সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪২৮
২১ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা : বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ

মুস্তাফা মাসুদ: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫) স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে অবিচ্ছিন্ন এক অনিবার্য নাম। হাজার বছরের নিগৃহীত, শোষিত-বঞ্চিত একটি জনপদের মানুষের সামনে তিনি ছিলেন হিমালয়সম প্রোজ্জ্বল প্রত্যাশার প্রতীক। বাঙালির হৃদয়ের পুঞ্জিভূত হতাশা, বঞ্চনা আর প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষাকে সমগ্র সত্তায় ধারণ করে তিনি হয়েছিলেন কোটি বাঙালির মর্মসঙ্গী এবং একান্ত আপনজন। পাকিস্তানের চব্বিশ বছরের শাসন-শোষণের দুঃস্বপ্নময় গ্রহণকালে বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদীর্ণ মেঘাচ্ছন্ন আকাশে বিপ্লবী চাঁদের উদ্ভাস। সেই ১৯৪৮ সালের বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার দাবির আন্দোলন থেকে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন সক্রিয়, অকুতোভয়। তাঁরই পর্যায়ক্রমিক আন্দোলন-সংগ্রাম, বিরল নেতৃত্বগুণ, সাহস, দেশপ্রেম আর অভাবনীয় সাংগঠনিক নৈপুণ্যের উৎকর্ষে ক্রমে ক্রমে তিনি হয়ে ওঠেন বিকল্পহীন এক অবিসংবাদিত নেতা; জনমানুষের বজ্রকণ্ঠ, পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু। এসব গুণ-বৈশিষ্ট্যের মিলিত সমাবেশই তাঁকে ক্রমে পরিণত করে স্বাধীনতার মহান স্থপতি হিসেবে, জাতির পিতা হিসেবে।

বঙ্গবন্ধুর পর্যায়ক্রমিক দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে তাঁর পরিকল্পিত, প্রণীত, সূচিত ও বিকশিত-বেগবান ছেষট্টির ছয়দফা আন্দোলন অনিবার্যভাবে একটি মাইল-ফলক। তিনি ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, পাকিস্তানের সাথে বাঙালিদের একরাষ্ট্রিক বাস্তবতায় একসঙ্গে থাকা আর সম্ভব নয়। ভাষা আন্দোলন ও তৎপরবর্তী সময়ে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালিদের যে অবিশ্বাস, টানাপড়েন, ক্ষোভ-বিক্ষোভ আর আন্দোলন-সংগ্রামের সূচনা হয়, তারই ধারাবাহিকতায় ষাটের দশকের শুরু থেকেই এই চেতনা দৃঢ়বদ্ধ হতে শুরু করে যে, বাঙালির সার্বিক মুক্তি ও কল্যাণের জন্য একমাত্র সমাধান একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র। কিন্তু সেই কঠিন লক্ষ্যে পৌঁছতে চাই সুসমন্বিত পরিকল্পনা ও বাস্তবসম্মত কুশলী কর্মসূচি। কারণ, একটি স্বাধীন দেশের কাঠামোর মধ্যে থেকে ভিন্নতর স্বাধীনতার চিন্তা-পরিকল্পনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর প্রমাণ আমরা পাই আটষট্টির আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ উত্থাপনের মধ্যদিয়ে। এজন্য বঙ্গবন্ধুকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে, সাবধানে, পূর্বাপর পরিবেশ-পরিস্থিতি-সম্ভাব্যতার কথা মাথায় রেখে অগ্রসর হতে হচ্ছিল।
 
ছেষট্টির ছয়দফার মধ্যে সুপ্ত ছিল স্বাধীনতার বীজমন্ত্র। এর প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল পাকিস্তানি অপশাসন-শোষণ-বৈষম্যের নির্লজ্জ বাস্তবতা, বাঙালিদের প্রতি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃত্বপ্রবণ স্বৈরাচারী মনোভাব এবং বাঙালির স্বার্থের প্রতি অবহেলা ও অনীহা প্রদর্শন। পঁয়ষট্টি সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং এসময় অরক্ষিত পূর্ব পাকিস্তানের অনিশ্চিত অবস্থা স্বাধীকারভিত্তিক ছয়দফা আন্দোলনের জ্বলন্ত প্রেক্ষাপট তৈরি করে দেয়। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যে কতটা দুর্বল, তা এসময় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এরই প্রেক্ষাপটে প্রাদেশিক স্বায়ত্ত্বশাসনের বিষয়টি ‘বার্ন ইস্যু’ হয়ে ওঠে এবং আওয়ামী লীগ এটিকে রাজনৈতিক এজেন্ডা হিসেবে রূপদান করে। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পরপরই আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন যে, পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বায়ত্ত্বশাসন আদায় করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এজন্য তিনি লিখিতভাবে ছয়টি দফাভিত্তিক একগুচ্ছ দাবিনামা প্রণয়ন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ই ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে উত্থাপন করেন, যেখানে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকটি ভিন্নতর উদ্দেশ্যে ডাকা হলেও শেখ মুজিব-উত্থাপিত ছয়দফা দাবিনামাটি তাতে নবতর মাত্রা যোগ করে। ছয়দফা’য় উত্থাপিত দাবিগুলোর প্রধান প্রধান দিক হলো: দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো এমন হতে হবে, যেখানে পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেশনভিত্তিক রাষ্ট্রসংঘ এবং তার ভিত্তি হবে লাহোর প্রস্তাব। সরকার হবে পার্লামেন্টারি পদ্ধতির। পার্লামেন্টের ক্ষমতা হবে সার্বভৌম এবং এই পার্লামেন্ট জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে; কেবল দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকবে, অন্য সব বিষয়ে অঙ্গরাষ্ট্রগুলোর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা থাকবে; সমগ্র দেশের জন্য দুটি পৃথক, অথচ অবাধে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু থাকবে, অথবা- বিদ্যমান নিয়মে একক মুদ্রাব্যবস্থা চালু থাকতে পারে; তবে সেক্ষেত্রে শাসনতন্ত্রে এমন বিধান থাকতে হবে, যাতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচারের পথ বন্ধ হয়। এ লক্ষ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আলাদা ব্যাংকিং রিজার্ভ ব্যবস্থা চালু করতে হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক আর্থিক নীতি প্রবর্তন করতে হবে; রাজস্ব, কর বা শুল্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে অঙ্গরাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম ক্ষমতা থাকবে, এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো ক্ষমতা থাকবে না। তবে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য অঙ্গরাষ্ট্রীয় রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে; বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ফেডারেশনভিত্তিক প্রতিটি অঙ্গরাষ্ট্রকে পৃথক হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে, এভাবে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা স্ব-স্ব অঙ্গরাষ্ট্রের এখতিয়ারে থাকবে; আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য শাসনতন্ত্রে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিকে নিজ নিজ কর্তৃত্বাধীনে আধা-সামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন ও রাখার ক্ষমতা দিতে হবে।

আওয়ামী লীগ ব্যতীত কোনো দলের প্রতিনিধিই ছয়দফা সমর্থন করেননি। এর ফলে বঙ্গবন্ধু বৈঠক বর্জন করে ঢাকায় চলে আসেন এবং এরপর ব্যাপকভাবে ছয়দফার পক্ষে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন। বাঙালি-স্বার্থের পক্ষে আন্দোলন-সংগ্রাম যত বেগবান হতে থকে, ততই শাসকগোষ্ঠী তাদের দমন-পীড়নও বাড়িয়ে দেয়; বঙ্গবন্ধুসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতার-নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্রলীগ ৬৬’র ৭ জুন হরতাল আহ্বান করে। হরতালের সময় মিছিলের উপর পুলিশের গুলিবর্ষণে ১০জন নিহত হয়। এতে আন্দোলনের জ্বলন্ত আগুনে যেন ঘি ঢেলে দেওয়া হলো। ছেষট্টির ৭ জুন থেকে গণজাগরণের যে উত্তাল উর্মিমালার সূচনা হয়, আটষট্টি-ঊনসত্তর-সত্তরের বিক্ষুব্ধ স্রোতস্বিনী বেয়ে তা একাত্তরের মহাসংগ্রামের মহাসাগরের মহাউর্মিমালার সাথে একীভূত হয়ে যায়,  যার অনিবার্য ফলশ্রুতি স্বাধীনতা।

বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা’র দাবিগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়- এর মধ্যে পরিণত এবং বহুদর্শী নেতার বিভিন্নমুখি মনীষার সম্মিলিত সমাবেশ ঘটেছে। এখানে আছে ঝানু রাজনৈতিক নেতা-রাষ্ট্রনায়কের দূরদর্শিতা, ও সাহসী প্রত্যয়; কূটনীতিকের নিখুঁত-কুশলী বিবেচনা, পরিপক্ক প্রজ্ঞা ও মাত্রাজ্ঞান; অর্থনীতিবিদের নির্মোহ অর্থ-পরিকল্পনা এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় নিরাপস সমরবিদের ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই নিরাপত্তা-ভাবনা। স্বায়ত্ত্বশাসনের পরিকাঠামোর আওতায় এই যে পরিকল্পনার রূপরেখা, তার মধ্যে বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ শৃঙ্খলমুক্তি তথা স্বাধীনতার আভাস সুপ্ত ছিল বলেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কখনোই ছয়দফাকে বরদাশত করতে পারেনি। তারা একে পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্র বলে বিবেচনা করত এবং বঙ্গবন্ধুকে এজন্য ‘ট্রেইটর’ বা বিশ্বাসঘাতক বলতেও ছাড়েনি। তাঁর বিরুদ্ধে আগরতলা মামলাও দেওয়া হয়েছিল এই দেশদ্রোহিতার অপরাধেই। তারপরও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে কোটি জনতার বাঁচার দাবি ছয়দফাকে থামাতে পারেনি সরকার; এর ছায়াতলেই আওয়ামী লীগ সত্তরের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ও ভূমিধস বিজয় লাভ করে। এরপর ইয়াহিয়া-ভুট্টোর ষড়যন্ত্র আর হটকারিতার প্রেক্ষাপটে একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন, সর্বাত্মক মুক্তিযুদ্ধ, বাঙালির বিজয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সৃষ্টি- এসব ছিল ইতিহাসের স্বর্ণোজ্জ্বল বাস্তবতা এবং বাঙালির গৌরবের এক-একটি হীরকখণ্ড।

এখানে একটি কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য হলো- বাঙালির বাঁচার দাবি ঐতিহাসিক ছয়দফা ছিল একান্তভাবেই বঙ্গবন্ধুর নিজস্ব মস্তিষ্কপ্রসূত চিন্তা-পরিকল্পনার ফসল; এখানে দলীয় ফোরাম বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা ছিল না। এর সাক্ষ্য পাওয়া যায় বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক ভাষ্যে (দেখুন: দি ডেইলি স্টার, ৭ই জুন, ২০২০)। সুতরাং আমরা দেখতে পাই- বঙ্গবন্ধু হঠাৎ করেই স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের স্থপতি কিংবা জাতির পিতা হননি; পূর্ব থেকেই, ধাপে ধাপে সুচিন্তিত পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি অগ্রসর হয়েছেন এবং নিজেকে প্রস্তুত করেছেন, জনগণকে সংগঠিত করেছেন। যে নেতা বৈরী স্বৈরশাসক ও তথাকথিত লৌহমানব আইয়ুব খানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ছয়দফা’র মতো সাহসী কর্মসূচি ঘোষণা ও তার সপক্ষে সারা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেন, মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে তিনি যে অন্য ভয়াবহতম স্বৈরশাসকের সকল বাধা-দমন-পীড়ন অগ্রাহ্য করে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন এবং দেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পৌঁছে দেবেন মুক্তির মহাসরণিতে তা যেন ছিল অবধারিত!

ছেষট্টির ৭ জুন ছয়দফা’র মিছিলে গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল মানুষের। তাদের সে-রক্তদান বৃথা যায়নি। সেই আত্মদানের রক্তাক্ত উত্তরাধিকার বহন করে আমরা ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে হেঁটেছি অকুতোভয়ে। এই স্বাধীনতা রক্ষায় ভবিষ্যতেও আমরা থাকব ইস্পাতদৃঢ়, নিরাপস, নির্ভীক- এই হোক আমাদের আজকের শপথ।

লেখক প্রাবন্ধিক ও শিশুসাহিত্যিক
 

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: টাঙ্গাইল পৌর প্যানেল মেয়রের পদ স্থগিত         বেজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান হলেন শেখ ইউসুফ হারুন         স্মার্ট ফোন কিনে না দেওয়ায় তরুণের আত্মহত্যা         যেভাবে ঘুমালে ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়ে!         ভোটগ্রহণ ভালো হয়েছে: ইসি সচিব         সাংবাদিক নির্যাতন দিবসে অবিলম্বে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের দাবি         হাতকড়ায় বাঁধা দম্পত্তির ভালোবাসার গল্প         ‘তার কাছে বেগম জিয়ার চেয়েও চিত্রনায়িকা গুরুত্বপূর্ণ’         দেশের আরো ৭ জেলায় লকডাউন         ‘নারী কাউন্সিলরের ক্ষেত্রে ‘সংরক্ষিত’ কথাটি বাদ দিতে হবে’         বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির রহস্য ফাঁস         দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ         শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের জামিন স্থগিতই থাকছে         পুকুরে ডুবে কিশোরের প্রাণহানি         পরীমণির বিরুদ্ধে আবারো ভাঙচুরের অভিযোগ         ভালুকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণহানি ৩         মালয়েশিয়ায় আটক ১০২ বাংলাদেশি         চরফ্যাশনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রাণহানি ১         যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ শিশুসহ প্রাণহানি ১০         উন্নত দেশে অভিবাসন শুধুই কী প্রশান্তির!         যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডা ও মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো