বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮
০৫ আগস্ট ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

‘শীলাদেবী’

রওনক খান: প্রাসাদ অভ্যন্তরে জোর কানাঘুষা চলছে। যুদ্ধে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে রাজা পরশুরাম। রাজদুহিতা শীলাদেবীর মুখমণ্ডল পান্ডুর বর্ণ। চেহারায় হতাশা, ক্লান্তির ছাপ। গত কয়েকটি রাত্রি কেটেছে দুঃশ্চিন্তায়, নিদ্রাহীন। তিনি তার সুবিশাল, সুসজ্জিত কক্ষে একদল দাসী পরিবৃত হয়ে কক্ষের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে অবিরাম পায়চারি করছেন। অশান্ত বিভ্রান্ত এক রমণী মূর্তি। আলুথালু বেশবাস। দীঘল মেঘকালো এলায়িত কেশ অবিন্যস্ত। স্বর্ণ খচিত রেশমি দুকূল আলুলায়িত। হীরকের কণর্কুন্ডন নিস্প্রভ, দীপ্তহীন। কন্ঠজুড়ে মুক্তার সাতনরী হার স্থির, নিশ্চল। থমকে আছে তার প্রদীপ্তমান আলোর বিচ্ছুরণ। থেমে গেছে কোটিদেশে স্বর্ণ কাঞ্চির ঝংকার। বহুমূল্য রত্ন খচিত কঙ্কন, কেয়ুরসহ নানাবিধ  অলংকারাদি যেন নিতান্ত অনিচ্ছায় রাজনন্দিনীর শরীর জুড়ে আছে। কক্ষের প্রজ্জ্বলিত দীপক গন্ধহীন। তাতে চন্দন চূর্ণ দিতে ভুলে গেছে দাসীগণ। একটি মাত্র দীপকের ক্ষীণ আলোয় কক্ষের অভ্যন্তরে আলো আঁধারীর খেলা চলছে। সেখানে উপস্থিত প্রত্যেক রমণীর মুখে চিন্তার ছাপ। তারা কেউ কেউ শিলাদেবীকে নানানভাবে প্রবোধ দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু শীলাদেবী অশান্ত। একেক সময় তার কোমল পেলব করপুট দুটো বজ্রমুষ্ঠিতে আবদ্ধ হচ্ছে। পুনঃ পুনঃ কক্ষের দ্বারপ্রান্তে এসে মিহি মখমলের পর্দা সরিয়ে বাহিরে দৃষ্টি ছুঁড়ে দিচ্ছেন। তিনি কোনো কিছুর প্রতিক্ষায় আছেন স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

একজন দাসীকে একসময় প্রশ্ন করলেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধের কি খবর। তুমি কি জান? প্রহরীদের কারো কাছ থেকে এখনই জেনে আস। দাসী  আনত ভঙ্গিতে সম্মত হয়ে দ্রুত ঘর থেকে বেড়িয়ে গেল খবর সংগ্রহে। ফিরে এলো সহাস্য বদনে। জানালো কিঞ্চিৎ  সুখবর। পরশুরামের সৈনিকেরা বীরবিক্রমে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। বিজয় নিশ্চিত। কিন্তু শীলাদেবীর মুখাবয়বের কাঠিন্য এই স্তোক বাক্যে সামান্যও শিথিল হলোনা। কেবল ক্ষণিক অচঞ্চল হলেন তিনি। তখনও তার সমস্ত অবয়ব জুড়ে একটা ক্ষীণ সন্দেহের  আনাগোনা চলছে।

দীর্ঘ রজনীর মুহূর্তগুলো কাটছে নিদারুণ অস্বস্তি নিয়ে। একবার পালঙ্কে বসেন। দুগ্ধ সফেদ শয্যা আর কুসুম পেলব উপাধানের সুখ মুহূর্তে তিরোহিত হয়। পরক্ষণেই আবার সচকিত হয়ে কক্ষের দ্বার লক্ষ্য করে দৃষ্টি ছুঁড়ে দেন। রজনীর প্রথম যাম ধীরে অতিক্রান্ত হলো। অশান্ত শীলাদেবীর প্রহর কাটে দুর্ভাবনা। বহুদূর যুদ্ধ ক্ষেত্র হতে ভেসে আসছে কর্ন পটহ ছিন্নকারী অশাম্ত ভেরীর শব্দ। যুদ্ধ এগিয়ে চলেছে জয় পরাজয়ের পথে। তিনি দিব্যদৃষ্টিতে দেখতে পেলেন পিতা পরশুরাম সমরক্ষেত্রে বীর দর্পে যুদ্ধরত। বীর যোদ্ধা পিতাকে নিয়ে তবুও সংশয়ে জড়সড় তার  কন্যা।

পুন্ড্রভূমি আক্রান্ত হয়েছে একজন মুসলিম ধর্মপ্রচারক শাহ সুলতান বলখীর দ্বারা। শীলাদেবী ইতিমধ্যেই খবর শুনেছেন এই মুসলিম ধর্মপ্রচারক পুন্ড্র নগরে পৌঁছানোর পর থেকেই রাজা পরশুরামের কিছু অনুগামিকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করে তার নিজ দলাভিষিক্ত করেছেন। তারা হয়তো এখন বলখীর পক্ষ নিয়েই যুদ্ধে অবতীর্ণ।

রাত্রির দ্বিতীয় যাম। শীলাদেবী গবাক্ষে চোখ রাখলেন। বাহিরে অন্ধকার তরল হয়ে আসছে। পূর্নচাঁদের আলো কিছুটা ম্রিয়মান। ঈষৎ অন্ধকার আকাশে দু চারটে নক্ষত্র তখনও জাগ্রত।

কক্ষের দ্বীপগুলো প্রায় নিভু নিভু। সেখানে চলছে অপার্থিব এক আলোছায়ার খেলা। রাত্রি জাগরণে ক্লান্ত দাসীগন রাজতনয়ার কক্ষ সংলগ্ন অপরাপর কক্ষগুলোতে নিদ্রামগ্ন। চারপাশের নিঃসীম স্তব্ধতা।

ঝিল্লির ঝংকারও থেমে গেছে। অকস্মাৎ সেই স্তব্ধতায় ক্ষণিক বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে দূর, বহুদূর হতে ভেসে আসা যুদ্ধ ভেরীর শব্দে।

শীলাদেবীর কানে এলো কেউ যেন তার কক্ষের দ্বারে মৃদু টোকা দিচ্ছে। তিনি নিঃশব্দে উৎকর্ণ হলেন। ভেতর থেকেই জানতে চাইলেন আগম্তুকের পরিচয়। লোকটি পরিচয় দিলে তিনি নিশ্চিত হয়ে দ্বারের আগল সামান্য আলগা করে বাহির-পানে মুখটা সামান্য বাড়িয়ে দিয়ে তার আগমনের হেতু জানতে চাইলেন। আগন্তুক যা জানালেন তা শুনে তার সর্বাঙ্গে এক শীতল অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল। তিনি ব্যকুল হয়ে জানতে চাইলেন তার পিতা পরশুরামের সংবাদ। লোকটি রাজার নিহত হবার সংবাদটি দিতে খানিক ইতস্তত করছিলেন। শিলাদেবী তাকে প্রায় ধমকের সুরে বললেন, ওহে মূঢ় সংবাদ বাহক, যা সত্যি তাই বল, এই শীলাদেবী এতটা দুর্বলচিত্তের নয়, যে পিতার মৃত্যু  সংবাদে সে ভেঙ্গে পড়বে। আমি প্রতিপালিত হয়েছি স্বয়ং পরশুরামের নিজ তত্ত্বাবধানে। অতএব যে কোন খারাপ সংবাদ সহজে মেনে নেওয়ার মত মানসিক শক্তি আমার যথেষ্টই রয়েছে। অতঃপর আগন্তুক  জানায়, পুন্ড্র নগরী এখন  শাহ সুলতান নামক এক মুসলিম ধর্মগুরুর অধীনে। যুদ্ধে পরাজিত এবং নিহত  হয়েছেন রাজা পরশুরাম। রাজসেনানীদের অধিকাংশই নিহত। পিছু হটে গেছে পরশুরামের সৈন্য বাহিনী।

দুঃসংবাদটি শুনে শীলাদেবী খানিক স্তব্ধ হয়ে রইলেন। আধো আঁধারিতে দেখা গেল তার মুখমণ্ডলের  সমস্ত ক্লান্ত শিথিল পেশিগুলো ক্রমশ আবারওসজাগ হয়ে উঠছে। পেলব করপুট ক্রমেই কঠিন মুষ্টিতে আবদ্ধ হচ্ছে। তার সুন্দর তনু জুড়ে মুহূর্তে জেগে উঠল এক সাহসিকা তরঙ্গ। আত্মম্ভরী পুন্ড্রের রাজদুহিতার অন্তরে চলছে নানা দোলাচল। তার রাজসিক আত্মশ্লাঘা কি সেই মুহূর্তে ক্রমেই চূর্ণ হচ্ছিল? সদ্য রাজ্যহারা রাজনন্দিনীর হৃদয়ে হয়তো ভাঙ্গচুর চলছিল, রাজহর্ম্য হতে এক লহমায় পুন্ড্রনগরের ধূলিমাখা পথে নিক্ষিপ্ত হবার আশংকায়? তবে তার দেহভঙ্গে কোথায়ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় ভাবটি ছিলনা, বরং যেন পূর্বে গৃহীত কোনো সিদ্ধান্তে ছিলেন অটল, অনঢ়, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অত্যন্ত সুস্থির কন্ঠে দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষমাণ ব্যক্তিকে আদেশ দিলেন, দ্বাররক্ষীকে খবর পৌঁছে দিতে, যেন সে প্রাসাদের পিছনের দরজাটি অবিলম্বে উন্মুক্ত করে দেয়। তিনি এক্ষুণি বের হবেন। লোকটি অত্যন্ত বিস্ময় ভরা কণ্ঠে বিনীতভাবে জানতে চাইল রাত্রির এই শেষ প্রহরে তিনি কোথায় যাবেন? এমন চিন্তা মোটেই রাজতনয়ার জন্য নিরাপদ নয়। পেছনের দুয়ার দিয়ে পলায়ন সহজ হবে না। কারন সেই পথটির শেষ সীমায় প্রমত্তা করোতোয়া প্রবল স্রোতধারায় বয়ে চলেছে। নদীটি এই রাত্রির শেষ যামে অতিক্রম করাও দুঃসাধ্য। কারণ এখন সেখানে কোন নৌযানের দেখা মিলবে না।

লোকটির বক্তব্য শেষ হতেই শীলাদেবী জলদ গম্ভীর কণ্ঠে বলে উঠলেন, তোমাকে এসব নিয়ে ভাবতে হবেনা, যা আদেশ করেছি সেই কাজটিই কর। এবং দ্রুত কর। শত্রু সৈন্য প্রাসাদ আক্রমণ করার আগেই। আগন্তুক দ্রুত চলে গেল।

শিলাদেবী কিছুক্ষণ সময় নিলেন। গ্রীবা ঘুরিয়ে তার প্রিয় কক্ষের চতুর্দিকে একবার দৃষ্টি বুলিয়ে নিলেন। কক্ষের একটি দেওয়াল জুড়ে রয়েছে পিতা পরশুরামের একটি চমৎকার প্রতিকৃতি। কিছুক্ষণ অপলকে চেয়ে রইলেন পিতার প্রতিকৃতিটির দিকে।

প্রাণপ্রিয় পিতার সদ্য নিহত হবার সংবাদ তার মধ্যে ঠিক কি প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এই মুহূর্তে তার কোনো ছাপ শীলাদেবীর মুখাবয়বের কোথাও খুঁজে পাওয়া গেলনা। স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেশি যেন নিস্পৃহ মনে হল তাকে।

তিনি শান্ত স্থির হস্তে দ্বারের কপাট উন্মোচন করলেন। অতিমাত্রায় সাবধানে, যেন কোনো শব্দ সৃষ্টি না হয়। অত্যন্ত ধীর পদক্ষেপে দ্বারের বাহিরে পা রাখলেন। শান্ত শীলাদেবী নিঃশব্দে হেঁটে চলছেন প্রাসাদের পশ্চাৎ অভিমুখে। উপরে উন্মুক্ত আকাশ ক্ষয়া চাঁদের ক্ষীণ আলোয় তাকে পথ দেখাচ্ছে। তার পরিধানের রেশমি দূকুল, রক্তারাঙা উত্তরীয় শরীরের ইতস্তত বিক্ষিত ভাবে দোদুল্যমান হীরাজহরতের অলংকারাদি নানান রংএর দীপ্তি ছড়াচ্ছে। দীর্ঘাঙ্গী, অপরূপ দেহসৌষ্ঠব এবং আলুলায়িত দীঘল কেশ নানান ভঙ্গে বিভঙ্গে আলোড়িত হচ্ছে। তার নিঃশব্দে হেঁটে যাওয়ার মাঝেও অলংকার এবং নুপূর নিক্কনের মত কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত কিন্তু সুমধুর ধ্বনি তরঙ্গায়িত হয়ে শেষ নিশার মুক্ত বাতাসে ক্রমে মিলিয়ে যাচ্ছে। যেন এক অলৌকিক রমনী মন্থর গতিতে এক একটি সুনিপূণ পদক্ষেপে অতিক্রম করছে প্রাসাদ প্রাঙ্গণ হতে বহির্গমণের আবছায়া পথটুকু। একসময় তিনি পৌঁছে গেলেন একটি সুদীর্ঘ প্রস্তর নির্মিত সিঁড়ির কাছে। দীর্ঘ সিঁড়িটি নেমে গেছে নদীর কিনারায়। সেখানে বিদায়ী রাত্রির সুনির্মল বায়ুর টানে ফেনিল জলরাশিতে সৃষ্ট ঝিরিঝিরি মৃদু তরঙ্গে এক অপার্থিব দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। শীলাদেবী একে একে ধাপ গুলি অতিক্রম করে চলেছেন। তার সংগে চলেছে মৃদু নুপুর ধ্বনি। রেশমি পোষাকের ক্ষীন শব্দ,  মুক্তা নীলা, বৈদূর্য মনির ক্ষণে ক্ষণে চমকে ওঠা। তার সুন্দর তনুজুড়ে নানান শব্দ এবং  বর্ণের এক মহোৎসব। এই সব বর্ণ এবং শব্দপুঞ্জকে সাথী করে একসময় পৌঁছে গেলেন সিঁড়ির সবশেষে ধাপটিতে। ফিকে হয়ে আসা  অন্ধকার আকাশের পানে চাইলেন মুখ তুলে। আকাশের এককোণে তখনও একটি সন্ধ্যাতারা জ্বলজ্বল করছে। যুদ্ধ ক্লান্ত পুন্ড্র নগরী স্তব্ধ, নীরব। কোথাও কোনো জনকোলাহলের লেশমাত্র নেই। কেবল থেকে থেকে দূরে, বহুদূরে একটি দুটি ধাবমান অশ্বের ক্ষুরধ্বনি ভেসে আসছে। শীলাদেবী বুক ভরে একটি দীর্ঘ শ্বাস নিলেন বহমান বাতাস হতে। তারপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়লেন করোতোয়ার অতলস্পর্শী জলধারার উদ্দেশ্যে। রাত্রি শেষের স্থিতধী নদীর জল মুহূর্তে আন্দোলিত হলো। একটি চক্রাকার ঘূর্ণির সৃষ্টি হলো। ঢেউগুলো ক্রমশ বড় হতে হতে একসময় আবার মিলিয়ে গেল ফেনিল জলরাশির মাঝে। কেবল একটি রক্তিম উড়নির একাংশ এক ঝলক ভেসে থেকে তলিয়ে গেল অতল জলে। হারিয়ে গেল সমৃদ্ধ পুন্ড্র বর্ধনের ইতিহাসের একটি ক্ষুদ্রাংশ।

ইতিহাসে বর্নিত প্রাচীনবাংলার পুন্ড্রবর্ধনের রাজধনী পুন্ড্রনগরের বর্তমান অবস্থান বগুড়া জেলার মহাস্থান গড় নামক স্থানে। প্রাচীন বাংলার এই পুন্ড্র নগরটি শিক্ষা, সংস্কৃতিতে ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যপক প্রসার ঘটেছিল। কথিত আছে করোতোয়া নদীটি এতটাই প্রাণবন্ত, প্রবহমান ছিল যে সে সেময় এই নদী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করত। এই পুন্ড্র বর্ধনকে ঘিরে নানান জনশ্রুতি প্রচলিত আছে। যুদ্ধে পরাজয়ের পর শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের কন্যা (মতান্তরে ভগ্নি বা বোন ) শীলাদেবীর আত্মাহুতির কাহিনীটিও তেমনি একটি বহুল প্রচলিত জনশ্রুতি। মহাস্থান গড়ের একপাশে বয়ে যাওয়া করোতোয়া নদীতে শীলাদেবীর ঘাটটি এখনও পর্যটন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। যদিও করোতোয়ার সেই প্রমত্তা রূপটি আর খুঁজে পাওয়া যায় না। এটি বর্তমানে  শুষ্ক, বিশীর্ণ একটি ক্ষীণ জলধারা হয়ে তার অস্তিত্বটি কোনোমতে টিকিয়ে রেখেছে। "শীলাদেবীর ঘাট" নামকরণের উৎস নিয়েও মতভেদ আছে। তবে লোককথার অন্তরালে প্রকৃত ঘটনা যাই হোক এই অঞ্চলে বেড়ে ওঠার কারণে শৈশবের সেই বহুশ্রুত লোকশ্রুতিটি আমার মনে চিরকালীন একটি দাগ রেখে গেছে। সেই জনশ্রুতিকে প্রধান উপজীব্য করে, তাকে আপন কল্পনার রংয়ে রাঙিয়ে গল্পের আকারে লোককথাটি বর্ণনার এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াশমাত্র।

শীর্ষ সংবাদ:
‘পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে’         ‘৬৯৭ নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার’         এডহক বার কাউন্সিল গঠন করেছে সরকার         ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়া যুক্ত ছিলেন’         সিরিজ জয়ে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ         মাদকসহ পরীমনি আটক         ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৪১ জনের মৃত্যু         পরীমনির বাসায় অভিযান চলছে         টিকা দেওয়া নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার         ফিফার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এক বছর নিষিদ্ধ         রূপগঞ্জে আগুন: ২৪ জনের লাশ বুঝে পেল পরিবার         কানাডায় অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা         টিকা ছাড়া বের হওয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের বক্তব্য         বিশ্ব রেকর্ড গুঁড়িয়ে ম্যাকলাফলিনের সোনা জয়         টোকিও অলিম্পিকসে ব্রিটিশ কিশোরীর ইতিহাস         ঢাকায় আসছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দল         বজ্রপাতে ১৬ বরযাত্রীর প্রাণহানি         বঙ্গবন্ধুকে দাফনের আগেই তারা হয়ে যান খুনী মোশতাকের!         ঝুমন দাশের মুক্তির দাবিতে ছাত্রজনতার প্রতিবাদ সমাবেশ         পীরগঞ্জে করোনা প্রতিরোধক বুথ উদ্বোধন