মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৮
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

২০২১ সালে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের টেলিযোগাযোগব্যবস্থা বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হচ্ছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০২১ সাল নাগাদ নতুন এই সাবমেরিনে যুক্ত হতে পারে বাংলাদেশ।

এর অংশ হিসেবে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ SMW-6 কনসোর্টিয়ামের 11 & ASC কর্তৃক চূড়ান্ত নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি (C&MA) এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।

সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, একই বৈঠকে কনসোর্টিয়ামের নির্বাচিত ঠিকাদারের সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি (Supply Contract) স্বাক্ষরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।

তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড নিজস্ব তহবিল থেকে ৩০০ কোটি ৮৩ লাখ টাকার যোগান দেবে। আর বাকি ৩৯২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার যোগান দেবে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহের ক্ষেত্রে সাবমেরিন ক্যাবলের ভূমিকা অপরিহার্য। তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে বাংলাদেশ বর্তমানে সাউথ এশিয়া-মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪ এবং সাউথইস্ট এশিয়া-মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৫ নামে দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত রয়েছে। বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের ইন্টারনেট তথা আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথের ব্যবহার গত কয়েক বছরে ব্যাপক হারে বেড়েছে। ইন্টারনেটনির্ভর বিভিন্ন সেবার ব্যাপক প্রসারের কারণে ব্যান্ডউইডথের এই ঊর্ধ্বমুখী ব্যবহারের ধারা পরবর্তী বছরগুলোর জন্য অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, চলতি ২০২১ সালের মধ্যেই দেশে ফাইভজি সেবা চালু করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। ফাইভজি সেবা চালু হলে দেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়বে। ব্যান্ডউইডথের এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা বর্তমানে চালুকৃত দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে অদূর ভবিষ্যতে পূরণ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে সরকার দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের জন্য এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৬ সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১৯৯১ ও ১৯৯৪ সালে বিনাখরচে সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তখনকার সরকার বুঝতেই পারেনি এর গুরুত্ব। দেশের ‘তথ্য পাচার’ হয়ে যাবে এই আশঙ্কায় প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল। পরপর দুবার তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ মিস করলেও ২০০৬ সালে সেই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হয়নি। ওই বছরের ২১ মে বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছিল সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবলে। যদিও এর জন্য বাংলাদেশকে গুনতে হয়েছিল ৭৫০ কোটি টাকা। এরপর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ক্যাবলেও যুক্ত হয়েছে। অপেক্ষা এখন তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের।

সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়াকে স্বাধীনতার ৫০ বছরে অন্যতম সেরা অর্জন বলে অভিহিত করেছেন প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা। এ সংযুক্তির ফলে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন, ২০৩১ ও ২০৪১–এ পদার্পণ করা সহজ হবে। সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার ফলে আমদানিকারকের দেশ থেকে বাংলাদেশ এখন ব্যান্ডউইথ রপ্তানিকারকের দেশ।


উইমেনআই২৪//এলএইচ//

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
উন্নয়নের রূপকার শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ         সংগ্রাম ও সাহসের এক নাম শেখ হাসিনা         প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে টিকা ক্যাম্পেইন শুরু কাল         ডেঙ্গুতে আজও দুই মৃত্যু, শনাক্ত ২১৪         রেলের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে ভারত: রেলমন্ত্রী         শেখ হাসিনার জন্মদিনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি         ঢাবির সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার         শেখ হাসিনা এক জীবন্ত কিংবদন্তি: তথ্যমন্ত্রী         করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু-শনাক্ত         ইউপি নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিরীহ পারুলকে খুন         নিজ ঘরে মিলল নারী ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ         চোর সন্দেহে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ         জেল থেকে মুক্তি পেল ফিলিস্তিনি নেতা খালিদা জারা         ভারতের উপকূল অতিক্রম করেছে ‘গুলাব’, নামল সংকেত         ১৪ নভেম্বর এসএসসি, ২ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা         জার্মানির নির্বাচনে হেরে গেল মারকেলের দল         রাজনীতিকে বিদায় জানালেন প্রণবকন্যা শর্মিষ্ঠা         নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ গড়ে আইসল্যান্ডের ইতিহাস         আফগানিস্তানের বন্ধ হচ্ছে নারীদের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণকেন্দ্র         মধ্যরাতে শিশু পুত্রকে গলা কেটে হত্যা করলেন মা         করোনা : সংক্রমণে যুক্তরাজ্য, প্রাণহানিতে শীর্ষে রাশিয়া