সোমবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৮
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

রাইড শেয়ারিংয়ে নারীরাও এগিয়ে

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: রাইড শেয়ারিংয়ে এগিয়ে এসেছেন নারীরাও। গণপরিবহনে ঝামেলার বিকল্প হিসেবে রাইড শেয়ারিংয়ের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ বাড়ছে ক্রমেই। মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের মাধ্যমে স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে রাইড শেয়ারিং ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে মধ্যবিত্তদের মধ্যে বিশেষ করে কর্মজীবী নারীদের জন্য জীবনযাপনের ক্ষেত্রে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অনেক তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মী সালমা আফরোজ। রাজধানীর ফার্মগেটের একটি কর্মজীবী মহিলা হোষ্টেলে বসবাস করেন। ফার্মগেট থেকে কর্মস্থল মতিঝিলে অফিস করেন নিয়মিত ৮ বছর। ছালমা আফরোজ উইমেনআই২৪ ডটকমকে বলেন, ‘নারীবান্ধব পরিবেশের কিছুটা ঘাটতি এখনও রয়েছে আমাদের দেশে। গণপরিবহনের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন নারীরা কর্মস্থলে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়েন। অ্যাপভিত্তিক যাতায়াত সেবাগুলোতে নারীরা এখনও ততটা অভ্যস্ত হয়ে ওঠেনি। অপরিচিত একজন পুরুষ চালকের সঙ্গে চলতে নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ। খানিকটা অস্বস্তিও থাকে। তাই নারী যাত্রী নারী কাছ থেকেই সেবা নিতে চান। একারণে নারীরা রাইড শেয়ারিংয়ের এগিয়ে আসছেন।’

পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও এ পেশায় আগ্রহী করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আর নারীদের এ পেশায় আসার পথে অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ হল বাইকের নিরাপত্তা। এ বিষয়ে পাঠাওয়ের মার্কেটিং নির্বাহী ওসমান ছালেহ বলেন, ‘পাঠাও তাদের রাইডারদের নিরাপত্তার ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়। রাইডাররা যে কোনো সময় অ্যাপ থেকে জরুরি সেবায় ফোন দিতে পারেন। আছে জিপিএসের মাধ্যমে লাইভ ট্র্যাকিং। বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের কাছে নিজের লোকেশন শেয়ার করতে পারেন। এছাড়াও টপ নারী রাইডারদের বাইকে পাঠাওয়ের পক্ষ থেকে ভেহিকেল ট্র্যাকিং সিস্টেম সংযুক্ত করা হয়েছে।’

দেশের কয়েকটি প্রথম সারির রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নারীরা কমবেশি যুক্ত আছে। পাঠাও, সহজ ও উবারের নারী রাইডাররা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার সঙ্গে রাইড শেয়ার করে। পাশাপাশি ‘ও বোন’ আর ‘লিলি’ নামের দুটি অ্যাপের মাধ্যমে শুধু নারীদের জন্য নারী রাইডার কর্তৃক রাইড শেয়ারিংয়ের ব্যবস্থা আছে। পাঠাও কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ঢাকা শহরে প্রায় এক হাজার রাইডারের মধ্যে ১০ ভাগ নারী রাইডার রয়েছে। এছাড়া ‘ও বোন’, ‘সহজ’, ‘লিলি’ এবং অন্যান্য রাইডারের মধ্যে অল্প কিছুসংখ্যক নারী রাইডার রয়েছে।

সহজ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা কাদির বলেন, ‘আমি একজন নারী হিসেবে নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা যে রাইড শেয়ারিংকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে গ্রহণ করছে, তাতে আমরা খুবই খুশি। একজন নারী আরেকজন নারীর সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে রাইড শেয়ারিং করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই নারীরা যত বেশি রাইড শেয়ারিংয়ে আসবে, নারীর চলাফেরার স্বাধীনতা ততই বাড়বে।’

বাস কিংবা সিএনজি ছাড়াই মানুষ এখন রাইড শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে খুব সহজেই কম সময়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে। ভাড়াও তুলনামূলকভাবে কম। ফলে দিন দিন এ ব্যবস্থার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। রাইড শেয়ারিংয়ে মূলত তিনটি পক্ষ থাকে। চালক, যাত্রী ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ। স্মার্টফোনে থাকা অ্যাপসের মাধ্যমে তিন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় করা হয়। কোনো যাত্রী তার গন্তব্যে যেতে অ্যাপসের সাহায্য নেয়। এর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ওই যাত্রীর সবচেয়ে কাছে থাকা চালককে বিষয়টি অবহিত করে অ্যাপসের মাধ্যমেই। তারপর যাত্রী চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাতায়াত করে। এতে একটি নির্দিষ্ট হারে ভাড়া ওঠে। ভাড়ার শতকরা ২০ ভাগ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে দিতে হয়। বাকি ৮০ ভাগ পায় রাইডার। মূলত প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের মাধ্যমেই এ ধরনের রাইড শেয়ারিং করা হয়। তাই প্রযুক্তিপ্রেমী মানুষের কাছে রাইড শেয়ারিং স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে।
নারীদের সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে স্বতন্ত্র একটি রাইড শেয়ারিং সেবা নিয়ে এসেছে শেয়ার এ মোটরসাইকেল (এসএএম বা স্যাম) নামের একটি কোম্পানি।

‘পিংক স্যাম’ অ্যাপসের মাধ্যমে নারী যাত্রীরা সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন একজন নারী লেডি বাইকারকে। আর সেই নারী বাইকার সেই যাত্রীকে পৌঁছে দেবেন তার গন্তব্যে। নারী স্কুটি বাইকার আরেকজন নারী রাইডারকে (সঙ্গীকে) সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন এ্যাপসে এমন একটি ফিচার ‘পিংক স্যাম’ উন্মুক্ত করেছে শেয়ার এ মোটরসাইকেল (স্যাম)। ঢাকায় বিশেষভাবে মেয়েদের চলাফেরার জন্য এ এ্যাপ সহযোগিতা করবে বলে জানান স্যামের কর্তৃপক্ষ।
এ অ্যাপে সেবাদাতা ও গ্রহীতা উভয়কে ‘স্যাম বাইকার’ অ্যাপটিতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অ্যাপটির মাধ্যমে কোনো নারী রাইডের জন্য অনুরোধ করলে অপর কোন নারী বাইকার তা গ্রহণ করে তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবেন। গত ৫ নবেম্বর থেকে রাজধানীতে ‘পিংক স্যাম’ রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। গত ৪ নবেম্বর ‘স্যাম’ রাইড শেয়ারিং নারীদের স্কুটিতে রাইড শেয়ারিংয়ের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই নারী বাইকাররা যেমন রেজিস্ট্রেশনে ঝুঁকছেন পাশাপাশি নারী রাইডাররাও এ অ্যাপটিতে নিজেদের অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে এ সেবা গ্রহণ করছেন। দেশে চালু হওয়া প্রথম রাইড শেয়ারিং এ্যাপ স্যামে আগে থেকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে মোটরসাইকেল পাওয়া যেত। দ্রুত গন্তব্যে যাওয়ার এমন অ্যাপ ব্যবস্থা ঢাকায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছিল। এর পথ ধরেই নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করে স্যাম।

স্যামের ফাউন্ডার ইমতিয়াজ কাসেম বলেন, ‘বাংলাদেশ তথা বিশ্বে মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ আমরাই চালু করি। ২০১৬ সালের মে মাস থেকে রাইড শেয়ারিং এ্যাপ ‘স্যাম’ যাত্রা শুরু করে। ঠিক তখনই নারী যাত্রীদের জন্য ‘পিংক স্যাম’ নিয়ে কাজ শুরুর চিন্তা করি। কিন্তু বিআরটিএ থেকে লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতার কারণে আমরা বন্ধ রাখি ‘স্যাম’ এর কার্যক্রম। চলতি বছরের অক্টোবর থেকে আমরা ‘স্যাম’ অ্যাপটি পুনরায় চালু করেছি। অনেক ভাল রেসপন্সও পাচ্ছি। ‘স্যাম’ অ্যাপের মাধ্যমে অনেক নারী যাত্রীও সেবা গ্রহণ করছেন। তবে ‘স্যাম’র বাইকাররা হচ্ছেন পুরুষ। আর ‘পিংক স্যাম’র বাইকাররা হচ্ছেন নারী। এ এ্যাপের মাধ্যমে শুধু নারী যাত্রীরাই উপকৃত হবেন। কোন নারী বাইকার পুরুষ যাত্রীদের সঙ্গে নিতে পারবেন না। কিন্তু ‘স্যাম’ এ্যাপের মাধ্যমে পুরুষ ও নারী উভয় যাত্রীরা সেবা পাবেন।

মিরপুরে বাসা জাহান নাসরিন। কর্মস্থল মহাখালী। সরকারি চাকরি করেন। প্রতিদিন মিরপুর থেকে কর্মস্থলে যেতে নানা ঝামেলা তাকে পোহাতে হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে গাড়িতে ওঠার পর অফিসে যেতে দেরি হওয়ায় বসের কড়া কথা শুনতে হতো প্রায়ই। এসব বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পেতে তিনি একটি স্কুটি কেনেন। এখন তিনি ঝামেলা ছাড়াই সময়মতো অফিস করতে পারেন। এরই মধ্যে পাঠাওতে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। বন্ধের দিনে ও অফিসের আগে-পরে রাইড শেয়ারিং করে বাড়তি উপার্জন করতে পারছেন। নাসরিনের মতো অনেকেই রাইড শেয়ারিং করে বৈধভাবে উপার্জন করছেন, বেছে নিয়েছেন আয়ের পথ।

ছাত্রী রাবেয়া বশরি। ধানমন্ডি স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র তৃতীয় বর্ষের । তার বাসা যাত্রাবাড়ী। যাত্রাবাড়ী থেকে প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতে যানজটে অনেক সময় নষ্ট হতো। সেইসঙ্গে গণপরিবহনের ভোগান্তি তো আছেই। প্রথমে তিনি ছিলেন পাঠাওয়ের গ্রাহক। তারপর পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি স্কুটি কিনে নেন। সম্প্রতি তিনি চালক হিসেবে পাঠাওয়ের রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এখন পড়ার ফাঁকে রাইড শেয়ারিং করে নিজের খরচ মিটিয়েও প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা উপার্জন করছেন। অনেকেই এটিকে মূল পেশা হিসেবে নিয়েছেন। মূল পেশা হিসেবে নিলে প্রতিমাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা উপার্জন করা সম্ভব।

বশরি জানান, একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। নারী-পুরুষ কোনো বিষয় নয়। পাঠাওয়ে কাজের নির্দিষ্ট সময় না থাকায় সুবিধা অনেক। নিজের পছন্দমতো সময় ও এলাকা বেছে কাজ করা যায়। তবে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এখনও অনেক পুরুষ নারীদের মোটরবাইক চালানোকে ভালোভাবে দেখে না, বাজে মন্তব্য করে। উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে এসব সামলিয়ে নিতে হয়। পেশা হিসেবে জটিল মনে না করে অন্যান্য পেশার মতো সহজ ভাবলেই সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে শুরু করবে। এ ক্ষেত্রে পুরুষ যাত্রীদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাবেয়া ভবিষ্যতে মোটরবাইক ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান খুলতে চান, যাতে তার মতো অনেক নারী এ পেশায় আসতে পারেন।

বাধ্যতামূলক লাইসেন্স গ্রহণের বিধান রেখে ‘রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গত বছর মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর ফলে সারা দেশে বৈধতা পায় স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক (অ্যাপ) পরিবহনসেবা ‘উবার’ ও ‘পাঠাও’-এর মতো সার্ভিসগুলো। রাইডিং শেয়ারিং ব্যবসায় নীতিমালায় মোট আটটি অনুচ্ছেদ রয়েছে এবং কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এগুলোমেনে এই সেবা দেওয়া যাবে। তবে এজন্য সেবাদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে একটা লাইসেন্স নিতে হবে। তারপর সেটা নবায়ন করতে হবে। শর্তগুলো হলো: রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পরিচালনার জন্য বিআরটিএ থেকে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট নিতে হবে। মোটরযানের মালিক যিনি তিনি এ সার্টিফিকেট গ্রহণ করবেন। রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের টিআইএন ও ভ্যাট সার্টিফিকেট থাকতে হবে। আর যদি ওই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কোম্পানি হয়, তাহলে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির যে শর্তাবলি, তা মেনে চলতে হবে। রাইড শেয়ারিংয়ের আওতায় ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। রাইড শেয়ারিংয়ে ব্যবহার করা সব মোটরযানের সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র, যেমন রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ইন্স্যুরেন্স ও এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেটের হালনাগাদ তথ্য থাকতে হবে। নির্ধারিত স্ট্যান্ড বা অনুমোদিত স্থান ছাড়া যেখানে-সেখানে কোনো রাইড শেয়ারিং মোটরযান যাত্রী নিতে রাস্তায় অপেক্ষা করতে পারবে না। এই নীতিমালার অধীন একজন মালিক মাত্র একটি মোটরযান রাইড শেয়ারিং সার্ভিসে পরিচালনা করতে পারবে। বিআরটিএ’র ওয়েব পোর্টালে রাইড শেয়ারিংয়ে নিয়োজিত মোটরযানের তালিকা দিতে হবে এবং সেখানে যাত্রীর অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকতে হবে।

স্মার্ট পেশা হিসেবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনেক শিক্ষিত ও বেকার তরুণ-তরুণী অ্যাপভিত্তিক এ পেশায় যোগ দিচ্ছে নিজের স্বাধীনতার কারণে। এটি যেহেতু একটি অ্যাপভিত্তিক ফ্রিল্যান্সার সেবা, তাই শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী যে কেউ স্মার্টফোন এবং নিজের মোটরবাইকের মাধ্যমে কাজ করতে পারে এবং বৈধভাবে উপার্জন করতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে কর্মব্যস্ত মানুষের জীবনে গতি সঞ্চার করেছে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস, যেখানে আমাদের নারীদেরও প্রশংসনীয় অংশগ্রহণ রয়েছে- যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
 

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী         ১৬০ ইউপি ও ৯ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে         দরিদ্র্রের হার অনেক বেশি হওয়ায় রংপুরে নারী শ্রমজীবী বেশি         ৩ ঘণ্টা পরে রাজধানীর সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের রেল চলাচল স্বাভাবিক         ষাটোর্ধ্ব জনগণকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্য ডিজি         নির্বাচনে অতিথি পাখিরা লাল কার্ড পাবে: তথ্য মন্ত্রী         জাপার ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন         দেশে বছরে প্রায় ৬ লাখ মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         'সরকার ও সাংবাদিকদের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে'         নতুন ২৪১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি, এ পর্যন্ত মৃত্যু ৫৯         অবৈধ ৫৯টি আইপিটিভি বন্ধ করেছে বিটিআরসি         খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ল         ‘শিক্ষার্থীরা মানলেও অভিভাবকরা স্বাস্থ‌্যবিধি মানছেন না’         ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিক কারাগারে         রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে অর্থআত্মসাতের অভিযোগে আরেক মামলা         ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা আজ         আজ থেকে ৪ ঘণ্টা করে বন্ধ সিএনজি স্টেশন         ইউপি নির্বাচন : বিনা ভোটে আ.লীগের ৪৩ প্রার্থী জয়ী         আফগানিস্তানে শক্তিশালী বিস্ফোরণে নিহত ৭         বিশ্ব করোনা পরিস্থিতির উন্নতি, কমেছে মৃত্যু-সংক্রমণ         মাধ্যমিক স্কুলেও মেয়েদের যেতে দিল না তালেবানরা