শুক্রবার, ৪ আষাঢ় ১৪২৮
১৮ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

৯৭ ভাগ অভিভাবক স্কুল খোলার পক্ষে

উইমেনআই২৪ প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ চললেও এ মুহূর্তে স্কুল খুলে দিলে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী। প্রাথমিকের ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এমন মতামত দিয়েছেন।

গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি) এবং বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিজিআইডি) পরিচালিক এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠেছে।

সোমবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠান দুইটি। ২০২০ সালের এপ্রিল এবং চলতি বছরের মার্চে ছয় হাজারের অধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সমীক্ষা করা হয়েছে।

মহামারির এ সময়ে মরণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকার পরও সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও সন্তানদের বাইরে যাওয়া বন্ধ নেই, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন তারা।

তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকার কারণে সন্তানদের শিক্ষায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, যা তারা বাড়াতে চান না। বাধ্য হয়ে এ ক্ষতির কিছুটা কমাতে কোচিং সেন্টারে সন্তানদের পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে নিয়মিত খরচের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষায় খরচ ১১-১৩গুন পর্যন্ত বেড়েছে।

অভিভাবকা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের সন্তানদের শিক্ষায় আগ্রহ কমছে। আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ‘অটো পাস’ এর কারণে ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে গিয়ে সন্তানরা কোনো সমস্যায় পড়েন কী-না, তা নিয়েও তারা ভীষণ উদ্বিগ্ন।

এ সমীক্ষা প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিজিআইডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন।

গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সমীক্ষা প্রতিবেদনের মূল বার্তা হলো- যেহেতু স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রাথমিকের ৫১ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলে ভবিষ্যত জীবনে সন্তান সমস্যায় পড়বে, এমন আশঙ্কা থেকে অতি দরিদ্র ৫৯ শতাংশ বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়ের কোচিং সেন্টারে পাঠিয়েছেন। আবার স্কুল খোলা থাকার সময়ে কওমি মাদ্রাসা খোলা থাকায় এখানে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বেড়েছে।

এ অবস্থায় আগামী বাজেটে প্রাথমিকের শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক ৫০০ টাকা করে মোট ২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি।

শীর্ষ সংবাদ:
ঢাবিতে ভর্তি ও ফরম ফিল-আপ করা যাবে অনলাইনে         মাইক্রোসফটের নতুন চেয়ারম্যান ভারতীয় বংশোদ্ভূত সত্য নাদেলা         বিচারকদের ভর্ৎসনার মুখে অভিনেত্রী         অন্তর্বাসের মডেল হলেন প্রিয়াঙ্কা         খোঁজ মিলল আবু ত্ব-হার         চীন থেকে টিকা দেশে পৌঁছালো         ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনের নতুন দিনক্ষণ নির্ধারণ         রাজশাহীতে করোনায় আরো ১২ জনের মৃত্যু         ঢাকা ব্যাংকের ভল্ট থেকে কয়েক কোটি টাকা উধাও         গার্ড অব অনার নিয়ে ধূম্রজাল কেন?         অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পাবেন বিদেশগামী কর্মীরা         যুক্তরাষ্ট্র গেলেন সাকিব         মহাকাশ স্টেশন নির্মাণে নভোচারী পাঠাল চীন         তসবি পাঠ করে ১২৪ নারীর অর্থ উপার্জন!         গায়ে হলুদের গান বাজাতে গিয়ে প্রাণ গেল বরের         ‘দেশে গণমাধ্যমের অবাধ বিকাশ ঘটেছে’         ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসেবনে বৃদ্ধের মৃত্যু!         ‘বিদেশে চাকুরি প্রত্যাশীদের সতর্ক থাকতে হবে’         নারী যেভাবে ডিজিটাল যৌন অপরাধের শিকার হচ্ছেন         ‘শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পর খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়’         বিশ্ব শান্তি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ