বুধবার, ৯ আষাঢ় ১৪২৮
২৩ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

ভারতীয় ধরন সন্দেহে ১৫ নমুনা আইইডিসিআরে

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: করোনার ভারতীয় ধরন সন্দেহে জিনোম সিকোয়েন্সের জন্য ১৫টি নমুনা ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিআর) পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এসএম সাকিবুর রহমান। শুক্রবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ নমুনা আইইডিসিআরে পাঠায়।

গোপালগঞ্জে অধিকহারে কারোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় সদর উপজেলার সাতপাড়, সাহাপুর ও বৌলতলী ইউনিয়নে শুক্রবার থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠে নেমে ওই ৩ ইউনিয়নে লকডাউনের ঘোষণা দেয়। এ সময় গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের দোকান। এসব দোকান সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। কঠোর লকডাউনে অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, এনজিওর কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যাংক ও এনজিওকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, বৌলতলী ইউনিয়নের তেলিভিটা গ্রামের হলধর কীর্ত্তনীয়ার ছেলে নিভাষ বিশ্বাস করোনার উপসর্গ নিয়ে ৭দিন আগে মৃত্যুবরণ করেন। পরে ওই পরিবারের আরো ৩জন করোনায় আক্রান্ত হন। নিভাষের সংস্পর্শে আশা ওই গ্রামের ১৬৮জনের নমুনা দু’দফা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে ৪১জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া বৌলতলী, সাহাপুর ও সাতপাড় ইউনিয়ন হিন্দু অধ্যুষিত। এসব এলাকার মানুষ বৈধ ও অবৈধ পথে ভারত যাতায়াত করে থাকেন। বৈধ পথে যাতায়াতকারীদের তথ্য আমাদের কাছে আছে। কিন্তু অবৈধ পথে যাতায়াতকারীদের তথ্য আমাদের কাছে নেই। তারা সবসময় তথ্য গোপন করে। তাই আক্রান্তদের মধ্যে ভারতীয় ধরন থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে সাতপাড়, সাহাপুর ও বৌলতলী ইউনিয়নের সব হাটবাজার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ওই এলাকার মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা অব্যাহত রাখা হবে। এছাড়া গণপরিবহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে সরকারি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।

গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এসএম সাকিবুর রহমান জানান, তেলিভিটা গ্রামে আক্রান্ত ৪১জনের মধ্যে করোনার উপসর্গ নেই। তারা হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। এদের মধ্যে থেকে ১৫জনের নমুনা ঢাকার আইইডিসিআরে জিনোম সিকোয়েন্সের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পর ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তেলিভিটা গ্রামের সাথে আশপাশের সব গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। নদী পারাপারের খেয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সকালে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এ পর্যন্ত গোপালগঞ্জে করোনায় ৩ হাজার ৭৯১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৯ জন। গত মার্চে গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্তের হার ছিলো ৪.৫%। মে মাসে আক্রান্তের হার ১৪.৫০% এ দাঁড়িয়েছে।

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
সুইজারল্যান্ডে এমপি হলেন বাংলাদেশি সুলতানা         চার কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখে: জাতিসংঘ         রাজধানীতে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার         বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা         জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম নারী ফাইটার পাইলট মাওয়া সুদান         বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোকে দেড় কোটি টিকা দেবে বাইডেন         আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ         আজ থেকে ৭ জেলার ট্রেন চলাচল বন্ধ         'শিগগিরই পরীক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে’         রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সেনা প্রধানের সাক্ষাৎ         নিউইয়র্ক সিটি নির্বাচনে ৪ নারীসহ বাংলাদেশি ১৩ প্রার্থী         ‘নিজেকে সর্বোচ্চ যোগ্য’ করতে যোগব্যায়াম করছেন পরীমনি         বন্ধ করে দেওয়া হলো ঢাকার সব যাত্রীবাহী ট্রেন         ‘তাহসানের ওপর রাগ নেই, যত রাগ আমার ওপর’         পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে সচেতনতা গড়তে হবে         বেশি বয়সেও ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন সম্ভব         পীরগঞ্জে এমকেপি মানব কল্যাণ পরিষদ’র সংলাপ সভা         টাঙ্গাইলে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি         বিদেশে যেভাবে নারী পাচার করতেন নদী         ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর