সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪২৮
২১ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

চিকিৎসক সাবিরা খুন: সন্দেহের নতুন মোড়

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: রাজধানীর কলাবাগানে গ্রিন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিরা রহমান লিপির মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধারের ৩৫ ঘণ্টা পর গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

নিহত ডা. সাবিরার মামাতো ভাই রেজাউল হাসান জুয়েল বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী ওই বাসার সাবলেটে থাকা মডেল কানিজ সুর্বণাকে সন্দেহ করেছে। কানিজ এবং এক থেকে দুইজন মিলে লিপিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেছেন। মামলায় অন্য সাবলেটে থাকা নূরজাহানকে বাদী সন্দেহ করেননি। কারণ তিনি ঘটনার দিন ছিলেন। তিনি ঈদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে আর আসতে পারেননি।

সূত্র জানায়, কানিজ ওয়ার্ল্ড ইউনিভারসিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। তিনি মডেলিং এর পাশাপাশি দারাজ অনলাইনে কাজ করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কানিজ লিপির ভাড়া বাসায় সাবলেটে উঠেছিলেন। তিনি এখন ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হেফাজতে আছেন। তবে মামলার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তবে ওই বাসায় দীর্ঘদিন থাকার কারণে ডা. লিপির বাসায় কে যাতায়াত করতেন তিনি তা জানতেন। তবে রবিবার রাত ১০ টার দিকে লিপির কাছে কে এসেছিলেন তা কানিজ তাকে দেখেনি বলে দাবি করেছেন। পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকরা এ খুনের সঙ্গে জড়িত নয় বলে বার বার দাবি করেছে। তদন্তকারীরা হত্যাকারীকে চিহ্নিত করার জন্য বাসার দরজার ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও ভিকটিমের বাসা থেকে ৬ বাসার পর যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছিল ডিবি পুলিশ সে ফুটেজ থেকে খুনিকে চিহ্নিত করা যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুরে কলাবাগানের ফার্স্ট লেনের ৫০/১ ভাড়া বাসা থেকে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের কনসালটেন্ট (সনোলজিস্ট) চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপির (৪৮) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে ওই বাসায় আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যান। পরে ফায়ারের কর্মীরা সাবিরার শরীরে রক্তাক্ত চিহ্ন দেখে বুঝতে পারেন যে এটি একটি খুন। পরে পুলিশ গিয়ে ডা. সাবিরার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশের কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র বলেন, ‘থানায় ভিকটিম মামলা দায়ের করেছে। আমরা তদন্তের মাধ্যমে খুনিকে চিহ্নিতের চেষ্টা করছি।’ মামলা বাদী সাবলেটে থাকা কানিজকে কেন সন্দেহ করলো জানতে চাইলে জানান, ‘মামলার বাদী যে কাউকে সন্দেহ করতে পারে। তাই বলে এই নয় যে, তিনি খুনি। আমরা খুনিকে শনাক্তের চেষ্টা করছি।’

মামলার তদন্তকারী ও ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, লিপি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এ বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত হয়েই মামলার তদন্ত করছেন। থানা পুলিশসহ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার রাত ১০ টার দিকে লিপি হাসপাতালের ডিউটি শেষে বাসায় এসে কারও সঙ্গে কোনো কথা বলে নিজ শয়ন কক্ষে চলে যান। তদন্তকারীদের ধারণা যে, রাত ১০ টা থেকে রাতের যে কোন সময় তিনি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: টাঙ্গাইল পৌর প্যানেল মেয়রের পদ স্থগিত         বেজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান হলেন শেখ ইউসুফ হারুন         স্মার্ট ফোন কিনে না দেওয়ায় তরুণের আত্মহত্যা         যেভাবে ঘুমালে ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়ে!         ভোটগ্রহণ ভালো হয়েছে: ইসি সচিব         সাংবাদিক নির্যাতন দিবসে অবিলম্বে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের দাবি         হাতকড়ায় বাঁধা দম্পত্তির ভালোবাসার গল্প         ‘তার কাছে বেগম জিয়ার চেয়েও চিত্রনায়িকা গুরুত্বপূর্ণ’         দেশের আরো ৭ জেলায় লকডাউন         ‘নারী কাউন্সিলরের ক্ষেত্রে ‘সংরক্ষিত’ কথাটি বাদ দিতে হবে’         বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির রহস্য ফাঁস         দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ         শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের জামিন স্থগিতই থাকছে         পুকুরে ডুবে কিশোরের প্রাণহানি         পরীমণির বিরুদ্ধে আবারো ভাঙচুরের অভিযোগ         ভালুকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণহানি ৩         মালয়েশিয়ায় আটক ১০২ বাংলাদেশি         চরফ্যাশনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রাণহানি ১         যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ শিশুসহ প্রাণহানি ১০         উন্নত দেশে অভিবাসন শুধুই কী প্রশান্তির!         যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডা ও মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো