সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪২৮
২১ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা

নাসরীন জাহান লিপি: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন কেনো এবং ছয় দফা ঘোষণার ফলে কী হয়েছিল, এই প্রশ্নের উত্তর জানলে বাংলাদেশের ইতিহাস বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়।

পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাঙালিদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণের চলমান ধারায় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন এবং ভাষা শহিদদের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে বুঝিয়ে দেয়, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষের মতো পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের অধিকার সমান ভাবে পাওয়া হয়নি। এমনিতে এই অধিকার মিলবে না। এ কারণেই বঙ্গবন্ধু ছয় দফার মাধ্যমে স্বাধিকার আদায় করতে চেয়েছিলেন। ‘বাঙালির বাঁচার দাবি’ শিরোনামে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা পেশ করেছিলেন, তা আসলেই ছিল বাঙালির বাঁচার দাবি।

ছয় দফা ঘোষণার ফলে কি হয়েছিল? পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তো বটেই, পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণ ও গণমাধ্যম বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আখ্যা দিয়ে দেয়। শুরু হয় নতুন করে দমন-পীড়ন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাঙালি শিক্ষিত সমাজ, সুবিধাবাদী রাজনৈতিক পক্ষগুলো ৬ দফার সাথে বিরোধিতা করেছিল। নিপীড়িত বাঙালির স্বাধিকারের দাবিকে বুঝতে ভুল করেছিল অথবা ব্যক্তিগত স্বার্থের কাছে মাথা নত করেছিল তারা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু যে মুক্তির সনদ উপহার দিয়েছিলেন, তার ভাষা বুঝতে একটুও কষ্ট হয়নি সে সময়কার শ্রমিক-দিনমজুর-হতদরিদ্র মানুষদের। পুলিশের গুলিতে নিজের প্রাণ বিসর্জন দেওয়া মনু মিয়াসহ ১১জন প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের বুকের তাজা রক্ত আর দিনের পর দিন বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের দমন-পীড়ন সহ্য করা, কারাবাস ভোগ করা, বঙ্গবন্ধুকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মাধ্যমে ফাঁসি দেওয়ার প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে সাধারণ নির্বাচন দেওয়ার দাবি পোক্ত হয়। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে বিপুল জয়লাভ করে, তা আসলে ছয় দফার প্রতি জনগণের সমর্থনের স্বীকৃতি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা তুলে না দেওয়া, ২৫ মার্চের কালরাতে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা সংগঠিত করা পাকিস্তানকে পরাজিত হতে হয়, যার ফলে অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয়।

মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াল দিনে পাকিস্তান ও এর দোসর শক্তি পরাজয়ের প্রতিশোধ হিসেবে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের বেশি ভাগ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে, বাংলাদেশের খোলসে পাকিস্তানকে ফিরিয়ে আনার নীল নকশা বাস্তবায়নে চিহ্নিত বাংলাদেশবিরোধী সেনা কর্মকর্তাদের সাথে আবারো পুরোভাগে থাকে বাঙালি শিক্ষিত সমাজ, সুবিধাবাদী রাজনৈতিক পক্ষগুলো। বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার আপাতঃ মৃত্যু ঘটে গিয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ত্রিশ লাখ শহিদ, লাখো মা-বোনের চরম অপমান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন বাজি রেখে করা প্রতিরোধের শক্তি আর কোটি মানুষের অবর্ণনীয় কষ্টভোগের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে তারিখে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নির্বাস থেকে দেশে ফিরতে পারার মধ্য দিয়ে আবার শুরু হয়েছিল ফিরে দাঁড়ানোর যুদ্ধ। অবশেষে এই বাংলাদেশেই ২০২০ সালের ১৭ মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ঘোষিত ও উদ্যাপিত হতে পেরেছে এবং জন্মশতবর্ষে নব রূপে পালিত হতে পেরেছে ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভের মতোই এ আরেকটি অনন্য বিজয় ছয় দফার জন্য প্রাণ দেওয়া মনু মিয়ার মতো সাধারণ মানুষের, যাদের কাছে সেকেণ্ড হোম বলতে অন্য কোনো দেশ বোঝায় না, যাদের পায়ের নিচে কেবলি এই বাংলাদেশের মাটি দাঁড়ানোর একমাত্র সম্বল হিসেবে বিবেচ্য।

একেবারে অবাধ কি ছিল উদযাপন? বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের আয়োজন শুরু হওয়ার আগেই তো সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে জনসমাগম পরিহার করতে হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ মার্চ তো বটেই, ৭ জুন ছয় দফা দিবস উদ্যাপনের সময়ও কোনো জনসমাগম হতে পারেনি। তাই বলে উদ্যাপন কিন্তু থেমে থাকেনি। দেশ বিদেশের কোটি বাঙালিকে সাথে নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ ডিজিটাল পদ্ধতিতে উৎসবে শামিল হয়। সে অনুযায়ী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি ২০২০ সালের ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে টেলিভিশন, বেতার, অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রচারের জন্য একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান এবং অনলাইনে একটি ক্ইুজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল।

সত্যি বলতে দ্বিধা নেই, পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু নিষিদ্ধ ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার কথা মনেও করতে চাইত না পাকিস্তান ভাবধারার ক্ষমতাভোগী সরকারগুলো। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণটি শুনতে পেয়ে বিপুল বিস্ময়ে অনুভব করেছিল, এই ইতিহাস ভুলে যেতে বসেছিলাম! একই ভাবে আরও অনেক কিছুর মতোই ছয় দফা, ছয় দফা দিবসও উদ্ভাসিত হতে থাকে ক্রমশঃ। তবে গত বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছয় দফার খুঁটিনাটি বিষয়গুলো যেভাবে তুলে আনা হয়েছিল, তা এক কথায় অনন্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি সাফল্যের সাথে গণমানুষের মাঝে ছয় দফা নিয়ে আগ্রহ, উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পেরেছিল। সবার জন্য উন্মুক্ত অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতাটি এ ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রেখেছিল। ৭ জুন ২০২০ আসার আগে থেকেই কুইজ প্রতিযোগিতার ঘোষণা আসায় ছয় দফা নিয়ে সকল তথ্য বোঝার, জানার চেষ্টা শুরু হয়েছিল। মনে আছে, টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়া বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, “আবার আমাদের স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন, সেখানেও ৭ জুন রক্তদিয়ে আমাদেরকে লিখে যেতে হয়েছে যে, আমরা আমাদের স্বাধিকার চাই। নইলে, অর্থনৈতিকভাবে এই অঞ্চল থেকে সমস্ত অর্থ উপার্জন হতো কিন্তু তার সিংহভাগ ব্যয় হতো ওই পাকিস্তানে, পশ্চিম পাকিস্তানে। একটার পর একটা রাজধানী তৈরি হচ্ছে। তাদের সমস্ত কিছু উন্নতি হচ্ছে অথচ আমরা অবহেলিত বঞ্চিত। এই বঞ্চনার কথা তিনি বারবার তুলে ধরেছেন। এমনকি একটি দেশের এতগুলি প্রদেশ অথচ পূর্ব পাকিস্তান থেকে কোন জিনিস যেতে গেলে, সেখানে লাইসেন্স না হলে যেতে পারত না। আবার সেখানে জিনিসপত্রের দাম দেখা যেত পশ্চিম পাকিস্তানে কম, সেখানে যদি ১৮ টাকা চালের মণ হয়, তবে বাংলাদেশে ৫০ টাকা। এমনকি সোনার দামও সেখানে ৯০ টাকা ভরি, তো পূর্ব পাকিস্তানে ১৩০ টাকা। সেখানে প্রতিটি জিনিসের মধ্যে এই বৈষম্য।”

বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিল বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা। সার্থকতা মিলেছিল লাখো শহিদের আত্মদানের। ইনিয়ে বিনিয়ে পাকিস্তানের পক্ষে বলতে চাওয়া শিক্ষিত সমাজ, সুবিধাবাদী রাজনৈতিক পক্ষগুলোর জন্য এ ছিল স্পষ্ট চপোটাঘাত। ছয় দফা নিয়ে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় বিপুল অংশগ্রহণ আর সব উদাহরণকে ছাপিয়ে অনন্য উচ্চতায় তুলে আনে বঙ্গবন্ধুর অসম সাহসী সিদ্ধান্ত ও দৃঢ়প্রত্যয়ী নেতৃত্বকে, নতুনভাবে।

দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সকলের অংশগ্রহণের জন্য আয়োজিত অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধনের নির্ধারিত সময় ৭ জুন ২০২০ বিকাল ৩টার মধ্যে প্রায় ২ লক্ষ প্রতিযোগী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছিলেন। ৭ই জুন ২০২০ তারিখ রাত ৯টা হতে রাত ১০টা এই এক ঘণ্টাব্যাপী এই অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের সিদ্ধান্ত থাকলেও বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাত ৩টা পর্যন্ত  সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়। নিবন্ধিতদের মধ্য থেকে ৪৬,৬৭৫ জন প্রতিযোগী নির্দিষ্ট সময়ে সফলভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ছয় মিনিটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার বিজয়ী নির্ধারণ করে। মুজিববর্ষের ওয়েবসাইটে (quiz.mujib100.gov.bd) ফলাফল ঘোষণা করে কুইজ প্রতিযোগিতায় ১০০ জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১ম পুরস্কার ছিল ৩ লক্ষ টাকা, ২য় পুরস্কার ২ লক্ষ টাকা, ৩য় পুরস্কার ১ লক্ষ টাকা, ৪র্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা, ৫ম পুরস্কার ২৫ হাজার টাকা এবং বিশেষ পুরস্কার ৯৫টি প্রতিটি ১০ হাজার টাকা।

২৬ আগস্ট ২০২০ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যা সকল টেলিভিশন ও অনলাইন প্রচার মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইমতিয়াজ পাশার স্বতঃস্ফুর্ত বক্তব্য শুনে আর সবার মতো ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নিয়ে আশাবাদী হয়েছি আমিও। ছয় দফা দিবসের কুইজে অংশগ্রহণ করার প্রয়োজনে তিনি বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বই মন দিয়ে পড়েছেন, সে তথ্য জানিয়েছিলেন তার বক্তব্যে। ধরে নিতে পারি, লাখো প্রতিযোগী একই ভাবে প্রস্তুতি নিতে বই তিনটি পড়েছেন।

ইমতিয়াজ পাশা বক্তব্যে বলেছিলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর লেখা বই গুলো আমাদের হাতে এসেছে, কি প্রজ্ঞা এই মানুষটার কারাগারে যখন ছিলেন এত নিখুতভাবে কারাগারের দুঃখ, কষ্ট বেদনার কথা লিখেছেন, পড়তে পড়তে মনে হয়েছে আমিই বুঝি কারাগারে আছি। চীনে যখন গিয়েছেন তখন মনে হয়েছে এই বুঝি পায়ে টানা কোন রিকশাওয়ালা সামনে এসে দাঁড়াবে।”

ইমতিয়াজ পাশা আরও বলেছিলেন,“ বইয়ের নানা যায়গায় বিনয়ের সাথে লিখেছেন আমি লেখক নই তাই আমার ভাষা সুন্দর নয়। এমন বিনয় আমি কোথাও দেখিনি, অসমাপ্ত আত্মজীবনী আমি মনে করি, অনার্স পর্যায়ে দেশের প্রতিটি বিশ^বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক পাঠ্য করা উচিত। রাজনীতি আসলে কি জিনিস সেটা একটি চলচ্চিত্র হিসেবে ধরা দিয়েছে আমার চোখে যখন এ বইটি আমি পড়ি। পুলিশ ওনাকে ধরতে এসেছে আর পুলিশকে উনি বলছেন আপনাদের জন্যই বসে আছি। এটি কোন সিনেমা নয় এটা বাস্তব। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা তিনটি বই আমার চোখের সামনে চলচ্চিত্রের মতো চলতে থাকে সব সময়। ওনার লেখা বইগুলো পড়ে আমি ওনার লেখার একজন গুণমুগ্ধ ভক্ত হয়ে গেছি। এই জন্যই বোধ হয় আজ এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরেছি। সবার কাছে আমার অনুরোধ থাকবে এই বইগুলো আপনারা পড়ুন, সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে এই বইগুলো নিয়ে চলচ্চিত্র, নাটক বানান আপনারা, এই প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর লেখাগুলো পড়ানো গেলেই এদেশ নিয়ে আমাদের আর কোনো চিন্তা করতে হবেনা ভবিষ্যৎতে।”

এই উপলব্ধি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের সবচেয়ে সেরা অর্জন। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন তারিখে রাজপথে ঝরেছিল মনু মিয়া, সফিক, শামসুল হক, মজিবুল হক, আবুল হোসেন, মজিবুল্লাসহ ১১জন খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষের বুকের তাজা রক্ত। সেই ১১জন শহিদের আত্মত্যাগ আমরা ভুলিনি, তার প্রমাণ মিলেছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে আয়োজিত ছয় দফা দিবসের আয়োজনে, যার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এখন সময়ের দাবি।

লেখক: প্রধান মিডিয়া কর্মকর্তা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি
 

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: টাঙ্গাইল পৌর প্যানেল মেয়রের পদ স্থগিত         বেজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান হলেন শেখ ইউসুফ হারুন         স্মার্ট ফোন কিনে না দেওয়ায় তরুণের আত্মহত্যা         যেভাবে ঘুমালে ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়ে!         ভোটগ্রহণ ভালো হয়েছে: ইসি সচিব         সাংবাদিক নির্যাতন দিবসে অবিলম্বে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের দাবি         হাতকড়ায় বাঁধা দম্পত্তির ভালোবাসার গল্প         ‘তার কাছে বেগম জিয়ার চেয়েও চিত্রনায়িকা গুরুত্বপূর্ণ’         দেশের আরো ৭ জেলায় লকডাউন         ‘নারী কাউন্সিলরের ক্ষেত্রে ‘সংরক্ষিত’ কথাটি বাদ দিতে হবে’         বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির রহস্য ফাঁস         দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ         শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের জামিন স্থগিতই থাকছে         পুকুরে ডুবে কিশোরের প্রাণহানি         পরীমণির বিরুদ্ধে আবারো ভাঙচুরের অভিযোগ         ভালুকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণহানি ৩         মালয়েশিয়ায় আটক ১০২ বাংলাদেশি         চরফ্যাশনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রাণহানি ১         যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ শিশুসহ প্রাণহানি ১০         উন্নত দেশে অভিবাসন শুধুই কী প্রশান্তির!         যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডা ও মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো