রবিবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৮
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

‘পরীমণির ঘটনা বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে’

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনিসহ কয়েকজন নারীকে গ্রেফতার পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নারী ও কন্যা নির্যাতন এবং সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটি উদ্বেগ প্রকাশ ও সুবিচার দাবি করেছে।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে এ দাবি জানানো হয়।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রবিবার (২২ আগস্ট) নারী ও কন্যা নির্যাতন এবং সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে সাম্প্রতিক সময়ে চলচ্চিত্র অভিনেত্রীসহ কয়েকজন নারীকে গ্রেফতার পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতি বিষয়ে অনলাইন মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পরীমনি ব্যাপারে এ উদ্বেগ প্রকাশ করে সুবিচারের দাবি জানানো হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নারী ও কন্যা নির্যাতন এবং সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ডা. ফওজিয়া মোসলেম, জাতীয় কমিটির সদস্য বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, মুক্তিযুদ্ধু যাদুঘর এর ট্রাস্টি মফিদুল হক, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি অ্যাড.এস.এম.এ সবুর, মানবাধিকার কর্মী অ্যাড.সুলতানা কামাল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এর সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত, সোহরাব হাসান, বাসুদেব ধর, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,অধ্যাপক এম. এম. আকাশ, ব্যারিস্টার তানিয়া আমির, আদিবাসী নেতা সঞ্জীব দ্রংসহ জাতীয় কমিটির সদস্যরা। জাতীয় কমিটির পক্ষে সুপারিশ তুলে ধরেন জাতীয় কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মাসুদা রেহানা বেগম।

অনলাইন মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রেখা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, লিগ্যাল এইড সম্পাদক সাহানা কবির, অর্থ সম্পাদক দিল আফরোজ বেগম, সংগঠন সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম, প্রশিক্ষণ-গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রীনা আহমেদ, সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির সম্মানিত সদস্য ডা. শাহিদা চৌধুরী, অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা, গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল, ব্যরিস্টার একে রাশেদুল হক প্রমুখ।

অনলাইন মতবিনিময় সভায় নারী ও কন্যা নির্যাতন এবং সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনিসহ কয়েকজন নারীকে গ্রেফতার পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ ও সুবিচার দাবি করেন। তারা বলেন, ‘আমাদের সমাজে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার কোনটিরই উপস্থিতি এখন দেখা যায় না। সমাজে নারীর মর্যাদা আছে কীনা তার প্রকৃত অবস্থা উপস্থাপন হয়েছে পরীমনির ঘটনার মধ্য দিয়ে। অভিযুক্তের বিচার আইনি ধারায় একইরকম হওয়ার কথা থাকলেও নারী হলে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে পরীমণির ঘটনা বিভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টার চলছে। এখানে অভিযুক্তের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যা হচ্ছে তা কোনোভাবেই আইনের সাথে সঙ্গতি পূর্ণ নয়। নারীর প্রতি যে অসম্মানজনক আচরণ করা হচ্ছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মামলা দায়ের হলেই একজন আসামি দোষী হয় না। বিচারের আগে কাউকে সম্মানহানি করা যায় না। বক্তারা প্রশ্ন রাখেন আইনের শাসন কোথায় আছে। একজন মানুষকে হেনস্থা করা বা তাকে ন্যায়বিচার পাওয়া থেকে কোনোভাবেই বঞ্চিত করা যায় না। বিত্তবানেরা যে সংস্কৃতি তৈরি করছে সেখানে নারীর নিগ্রহ প্রকট হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, ‘নারী আন্দোলন যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিবাদে সবসময় সোচ্চার থাকে। বর্তমানে পরীমণির ঘটনা বিভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টার চলছে। অভিযুক্তের বিচার আইনী ধারায় একইরকম হওয়ার কথা থাকলেও নারী হলে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। অন্যদিকে অপরাধ প্রমাণ হওয়ার আগেই তাকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। নারীকে দুর্বল ভেবে তার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নারী আন্দোলনের পক্ষে কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমাদের দেশে একধরণের ধনীক সম্প্রদায় তৈরি হয়েছে যারা নানা অপকর্মে যুক্ত থাকার পরও যাদের ধনাঢ্যতা সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একধরনের বৈষম্য তৈরি করছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে সমাজে যে অবক্ষয়, অনাচার দেখা যাচ্ছে তা চলমান থাকলে অচিরেই নারীর সামাজিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।’

বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, ‘যে জলজ্যান্ত বিষয়টি নিয়ে আজ আলোচনা হচ্ছে তা শেষ হওয়ার নয়। এখানে অভিযুক্তের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যা হচ্ছে তা কোনভাবেই আইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তদন্ত প্রক্রিয়ায় গ্যাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একটি মামলা দায়ের হলেই একজন আসামী দোষী হয় না। বিচারের আগে কাউকে সম্মানহানি করা যায় না।’ এ ঘটনায় ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট ভায়োলেট হয়েছে। তিনি এসময় বিচারের আগে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করার পক্ষে কঠোর অবস্থান রাখার আহ্বান জানান।

মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর এর ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, ‘এই ঘটনার মাধ্যমে আইনের শাসনকে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে বিধিব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এটা একধরনের বৃহৎ সামাজিক অবক্ষয়কে উন্মোচন করেছে। আজকে সমাজকে কারা শাসন করছে তা দেখতে হবে। আজকে বিত্তবানেরা যে সংস্কৃতি তৈরি করছে সেখানে নারীর নিগ্রহ প্রকট হয়ে উঠছে। ১৯ শতকের বাবু সংস্কৃতি বাঙালি সংস্কৃতিকে কোণঠাসা করে প্রকট হবে তা কখনোই হতে পারে না।’ অভিনেত্রী যেন আইনের কাছে ন্যায্যবিচার পান এবং এমন ঘটনায় বৃহৎ সামাজিক প্রতিরোধ তৈরি করতে তিনি জাতীয় অনাচার প্রতিরোধ কমিটিকে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান।

মানবাধিকার কর্মী অ্যাড. সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমাদের সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতার যে ঘটনা ঘটছে তাতে স্পষ্ট হয় নারীরা অনেক কঠিন অবস্থার মধ্যে বসবাস করছে। বাংলাদেশে নারীর প্রতি যে নির্যাতন হচ্ছে তা একজন নারী হিসেবে, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমাদের বিব্রত করছে। নারীর প্রতি বিচারহীনতার নগ্ন অবস্থা আজ প্রকাশ পেয়েছে। নারীকে মর্যাদা দেয়া, সুরক্ষা দেয়ার জন্য এতদিন যে কাজ করা হলো তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর প্রতি তিনি জনগণের প্রতি সঠিক আচরণ করার জন্য আহ্বান জানান। নারীর প্রতি যে অসম্মানজনক আচরণ করা হচ্ছে তা কোনভাবেই কাম্য নয়। এধরনের আচরণ বাংলাদেশে চলতে পারে না। নারীর প্রতি যে আচরণ হচ্ছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি সরকারের প্রতি ঘটনার বন্ধের জন্য আহ্বান জানান।


জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমে যেভাবে পরীমণির ঘটনা আলোচিত হয়েছে তা অত্যন্ত অমূলক। পরীমণির মানবিক মর্যাদা এখানে লংঘিত হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার সে কতটা পেল তা দেখতে হবে। তিনি প্রশ্ন রাখেন আইনের শাসন কোথায় আছে । তার মর্যাদাহানি করা হলো তার অধিকার আমাদের কে দিল সেটি দেখতে হবে। অভিযুক্তকে বারবার রিমান্ডে নেয়া, এভাবে একজন মানুষকে হেনস্থা করা বা তাকে ন্যায়বিচার পাওয়া থেকে আমরা কোনভাবেই বি ত করতে পারিনা।

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. এসএমএ সবুর বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম। কিন্তু বর্তমানে এদেশে অপসংস্কৃতির জন্ম হয়েছে, সাম্প্রদায়িকতার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। কালো টাকার মালিকরা সমাজে প্রাধান্য বিস্তার করছে। এখানে তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি এত বেশি যে তারা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছে। মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন হয়েছে। পরীমনির ঘটনায় বিচারের আগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা চলছে। বিচারের আগেই কাউকে দোষী বলা যায় না। অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে।’

সভায় বক্তারা আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক দিক থেকে নানাভাবে নারীর প্রতি নিগ্রহের দিকটি উপস্থাপিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খটকা দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে বক্তারা বলেন সমাজের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দিকটি যদি সুরক্ষিত না হয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বিচারহীনতার দিকটি যদি ঠিক না হয় তবে নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত হবে না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে জবাবদিহিতামূলক করা না গেলে পুনরায় একই ঘটনা ঘটবে। ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে, কিন্তু সামাজিক মর্যাদা, ন্যায় প্রতিষ্ঠা না হলে প্রকৃত উন্নয়ন হবেনা। আমাদের সামাজিক অনাচারের প্রতিরোধে আরো কাজ কিভাবে কাজ করা যায় তা দেখতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীর প্রতি নিগ্রহের যে ঘটনা ঘটছে তার প্রতিবাদে আরো কাজ করতে হবে। আজ যে নারীর প্রতি নিগ্রহ, পুরুষতন্ত্রের বিস্তার, রাজনীতি ও প্রশাসনে যে ক্ষমতার অপব্যবহার চলছে তার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নানা ঘটনায় নারীর প্রতি নিগ্রহের ঘটনায় নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন কতটা সোচ্চার তা দেখতে হবে। গণমাধ্যম সাহস করে কথা বলবে সেই অবস্থাও নেই। সামাজিক অনাচার বন্ধ করতে হলে রাজনৈতিক অনাচার আগে বন্ধ করতে হবে। মানবিক মর্যাদার জায়গায় নারীদের মানুষ হিসেবে এখনো স্বীকৃতি নেই। ধর্ম- বর্ণ-নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।’ এই রাষ্ট্র মানুষের রাষ্ট্র হোক এই প্রত্যাশা জানিয়ে তারা বক্তব্য শেষ করেন।

জাতীয় কমিটির পক্ষে অ্যাড. মাসুদা রেহানা বেগম কর্তৃক উপস্থাপিত সুপারিশে বলা হয়, অভিযুক্ত নারীদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ-সংশ্নিষ্টতার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে আদালতে তাদের বিচার হবে। এ ক্ষেত্রে কারো কিছু বলার নেই। কিন্তু তারা যেন কারো কোনো প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হয়রানি না হন। আদালত কর্তৃক অপরাধ প্রমাণের আগে উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা সমীচীন নয়। সংবিধানে বর্ণিত আইনের আশ্রয়লাভের সুযোগের সমতাও থাকতে হবে।

সভার সভাপতি নারী ও কন্যা নির্যাতন এবং সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘সমাজে নারীর মর্যাদা আছে কীনা তার প্রকৃত অবস্থা উপস্থাপন হয়েছে পরীমনির ঘটনার মধ্য দিয়ে। আমাদের সমাজে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার কোনটিরই উপস্থিতি এখন দেখা যায় না। এভাবে আমাদের বাংলাদেশকে খাটো করা হচ্ছে। সংবিধানে বর্ণিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে।’

অনলাইন মতবিনিময় সভায় জাতীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সংগঠনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা  করেন সংগঠনের লিগ্যাল এ্যডভোকেসি ও লবি পরিচালক অ্যাড. মাকছুদা আখতার লাইলী।

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
মঙ্গলবার থেকে দেশে আবারও বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর         হংকং নারী ফুটবল দলকে ৫-০ গোলে হারাল বাংলাদেশ         সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খান ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু         ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৪২ জন হাসপাতালে         সোমবার ফাইজারের ২৫ লাখ টিকা আসছে         প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দেওয়া হবে ৮০ লাখ টিকা         সাংবাদিক নির্যাতন: ডিসি সুলতানাসহ চারজনের পদায়নের বিরুদ্ধে রুল         চার মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু, শনাক্ত ৯৮০         কুমিল্লার আদালতে হেফাজত নেতা মামুনুল হক         সন্ধ্যায় ভারতে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’         একই স্কুলের শিক্ষক মায়ের পর ছেলেও করোনা আক্রান্ত         মুনিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা: হাইকোর্টে আগাম জামিন রিপনের         শাহজালালে করোনা ল্যাবের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু         ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও ৮ জনের মৃত্যু         বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃত্যু-আক্রান্ত কমেছে         গুলাবের প্রভাবে সাগর উত্তাল, দুই নম্বর সংকেত         ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী         ওয়াশিংটনের উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী         হামলার প্রতিবাদে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নিন্দা         ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২২১ জন হাসপাতালে ভর্তি