বুধবার, ২ আষাঢ় ১৪২৮
১৬ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

‘স্বামীকে ছয় টুকরো করেন স্ত্রী’

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: মহাখালী থেকে উদ্ধার হওয়া ময়না মিয়ার ছয় টুকরো মরদেহটির রহস্য উদঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ময়না মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্ত্রী তাকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহটি ছয় টুকরো করে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাতেমা খাতুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেফতারকালে ফাতেমার কাছ থেকে বোরকা, নিহতের রক্তমাখা জামাকাপড়, ধারালো ছুরি, ধারালো দা, বিষাক্ত পেয়ালা ও শীল-পাটা উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

তিনি বলেন, ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সাকলায়েন ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) রেজাউল হক টিম নিয়ে গোয়েন্দা নজরদারিরভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনাটির রহস্য উন্মোচন করেন। এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি নিহতের প্রথম স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হারুন-অর-রশীদ বলেন, রবিবার (৩০ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় একটা নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। এরপর রাত ১১টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে খণ্ডিত দুটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল পুলিশ।

এ বিষয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ইউনিটের সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ ভিকটিমের পরিচিতি শনাক্ত করার জন্য চেষ্টা চালায়। আর ডিবির গুলশান বিভাগের একটি টিম নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হয়।

ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘নিহত ব্যক্তি বনানীর কড়াইল এলাকাতে তার প্রথম স্ত্রী ফাতেমার সঙ্গে কয়েকদিন ধরে বসবাস করছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ বনানী থানার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির কোম্পানির অফিস থেকে আসামি ফাতেমা খাতুনকে গ্রেফতার করে।

ঘটনার বিবরণ ফাতেমার বরাত দিয়ে মশিউর রহমান জানান, গত ২৩ মে থেকে তার স্বামী ময়না মিয়া কড়াইল এলাকায় তার বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়ার সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরবর্তীতে টুকরো টুকরো করে মরদেহ ফেলে দেন।
 

শীর্ষ সংবাদ:
রাজধানীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা         সেতু আছে; রাস্তা নেই, সংযোগ সড়ক!         আমার বিশ্বাস সঠিক বিচার পাব: পরীমণি         মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নারীদের চাকরি         ‘যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসএসএফকে দক্ষ করা হচ্ছে’         ‘দুর্যোগেও চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় স্থানে’         দেশে এক ডোজের করোনা টিকার অনুমোদন         মাদক মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে নাসির-অমি         অনিয়ম মোকাবিলায় হজ ও ওমরাহ পরিচালনা বিল পাশ         ডিবি কার্যালয়ে পরীমণি         জিততে পারল না আর্জেন্টিনা         আজ বর্ষার প্রথম দিন         চীনা কুকুর ছিনিয়ে নিলো বিজয়ের মুকুট         পরীমণির মামলা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ         পরীমণিকে ডিবি কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে         আপনারাই আমার সাহস: পরীমণি         আফগানিস্তানের নারী পুলিশ সদস্যরা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন         গার্ড অব অনারে নারী ইউএনও'র আপত্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি         জাতিসংঘ মিশনে ‘বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জ’         ফেনীতে একসঙ্গে ৪ কন্যাসন্তানের জন্ম         ‘নারীর অধিকার দেয়ার ব্যাপারে সৌদি পুরুষ ভীষণ ভীত’