেষনায়  অসংখ্যবার  প্রমানিত হয়েছে যে - শারিরীক পার্থক্য ছাড়া নারী পুরুষের মধ্যে বৈষম্য নেই।এ কথার তাৎপর্য উপলব্ধি করে জেন্ডার সমতা ভিত্তিক সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে নারীর সমস্যাকে সমাধানের লক্ষ্যে মূলত: সহানুভূতিশীল উদারচিত্ত পুরুষের সদিচ্ছা অপরিহার্য্য। এছাড়া দেখা গেছে পুরুষ শারিরীক দিক থেকে শক্তিশালী আর নারীর আছে অলৌকিক সুপার পাওয়ার। একথা অনস্বীকাযর্ যে নারী এবং পুরুষ একে অপরের পরিপূরক।এই দুই পাওয়ারের সমঝোতায় সমন্বয়ে হলে উন্নয়নও শান্তি অবধারিত। নারী পুরুষের মধ্যে বৈষম্য ও বিরোধ থাকবে না।  ( ৩০ অক্টোবর ২০১৪ দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে প্রাপ্ত ‘নারীর সুুপার পাওয়ারের’ গবেষনা ভিত্তিক তথ্যের  অংশ বিশেষ  উপস্থাপন করা হোল) 
বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে প্রমানিত হয়েছে নারীর মধ্যে এমন কিছু শারিরীক ও মানসিক ক্ষমতা  আছে যা শুধু নারীকেই করেছে  অনন্য। 

বিজ্ঞান স্বীকৃতি দিয়েছে যে  ‘নারীর আছে সুপার পাওয়ার’ অবাক করা এই ক্ষমতার তালিকায় রয়েছে : 

১) শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ডা: মায়া সালে  আবিস্কার করেছেন কাসপাস বার নামক এনজাইমের কারনে নারীর দেহে পুরুষের তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশী দেখা যায়। 

২) বিপদ বুঝতে পারে দ্রুত: ২০১২ সালে এক গবেষনায় কায়টো ভার্সিটির গবেষকরা জানান প্রায় ৬০ শতাংশ নারী ছবি দেখে বলে দিতে পারেন বিপদের আশঙ্কা আছে কি না? একটি সাপ খুঁজে বের করার পরিক্ষায় অভূতপুর্ব সাফল্য দেখায় তারা, যে নারী সবার আগে সাপটি খুঁজে পেয়েছেন তিনি গর্ভবতী ছিলেন। গবেষকরা জানান -- বিপদ বুঝতে পারার এই সুপার পাওয়ার নারীর ভিতর জন্মগত ভাবে জন্মায়। এ জন্য দেখা যায় বিপদজ্জনক কাজে নারীরা বাঁধা দিয়ে থাকে।

৩)একসঙ্গে একাধিক কাজের দক্ষতা: একসাথে  একাধিক কাজ করার ক্ষেত্রে  নারীকে বলা হয় ‘মাষ্টার’। যুক্তরাজ্যের গবেষক দল এ চমকপ্রদ তত্ব উপস্থাপন করেছেন:একজন নারী বিশেষ করে ঘরের একাধিক কাজের পাশাপাশি অফিস সামলানো ও পরিবার দেখা শোনার মত গুরুত্বর্পূন কাজ একসঙ্গে সামলানোর দক্ষতাকে সুপার পাওয়ার হিসাবে  স্বীকৃতি দিয়েছেন গবেষকরা ২০১৩সালে। 

৪) দেখেই বলতে পারে কে প্রতারক: চোখের দেখাতেই প্রতারক চিহ্নিত করার অনন্য ক্ষমতা রয়েছে নারীর।  অষ্ট্রেলিয়ান ইউনিভার্সিটি পরিচালিত এক গবেষনায়  দেখা গেছে ৩৪ জন নারীকে ১২জন পুরুষের ছবি দেখে প্রতারক চিহ্নিত করতে বলা হয়, ৬২ শতাংশ নারী  নির্ভূলভাবে প্রতারক চিহ্নিত করতে সমর্থ হয়।

৫) মানসিক চাপেও কর্মদক্ষতা ধরে রাখতে সক্ষম নারী: মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীরা এগিয়ে, নিজের কাজের বাইরে অন্য কাজ হাতে নিতে তাদের আগ্রহ দেখা যায়। গবেষক জর্জিয়া সিলানি বলেন , নারীরা মানসিক চাপেও সুষ্ঠভাবে কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। 

৬) মর্ণিং সিকনেস পাওয়ার: নারীর আশ্চর্যজনক এই শারিরীক ক্ষমতার দেখা মেলে  সন্তান যখন গর্ভে থাকে। গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে সহজেই বিভিন্ন রোগ তাকে আক্রমন করার উপযোগী হয়ে উঠে তখন মর্নিং সিকনেসের প্রভাবে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাসকে  পরাস্ত করে সন্তানকে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখে নারী। এমন শারিরীক প্রতিরোধ এক বিস্ময় যা একমাত্র নারীর দেহে সুপার পাওয়ার হয়ে উঠে। 

৭)সংস্কৃতির বির্বতনে নারীর ভূমিকা: ইতিহাসবিদদের মতে  --- যুগে যুগে সংস্কৃতির বির্বতনে নারী তার জায়গা থেকে পরির্বতনগুলো ধারন করে আসছে। এতে পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি ইতিহাস জানার দিক থেকেও সন্তানরা মায়ের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারে। পারিবারিক ধারা কোথা থেকে কি বয়ে নিয়ে এসেছে তা একজন নারীর চরিত্রে প্রস্ফুটিত হয়।

৮) গর্ভধারন ক্ষমতা ও মাতৃত্ব: বিজ্ঞানীরা বলেন সন্তান জন্মদানের জটিল প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়ে  একজন নারীর শারিরীকও মানসিক সক্ষমতা নারীর ভিতরের সুপার পাওয়ার  প্রমানের উপযুক্ত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই শারিরীক ও মানসিক পর্যায় গুলো মানুষের দেহে ও মনে থাকা অফুরন্ত শক্তি ও সম্ভাবনার কথা জানান দেয়। সৃষ্টিগত এই বিস্ময়ের অন্যতম গুরুত্বপুর্ন অংশ একজন নারী। একটি সন্তান যে ধারাবাহিকতায় নারীর গর্ভে লালিত হয়ে আসে সে প্রক্রিয়া গুলো অবিরত চলতে থাকে এবং সন্তান জন্মের পরও একজন মায়ের ভূমিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেই নারী  পরিবর্তিত এজন নতুন মানুষ মমতাময়ী মা’ হয়ে উঠে।। এসব কিছু বিশ্লেষন করে বিজ্ঞানীরা একমত হয়েছেন যে এটি খোদা প্রদত্ত অলৌকিক পাওয়ার শুধুমাত্র নারীর জন্য।  
 

মূলত: নারী হয়ে কেউ জন্মায় না। জন্মের পর সামাজিক পরিবেশ,রীতিনীতি,দর্শন,সংস্কৃতি প্রথা,নারী করে তোলে। পিতৃতন্ত্র ও সকল প্রতিষ্ঠানে এবং সমাজের সকল কাঠামোয়  নারীর বিরুদ্ধে জেন্ডার ভিত্তিক বৈষম্য চ্যালেঞ্জ করে আসছে। নারীর মতায়নকে  গুরুত্ব না দেয়ার প্রবনতা সকল ক্ষেত্রে বিরাজমান। সকল পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহরেন ক্ষমতা অর্জন ও নিয়ন্ত্রনকে সাধারন অর্থে নারীর মতায়ন বলাহয়। বর্তমান সরকার জাতীয় উন্নয়নের ধারাকে  গতিশীল করতে বহু কর্মসূচী গ্রহন করেছে :মানব সম্পদ উন্নয়ন,আত্মকর্মসংস্থান,নারী উন্নয়ন ওজেন্ডার সমতার লক্ষ্যে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এডিজি)ও দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র,আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা, নারী ও শিশুনির্যাতন প্রতিরোধ,নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, সচেনতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধাদি,জেন্ডার বৈষম্য বিলোপ ও সমতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নারীকে উন্নয়নের মূল সোতধারায় সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উন্নয়নের স্রোতধারায় নারীকে সম্পৃক্ততার প্রয়োজনে নারী পুরুষের সমতামুখী অগ্রযাত্রা অপরিহার্য।  
 

বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে ইতিহাসের পাতায়  রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নতুন সভ্যতা ভাঙ্গা গড়ার অনিবার্য অনুসঙ্গ হয়ে পুরুষ বীরযোদ্ধাদের নামের তালিকায় নারী যোদ্ধাদের নামও রয়েছে সমান মর্যাদায়। ইতিহাসে স্বীকৃত নারী যোদ্ধাদের  যুদ্ধবিদ্যা ও অস্ত্র চালানো দক্ষতার সাথে যোগ হয়েছিল-  প্রয়োজনে প্রান উৎসর্গ করার মত মনোভাব নারীদের মধ্যেও। ইতিহাস খ্যাত অস্ত্রহাতে নারী যোদ্ধাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল যারা :
শিখ বিদ্রোহিনী : ১৭০৪ সালে পাঞ্জাবের আনন্দপুর তখন  মোগলদের অধীনে। তখন শিখ গুরু ছিলেন গোবিন্দ সিং। সংকীর্নতার উর্ধে গোবিন্দ সিং তাঁর নিয়ন্ত্রনেই উঠে আসে একদল নারী যোদ্ধা। তাঁরা যুদ্ধ বিদ্যায় পুরুষদের তুলনায়  কোন অংশে কম ছিলেন না। তাদের মধ্যে মাইভাগো ও বিবি সাহেব কৌর এর নাম উল্লেখযোগ্য। যুদ্ধবিদ্যায় পরাদর্শী  মাইভাগো  মোগলদের বিরুদ্ধে শিখদের পক্ষে লড়াই করা একটি দলের নেতৃত্ব দিতেন বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়।
সোভিয়েত বীর যোদ্ধা লিলয়াকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বীর বলা হয়। তার পুরা নাম লিলয়া লিত্ভিয়াক। সোভিয়েতের ভাঙ্গন কালে লিলয়াসহ অনেক নারী, যোদ্ধা হিসাবে নাম লিখান নাৎসি বাহিনীতে।
ক্রিস্টিন গ্রেনভিল সাধারন নারীর মত বেড়ে উঠলেও ১৯৩০ সালে  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্বরনীয় ঘটনাগুলি তার জীবন পাল্টে দিতে শূরু করেছিল। লন্ডনে তিনি কাজের  সন্ধানে  আসতেন,একসময় কাজ জুটে গেল নারী গোয়েন্দা হিসাবে। নারী গোয়েন্দা হতে গিয়ে  শিখে নেন কুস্তি ও অস্ত্র চালনা। নাম পাল্টে রাখলেন ক্রিস্টিনা থেকে ক্রিস্টিন গ্রেনভিল। একবার তিনি গোয়েন্দা কাজে ধরা পড়েন  সে সময় কুস্তি ও অস্ত্র চালনা কাজে লাগিয়ে  পালাতে সমর্থ হন।
রানী লক্ষ্মী ও বেগম হযরত মহল : ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে রানী লক্ষ্মী ও বেগম হযরত মহলের কথা ইতিহাসে গৌরবের সাথে লেখা আছে। এই দুই নারী যোদ্ধা  সাহসীকতার সাথে  মুখোমুখী অস্ত্র নিয়ে লড়াই করেছেন বৃটিশ শাসকদের সংগে।তাঁরা সম্মুখ যুদ্ধ ও অস্ত্র চালনায় সেরা যোদ্ধাদের তালিকায় ছিলেন। ১৮৫৭ সালে রানী লক্ষ্মী  যুদ্ধের ময়দানে পুরুষের পোষাক পরে  পুরুষ যোদ্ধাদের দলে সামিল হয়ে যুদ্ধ করেছেন। তাঁর নিয়ন্ত্রনাধীন যোদ্ধা দল ১৮৫৮ সালে  পোলিওর শহরটি দখল করতে সমর্থ হয়। রানী লক্ষ্মী বাইয়ের মত সাহসী আরেক যোদ্ধা বেগম মহল যুদ্ধের ময়দানে ছিলেন অকুতভয় সৈনিক। অন্যদিকে ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায় ফ্রান্সের কৃষক কণ্যা জোয়ান অফ আর্ক অদম্য সাহস ও বীরত্ব প্রয়োগ করে ফ্রান্সের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অথচ তৎকালীন  সংর্কীনমনা পুরুষ সমাজ কটাক্ষ দৃষ্টিতে তাঁকে ডাইনী আখ্যা দিয়ে  প্রকাশ্য জনসমুখ্যে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন। মানবতাহীন নিষ্ঠুর সমাজে   স্বাধীনতাকামী বীরাঙ্গনা জোয়ান অফ আর্কের এই  পরিনতি সংকীর্নতার কালিমায় কলঙ্কিত পুরূষ সমাজের ঘৃনিত ইতিহাসের স্বাক্ষী বহন করে চলেছে।  
আমরা ভুলি নাই বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সাহসী যোদ্ধা  প্রীতি লতা ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্তদের মত সাহসী বীর নারী যোদ্ধা ও তাদের সহযোদ্ধাদের। ভুলি নাই ভাষা আন্দোলনে ভাষা সৈনিক রওশন আরা বাচ্চু ও তাঁর সহ যোদ্ধাদের ।
ইসলামের ইতিহাসে ধর্মযুদ্ধে বিবি সুমাইয়া প্রথম নারী শহীদ যোদ্ধা । বিশ্বের  সামগ্রীক কল্যানের  জন্য এপর্যন্ত বহু সংখ্যক নারী  আত্মত্যাগ করে গেছেন ইতিহাস সে কথা বলে ।
বিশ্বের কল্যানের জন্য মাদাম কুরি সূর্যরশ্মি থেকে রেডিয়াম আবিস্কার করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছিলেন বলেই  আজ  বহু দূরারোগ্য রোগের চিকিৎসার সুবিধা আমরা পাচ্ছি।   
কালের স্বাক্ষী ইতিহাস বলে  শারিরীক পার্থক্য ছাড়া নারী পুরুষ বৈষম্য কোথায় ? অতএব নারীেেক তাচ্ছিল্য করা,নারী নির্যাতন ও  নারীর অবমূল্যায়ন  দেশ ও জাতির উন্নয়নে বিশাল প্রতিবন্ধকতা। স্বাধীনতার চার দশকের বেশী সময়কালে  বাংলাদেশের নারীদের অবস্থা ও অবস্থান দৃশ্যমান অগ্রগতি যেমন হয়েছে  -- অন্যদিকে  নারী নির্যাতন সহিংসতা সেই হারে বেড়েছে । 
দেশের আইন ও সংবিধান নারী পুরুষের বৈষম্য স্বীকার করেনা বরং তা উচ্ছেদ করতে  প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ জন্য সরকারের রয়েছে : নারী নির্যাতন প্রতিরোধ আইন, বাল্যবিাহ নিরোধ আইন ,নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ আইন,পারিবারিক আদালত, জেলা, উপজেলায় ও ইউনিয়ন পর্যায়ে  নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি,এসিড নিয়ন্ত্রন কমিটি ,থানা ,র্কোট, কাচারী,র‌্যাব পুলিশ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তো রয়েছেই। এতদসত্বেও প্রতিদিন পত্রিকা খুললে নির্মম নির্যাতনের বিভৎস ছবি ও সংবাদ জনমনকে বিচলিত করে। আতঙ্কিত করে নিজের কন্যা সন্তানটিকে স্কুলে পাঠাতে বুক কাঁপে অনিশ্চিত ভাবনায়। নারী নির্যাতন সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেখলে বুক কেঁপে উঠে নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কি হবে ? নারীকে অবহেলা অবমূল্যায়ন আর যৌতুকের লোভ লালসায় নারী নির্যাতন মহামারী আকার ধারন করেছে --- এ বিষয় গুলিকে উদহারন দিয়ে বা চোখে আঙ্গুল দিয়ে এখন আর দেখানোর প্রয়োজন হয়না। পত্রিকার পাতা মেললেই চোখে পড়ে। আমার কলমে দু:খের কালিমায় তাইতো আঁচড় কাটি  -- সেই সব পুরষুদেরর বিবেক  জাগাতে কিন্তু  ‘জেগে ঘুমালে কেমনে জাগাই’।মনের আঁকুতি প্রতিবাদ তবু লিখেযেতে চাই  --- আমার 

কবিতা : কষ্টের ফিনকিতে রক্ত ”
বির্পযস্ত মানবতার উত্তপ্ত বাতাসে শুনি ক্রন্দন অবিরত ---
নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বাস্তবতা পদে পদে শৃঙ্খলিত, 
সহিংসতায় জর্জরিত নারী, অকাল মৃত্যু কসাই খানার মত।
লোভের তান্ডবে উশৃঙ্খল উন্মাদ সমাজ এখন --
যৌতুকের হাটে ,নারী বেচা কেনা হয়  পশুর  মতন।
লোভ, প্রতিপত্তি,প্রভাব,প্রতিযোগিতায় -- উন্মত্ত মানুষ
যৌতুকের লেনদেন নানা কৌশলে টসটসে লোভের ফানুস।
ওরে নিষ্ঠুর নির্বোধ সমাজ, পৃথিবী সৃষ্টির সুন্দর ধারায়
মাতা,ভগ্নি,জায়া,জননীর মায়া মমতায় শোভিত শান্তির সুধা 
প্রেম প্রীতি ভালবাসার সুখ স্পন্দনে ছিল নিরন্তর বাঁধা।
প্রশান্তির সেই নিরাপদ নরম আঁচল,ভালবাসাহীন ক্ষোভে টলমল
ঝলসিত পোড়া এসিডে দগ্ধ দগদগে পোড়া মুখ 
একি নির্মম ! পৃথিবীর মানচিত্রে কটাক্ষ বিদ্রুপ!
মহামারী আজ বাংলায়  ঘরে ঘরে যৌতুক ।  
ওরে লোভী যৌতুকে কেনা দাস, তুই নয় তো মানুষ! 
মানবিক গুনে হতে যদি চাস মানুষ  ---------
বিবেকের চোখ খোল,  খুলে ফেল মিথ্যে ফানুস !
নারী জননী  যার গর্ভে জন্ম তোর, নারী কন্যা তোর ঔরসে জন্ম যার।
নারী ভগ্নি একই জরায়ুতে অংশীদার,নারী জায়া সুখে দুখে জীবন সঙ্গী তোর।
নারী পুরুষ মিলে মিশে পৃথিবী অবিচল,নারী বিনে পৃথিবীতে সৃষ্টি অচল। 
তবে কেন ভালবাসা মিলেমিশে সংসার সঙ্গী হতে, নারী নামে ভিন্ন হায় !
কেন এই লজ্জা ! নারী কেন পণ্য হয় যৌতুকের কেনা বেচা কেনায় ?

কন্টকার্কীন পথে  সুদীর্ঘ আন্দোলনের সুফল আমরা পেতে চলেছি  -- আরো র্দীঘ  পথ পাড়ি দিতে হবে আমাদের। আগামীতে নারীর ক্ষমতায়ন এক নতুন পৃথিবীর জন্ম দেবে। নারীর পূর্ন ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই কেবল মানব সভ্যতা পরিপুষ্ট হবে। জাতীয় উন্নয়নে কাঙ্খিত অগ্রগতি অর্জনের প্রয়োজনে নারীকে তার প্রাপ্য অধিকার  মর্যাদার  আরো সুযোগ করে নিতে হবে। সর্বস্তর হতে অনিবার্যভাবে দিতে হবে সুযোগ। আসুন নারী পুরুষের সম অঙ্গীকারে পৃথিবী সাজাই।

                                                              
( কবি ও কথা সাহিত্যিক)

 

উইমেনআই২৪//এলআরবি//
                                                             

                                                             
                                                             
  
 

 
 

 

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
এইচএসসি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু, মানতে হবে ১৬ নির্দেশনা         জনগণকে ‘কম খাওয়ার’ নির্দেশ দিলেন কিম জং উন         দেশে ফিরেছে নারী দল         বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তিতে নতুন অধ্যায়ে দেশ         সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন         উড়োজাহাজের ধাক্কায় ২ গরুর মৃত্যু, ৪ আনসার প্রত্যাহার         আরো ১২১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে         গ্রেপ্তার ভয়ে পুরুষশূন্য গ্রাম, আতঙ্কে নারী-শিশু         বৈশ্বিক কোভিড সহনশীলতা সূচকে ১৮ ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের         এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ডিএমপির যেসব নিষেধাজ্ঞা         নভেম্বরে ৩২৬ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন শিকার         নেত্রকোণায় দাদন ব্যবসায়ীর হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন         ‘ঠিকানাহীন’ শোভা এখন বুয়েটে         ঢাকায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দল         শিক্ষা-গবেষণা ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আহ্বান         ২৪ ঘণ্টায় ২৮২ জন শনাক্ত         নবাবগঞ্জে বিশ্ব এইডস দিবস পালন         সৌদি আরবে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত         শিক্ষার্থী নাঈমের নামে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের ঘোষণা         শ্লীলতাহানির মামলায় নারাজির আবেদন পরীমনির