মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
১৮ মে ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

অনলাইন ব্যবসায় নারী উদ্যোক্তা

হামিদা ইলা: এই মুহূর্তে বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার অবস্থা বেশ জমজমাট। অনলাইন শপিং ক্রেতাকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা পরিষেবা প্রদান করে থাকে। একটি গুগল ট্রেন্ডস রেকর্ড এ দেখা গিয়েছে "অনলাইন শপিং" বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত বাক্য।

জনপ্রিয় অনলাইন শপ গুলো বাদে, ঢাকা এবং অন্যান্য বড় শহরগুলিতে রয়েছে কয়েক শতাধিক নামী অনলাইন শপ। ছোট আকারের অনলাইন বিক্রেতারা ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের নাগাল বাড়াতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে থাকে যেটি অনলাইন ব্যাবসায় আবশ্যক এবং অপরিহার্য।

'অনলাইন শপিং' নামক বিষয়টি থেকে উদ্ভূত সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ফলাফলটি হল, অনলাইন ব্যাবসা সমূহে নারীদের বেশি আগ্রহী হতে দেখা যায় কারণ এটি ঝামেলা-মুক্ত এবং এতে বড় পুঁজি বা বাজারে দোকানের প্রয়োজন হয় না। ইকমার্স বা বৈদ্যুতিক বাণিজ্য এবং ফেসবুক বাণিজ্য বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

এই সংবাদদাতা যখন অনলাইন পেজ 'সুইট অ্যান্ড স্পাইস বাই সোবেহা'—এর মালিক সোবেহা আঁখি—কে জিজ্ঞেস করলেন অনলাইন ব্যাবসায় তার যাত্রার কথা তখন তিনি বললেন: ‘প্রথমদিকে আমি নিজেই অনলাইন ব্যাবসা সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানতাম না, তবে সময় বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে, আমি পুরো বিষয়টি আয়ত্ত করতে পেরেছি।’

সোবেহা আরো বলেছেন, ‘শুরুর দিক দিয়ে তাকে সম্মুখীন হতে হয়েছিল বিভিন্ন প্রতিকূলতার। অনেক মানুষই নানান উপায়ে তাকে নিরুৎসাহিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি তার লক্ষ্যে অটল থেকে এগিয়ে গিয়েছেন সামনের দিকে। তার এই অগ্রযাত্রায় পাশে ছিলেন তার জীবনসঙ্গী এবং পরিবারের লোকেরা। তারাই তাকে উৎসাহিত করেছে প্রতিটি পদক্ষেপে। বেকিং করা ছিল তার শখ মাত্র, কিন্তু তিনি তার এই শখ কেই কাজে লাগানোর প্রচেষ্টায় লেগেছিলেন। তার মতে কোনো ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান এর যার জন্য তিনি বেকিং এর উপর কোর্স করেছিলেন, তারপর টুকিটাকি দ্রব্যাদি কিনে ফেসবুক পেজ খুলে নেমে পরেন কাজে, যদিও শুরুর দিকে তার বিনিয়োগ ও আয়ের তারতম্য ঘটেছিল কিন্তু কথায় আছে না, "গাইতে গাইতে গায়েন, বাজাতে বাজাতে বায়েন"; তার ক্ষেত্রেও সেটিই হয়েছে, ভুল করতে করতেই পারদর্শী হয়ে উঠেছেন তিনি। ধীরে ধীরে তার ব্যবসা অতিক্রম করেছে অনেকটুকু পথ, এখনো তিনি নিরলস পরিশ্রম এর মাধ্যমে এগিয়ে চলেছে সামনের দিকে।

আরো কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে জানতে পারা যায় এই ভয়াবহ মহামারীতেও তার ব্যবসা বাধাহীনভাবে এগিয়ে চলেছে। তার ভাষ্যমতে মহামারীতে মানুষের ঝোঁক ঘরে তৈরি খাবারের প্রতিই বেশি কেননা এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কিছুটা হলেও কম থাকে। যার জন্যে তার ব্যবসা আরো গতিশীল হয়ে উঠেছে। এছাড়াও তিনি বলেন তার তৈরকৃত খাদ্যদ্রব্য সমূহের বিতরণ প্রক্রিয়ায় শুরু থেকেই তার জীবনসঙ্গী তাকে সহায়তা করে এসেছেন যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

সফলতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তার পুঁজিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি তবে পরিবর্তন এসেছে তার মুনাফায়। পুঁজি শুরুতে ছিল ৬-৭ হাজার টাকা এখনো তাই রয়েছে। শুরুর দিকে মুনাফার হার কম ছিল কারণ অভিজ্ঞ্যতা না থাকায় তার তৈরিকৃত খাদ্যদ্রব্য সমূহ তিনি কম মূল্যে বিক্রি করতেন, ধীরে ধীরে বাজারদর সম্পর্কে ধারণা পাওয়ায় তিনি দ্রব্যের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়, যার ফলে তার বর্তমান মাসিক মুনাফা প্রায় ১০ হাজার এর মত; যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি। ফেসবুকে দুটি সাইট তার আওতায় রয়েছে। প্রথমটি তার ফেসবুক পেজ 'সুইট অ্যান্ড স্পাইস বাই সোবেহা' (https://www.facebook.com/sweetnspicebysobeha01/) যেটির মোট লাইক সংখ্যা ২৭০০— এর অধিক এবং অন্যটি তার ফেসবুক গ্রুপ 'সুইট অ্যান স্পাইস ফ্যামিলি' (https://www.facebook.com/groups/823565798416157) যেটির সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩০০। তার পেজ হতে উপলব্ধ খাদ্যদ্রব্য সমূহ হচ্ছে, বার্থডে কেক, জার কেক, কাপ কেক, থিম বেইজড কেক, নুডুলস, বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস্, পাস্তা, পুডিং, ব্রাউনি, ডোনাটস্, চিকেন বান, বাটার বান ইত্যাদি। অন্যদিকে ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে তিনি তার দ্রব্যসমূহের প্রচার করে থাকেন। এছাড়া ক্রেতারা সেখানে তাদের মতামত প্রদান করে থাকে যাতে করে তিনি তার কাজে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন আনতে পারে। এভাবেই তিনি তার অনলাইন ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে চলেছেন এই দুটো সাইটের মাধ্যমে।

পরিশেষে নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, সম্যক জ্ঞান অর্জন ছাড়া এই ব্যবসায় নেমে পড়া যাবেনা কারণ এতে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, তিনি আরো বলেছেন বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে কোনো উদ্যোক্তার পণ্য বিক্রি করা উচিৎ নয় কেননা এতে করে অনেক ব্যবসায়ীর ক্ষতি সাধন হয়। কারণ অনেকেরই একমাত্র আয়ের উৎস হচ্ছে এই অনলাইন ব্যবসা।

অপরদিকে, অনলাইন পেজ 'গ্ল্যামআপ বাই পৃথি' এর মালিক ভেরোনিকা পৃথি বলেন, ‘শুরুর দিকে আমি অনেকেরই অনেক ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি, কেউ কেউ বলেছে এসব করে কি হবে? হাত খরচও চলবেনা, অনালাইনে সাজগোজ বাদ দাও মানুষ খারাপ চোখে দেখবে, এগুলো ছেড়ে কোনো পার্লার এ ঢুকে যাও কারণ পার্লার রেখে এসবে মানুষ সাড়া দিবেনা। কিন্তু আমি তাদের কথা কানে নেইনি। এর ফলস্বরূপ আজ আমি এই অনলাইন ব্যবসা থেকে আয়কৃত টাকা দিয়ে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনাদি পরিশোধ করতে পারছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন জায়গা থেকেই তিনি অর্থায়ন পাননি। নিজের জমানো অর্থই ছিল তার একমাত্র পুঁজি। পুঁজি কম হওয়ায় শুরুর দিকে তার কাছে অনেক পণ্যই ছিলনা। ধীরে ধীরে আয়ের মাধ্যমে তিনি সব ধরনের সৌন্দর্য্য বর্ধনকারী সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন, বর্তমানে তার কাছে সাজগোজের সকল পণ্যই রয়েছে। এসবকিছু সম্ভব হয়েছে শুধু তার কঠোর পরিশ্রমের জন্যই। ঘরে বসে না থেকে তিনি তার মেধাকে কাজে লাগিয়েছেন। কেউ তাকে শুরুর দিকে সাহায্য করেনি ঠিকই; তবে বাংলায় একটি প্রবাদ রয়েছে, ‘ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়’, এই নারী উদ্যোক্তা তারই এক জলজ্যান্ত প্রমাণ।

তবে এই মহামারীতে ভেরোনিকার অভিজ্ঞতা সোবেহা আঁখির থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। কোভিড-১৯ এর প্রকোপে সরকার থেকে দেয়া লকডাউনের কারণে তিনি এবছর আগের তুলনায় অনেক কম ক্লায়েন্ট পেয়েছে। তার পেজটি মেয়েদের সাজসজ্জার বিষয়ে কাজ করে বলে তার আয় মূলত বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানের মধ্যেই হয়ে থাকে। আর আমরা সকলেই জানি লকডাউনের কারণে কোনো বিশেষ দিনই এবছর ঠিকভাবে উদযাপন হয়নি যে কারণে তার ব্যবসায় অতুলনীয় ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু তিনি হাল না ছেড়ে এখনো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং অপেক্ষা করছে সুদিনের।

তিনি আরো জানান, এই অনলাইন ব্যবসা থেকে তিনি ভাল এবং খারাপ দুধরনে অভিজ্ঞ্যতাই অর্জন করেছেন। যেমন, বুকিং নিশ্চিত করে শেষ মুহূর্তে ‘না’ করে দেয়া। এসকল অবাঞ্ছিত কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন সময়ে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। তবে এটা সত্য যে "আমরা আমাদের ভুল থেকে শিখি", তিনিও তার ভুল থেকেই শিখেছেন। যেমন, আগে তিনি অগ্রিম পারিশ্রমিক নিতেন না কিন্তু এখন তার পেজ থেকে পরিষেবা পেতে হলে মূল অর্থের এক তৃতীয়াংশ অগ্রিম পরিশোধ করতে হয়। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ রয়েছে,“Modern problems require modern solutions.” এটি তারই এক প্রকৃত উদাহরণ।

সফলতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি জানান, একদম শুরুতে তার পুঁজি ছিল ৩-৪ হাজার টাকা যা থেকে তার লাভ হয়েছিল ২০০-৫০০ টাকার মতন। এখন ক্লায়েন্টস্ বাড়ার সাথে সাথে তার পুঁজি এবং আয় দুটোই বেড়েছে। তার বর্তমান পুঁজি ৭-৮ হাজার টাকা এবং ক্লায়েন্ট অনুযায়ী মুনাফার হারও আগের থেকে অনেক বেশি। বর্তমানে ফেসবুকে দুটো সাইটে তিনি কাজ করছেন। একটি হচ্ছে তার ফেসবুক পেজ 'গ্ল্যাম আপ বাই পৃথী' (https://www.facebook.com/glamupbyprithi/) যেটির বর্তমান লাইক সংখ্যা প্রায় ১০০০ এবং অন্যটি তার ফেসবুক গ্রুপ 'গ্ল্যাম আপ বাই পৃথী(বিউটি স্যালন)' (https://www.facebook.com/groups/glamupbyprithi/?ref=share) যেটির সদস্য সংখ্যা ১৩০০—এর অধিক। তার গ্রুপ এবং পেজ থেকে সকল প্রকার সাজসজ্জার পরিষেবা প্রদান করা হয়। ক্লায়েন্ট দের বাজেট বা সামর্থ্য-এর কথা বিবেচনা করে রয়েছে বিভিন্ন ধরেনের প্যাকেজ। যেমন, পার্টি মেকআপ, ব্রাইডাল মেকআপ, রিসেপশন মেকআপ, সেমি ব্রাইডাল মেকআপ, গায়ে হলুদ মেকআপ ইত্যাদি। এছাড়াও তার গ্রুপে তিনি বিভিন্ন ধরনের টিউটোরিয়াল ভিডিও এবং বিউটি টিপস্ দিয়ে থাকেন। এতে করে অনেক নারীরাই উপকৃত হচ্ছে এবং জানতে পারছে সৌন্দর্য্য সম্পর্কিত অনেক অজানা বিষয়। এভাবেই গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছে তার ব্যবসা এবং তার এই পদক্ষেপ তাকে করে তুলছে সাবলম্বী।

সবশেষে তিনি বলেছেন, ভালোমন্দ দুদিক মিলিয়েই অনলাইন ব্যবসা। মন্দ দিকগুলো এড়াতে চোখ বুজে সকলকে ভরসা করার অভ্যাস পরিহার করতে হবে। আরেকটি গুুত্বপূর্ণ বিষয় হল অনলাইন ব্যাবসায় প্রচুর ধৈর্য্যের প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে ওভাবেই মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে এ পথে পা বাড়াতে হবে। সমালোচনা বা নিন্দা মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে কারণ সফল হতে হলে হাল ছাড়া যাবেনা এবং স্রোতের বিপরীতে না চললে উন্নতির চরম শিখরে পৌছান সম্ভবপর নয়।

সমাজের সকল প্রকার বিধিনিষেধ পেছনে ফেলে এই দুই নারী এবং অনলাইনে ব্যবসারত আরো হাজার হাজার নারী প্রতিদিন এবং প্রতিনিয়ত সমাজের ভুল রীতি-নীতি সমূহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগ উদ্যোক্তাই আজ সফল। কিন্তু এই সফলতা থাকা শর্তেও আজও সমাজ প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের সমালোচনা করার জন্য ওঁৎ পেতে বসে থাকে। তাই বলে থেমে থাকা যাবেনা। নারীর ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রতিকূলতা কাটিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতেই হবে কেননা এতেই মানবসমাজের উন্নতি নিহিত রয়েছে।

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
সাংবাদিক হেনস্থা করায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে         স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট করায় আমার সাথে অন্যায় হচ্ছে : রোজিনা         রিমান্ড নাকচ, সাংবাদিক রোজিনাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ         স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিং বয়কটের ঘোষণা সাংবাদিকদের         রোজিনা ইসলামকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ         সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নেওয়া হলো আদালতে         একজন সাংবাদিকের প্রথম কাজ সত্য খুঁজে বের করা         রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রেখে মারধর         প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা         রোজিনা ছিঁচকে চোর না, সে এদেশের সবচেয়ে নন্দিত সাংবাদিক         আমার বিরুদ্ধেও মামলা দেন         সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সুচিকিৎসা দিয়ে দায়িত্ব পালনে ফিরে যেতে দেওয়া হোক         পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকে         প্রথম আলোর রিপোর্টারকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে আটকে হেনস্থা করা হয়েছে         জীবনযুদ্ধে জয়ী আকলিমা চাকরি পেলেন পৌরসভায়         মাথাপিছু আয় এখন ২২২৭ ডলার         সংবাদ মাধ্যমের অফিস লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাব         ভারতফেরত তরুণীকে কো'য়ারেন্টিনে ‘ধ'র্ষণ’, এএসআই গ্রে'প্তার         সেদিন অনেক ঝড় মাথায় নিয়েই দেশে এসেছিলাম: শেখ হাসিনা         ব্যাংক কর্মকর্তারা দুর্নীতি করলে জরিমানা-মামলা         পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বর্ডার বন্ধ