বৃহস্পতিবার, ৬ কার্তিক ১৪২৮
২১ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

গাঙ্গেয় ডলফিন রক্ষায় মনিটরিং করতে হবে

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: মাছটির নাম গাঙ্গেয় ডলফিন প্রায় চট্টগ্রামের হালদা, কর্ণফুলী ও সাঙ্গু নদীতে নিয়মিতই দেখা যেত । এখন কালেভদ্রে দেখা মেলে দু’একটির। নানান কারণে হারিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের এই বিপন্ন প্রজাতির ‘গেঞ্জেস ডলফিন’ বা গাঙ্গেয় ডলফিন। এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

গাঙ্গেয় ডলফিন রক্ষায় মনিটরিং 

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) হিসাব মতে, সারাবিশ্বের বিভিন্ন নদীতে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ গাঙ্গেয় ডলফিন আছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির জরিপ অনুযায়ী, ২০১৮ সালে হালদা নদীতে ডলফিন ছিল ১৬৭টি। এরপর ২০২০ সালে ডলফিন পাওয়া যায় ১২৭টি। আর বর্তমানে আছে মাত্র ৯৭টি। অথচ গবেষকরা সর্বাধিক ডলফিন থাকা চট্টগ্রামের হালদা নদীকেই এর নিরাপদ আবাসস্থল বলে ধারণা করে আসছিলেন। 

আশঙ্কার কথা হলো, গত চার বছরে শুধু হালদা নদীতেই মারা গেছে ৩১টি ডলফিন। সর্বশেষ মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে জেলেদের জালে আটকা পড়ে প্রাণ হারিয়েছে দুটি।

গাঙ্গেয় ডলফিনকে রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে দেশে এখনো যে কয়টি ডলফিন অবশিষ্ট আছে সেই কয়টিরও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। হয়ত প্রজাতিটি একসময় বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

গবেষকদের মতে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন নদীতে একের পর এক ডলফিন প্রাণ হারাচ্ছে আঘাতজনিত কারণে। এর লম্বা ঠোঁটে করাতের মতো দাঁত নদীতে থাকা জালে আটকে যায়। জালে আধাঘণ্টার বেশি আটকে থাকলে শ্বাসরোধে এর মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে মৃত ডলফিনের ময়নাতদন্ত করে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ডলফিন মারা গেছ আঘাতজনিত কারণে। কারণ ডলফিন ওজনে অনেক ভারি হলেও এর শরীরে মাংসপেশি নেই। তাই এর প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, একটু আঘাত পেলে দুর্বল হয়ে যায়। শরীরে পচন ধরে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গাঙ্গেয় প্রজাতির ডলফিন ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচলেও এদের জন্মহার কম। নদীকে ঘিরে নেওয়া নানা উন্নয়ন প্রকল্প এদের আবাসস্থল ধ্বংস করছে। নদীর নিম্নাংশে বালুতট, বিভিন্ন উপনদী, খাল এবং অন্য নদীর সঙ্গে সংযোগস্থলে ডলফিন বেশি বিচরণ করে। নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌযান, মাছ ধরার জাল ও ড্রেজার থাকার ফলে বিপন্ন হচ্ছে ডলফিনের প্রাণ।

ডলফিন রক্ষার জন্য এদের বিচরণ ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে হবে। চিহ্নত এলাকা ডলফিনের অভয়াশ্রম ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের সচেতন করতে হবে। অভয়াশ্রমে ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচলে সতর্ক করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।

 

উইমেনআই২৪//এলআরবি//

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
বিএনপি নেতারা নিজেদের অক্ষমতা আড়াল করতে পুরনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছে: কাদের         হিন্দুদের ওপর হামলা দেশের চেতনার বেদীমূলে হামলা: তথ্যমন্ত্রী         প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেল হলেন আদিবাসী নারী         বন্ধ মিল চালুর জন্য কর্মপরিকল্পনা দাখিলের নির্দেশ বিএসএফআইসই'র         প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে প্রেমিকদের হত্যা করতেন ৭৪ বছরের বৃদ্ধা         রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ৩০ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি         কাঁথার ব্যবসা করেই ই-কমার্স উদ্যোক্তা বেন্তি         টানা দ্বিতীয় বার ম্যাচসেরা হয়ে যা বললেন সাকিব         বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ         মায়ের আশ্রয় হয়নি ডাক্তার-ব্যাংকার ছেলের ঘরে         ফেসবুক লাইভে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড         আইপিএলে ৫০ টাকায় কোটিপতি নাপিত!         কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম         ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে         জাপা চেয়ারম্যান এর সাথে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ         ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত         নভেম্বরে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         করোনায় সারাদেশে ১০ মৃত্যু ,শনাক্ত ২৪৩         বাল্য বিবাহ: ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিকসহ ৯ জনের কারাদণ্ড         পাপুয়া নিউ গিনিকে বড় টার্গেট দিল বাংলাদেশ