মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৮
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের বিচারক হলেন বাংলাদেশি নুসরাত চৌধুরী

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নুসরাত জাহান চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সিনেট মেজরিটি লিডার চাক শ্যুমারের সুপারিশে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

এতে করে প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং প্রথম সাউথ এশিয়ান মুসলিম নারী যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালদের বিচারক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেন। তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (অ্যাকলু) আইনগত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি জেসিকা ক্লার্ক এবং নীনা মরিসন নামের আরো দুজন নারী ইউএস ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট এবং সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। নিয়োগপ্রাপ্ত তিন বিচারকই প্রগতিশীল ঘরানার। ফেডারেল আদালতের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে তাদের নিয়োগ বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দিত হচ্ছে।এরই মধ্যে তিন জনেরই নাম হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নুসরাত জাহান চৌধুরীর বাবা-মায়ের নাম জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভোগ’ ম্যাগাজিন তাকে নিয়ে ইতিপূর্বে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে তাকে বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট পিতা-মাতার সন্তান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিনেট মেজরিটি লিডার চাক শ্যুমার ১ সেপ্টেম্বর তার ভেরিফাইড ফেজবুক পেজে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘নূসরাত ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি হিসেবে এবং দ্বিতীয় মুসলিম জজ হিসেবে-যিনি ফেডারেল কোর্টে বসবেন। মানবাধিকার এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত আইনে সম্যক ধারণা রাখা নূসরাত ইতিমধ্যেই নিজের বিচক্ষণতা প্রদর্শনে সক্ষম হয়েছেন। একেবারেই শেকড় থেকে অপরাধের ধরন নির্ণয় এবং অপরাধীকে যথাযথ শাস্তি প্রদানে তার এই অভিজ্ঞতা বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।’

নূসরাত জাহান চৌধুরী গ্র্যাজুয়েশন করেছেন বিশ্বখ্যাত ইয়েল ল’ স্কুল থেকে। অ্যাকলু’তে যোগদানের আগে তিনি নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের ক্লার্ক এবং সেকেন্ড সার্কিট ইউএস কোর্ট অব আপিলের জজ ব্যারিঙ্গটন পার্কারের সঙ্গেও কাজ করেছেন। বর্তমানে ইলিনয় রাজ্যে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (অ্যাকলু) অ্যাটর্নি হিসেবে কর্মরত নুসরাত জাহান চৌধুরী। তিনি মানবাধিকার এবং নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্নে ন্যায়বিচার নিয়ে কর্মরত ২০ জন অ্যাটর্নির একটি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি অ্যাকলু’র ন্যাশনাল অফিসে বর্ণবিচার বিষয়ক প্রোগ্রামের ডাইরেক্টর ছিলেন। এই নাগরিক অধিকার সংস্থায় সারা আমেরিকায় কর্মরত সকল অ্যাটর্নির মধ্যে নুসরাতকে শীর্ষস্থানীয় তিনজনের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
উন্নয়নের রূপকার শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ         সংগ্রাম ও সাহসের এক নাম শেখ হাসিনা         প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে টিকা ক্যাম্পেইন শুরু কাল         ডেঙ্গুতে আজও দুই মৃত্যু, শনাক্ত ২১৪         রেলের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে ভারত: রেলমন্ত্রী         শেখ হাসিনার জন্মদিনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি         ঢাবির সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার         শেখ হাসিনা এক জীবন্ত কিংবদন্তি: তথ্যমন্ত্রী         করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু-শনাক্ত         ইউপি নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিরীহ পারুলকে খুন         নিজ ঘরে মিলল নারী ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ         চোর সন্দেহে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ         জেল থেকে মুক্তি পেল ফিলিস্তিনি নেতা খালিদা জারা         ভারতের উপকূল অতিক্রম করেছে ‘গুলাব’, নামল সংকেত         ১৪ নভেম্বর এসএসসি, ২ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা         জার্মানির নির্বাচনে হেরে গেল মারকেলের দল         রাজনীতিকে বিদায় জানালেন প্রণবকন্যা শর্মিষ্ঠা         নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ গড়ে আইসল্যান্ডের ইতিহাস         আফগানিস্তানের বন্ধ হচ্ছে নারীদের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণকেন্দ্র         মধ্যরাতে শিশু পুত্রকে গলা কেটে হত্যা করলেন মা         করোনা : সংক্রমণে যুক্তরাজ্য, প্রাণহানিতে শীর্ষে রাশিয়া