মঙ্গলবার, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮
১১ মে ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

লকডাউনে আর্থিক প্রতিষ্ঠান চলবে ৪ ঘণ্টা

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: লকডাউন চলাকালীন ব্যাংক বর্হিভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান দিনে চার ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। যা সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রাহকদের জরুরি আর্থিক সেবা দেয়ার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করে সীমিত আকারে আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালু থাকবে।

এতে বলা হয়েছে, গ্রাহকদের হিসাবে মেয়াদপূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমাদান ইত্যাদি জরুরি আর্থিক সেবা দেয়ার লক্ষ্যে ২০২১ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) ও প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করে প্রয়োজনীয় জনবলের বিন্যাস ও উপস্থিতির বিষয়টি প্রতিষ্ঠানগুলো স্বীয় বিবেচনায় সম্পন্ন
করবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে সার্কুলারে বলা রয়েছে।

শীর্ষ সংবাদ:
অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ নিয়ে গবেষণার ফল         চঞ্চলের পরিচয় নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির জোয়ার         ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ         করোনা পরীক্ষার নতুন ফি নির্ধারণ         ‘চ্যালেঞ্জিং পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে’         ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কাটা যাবে না’         যমুনা গ্রুপে চাকরি         কাল থেকে ঈদের ছুটি শুরু         পন্টুনের তার ছিঁড়ে মাইক্রোবাস নদীতে         বৈদ্যুতিক ট্রেনের যুগে বাংলাদেশ         বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা         ‘চীনকে চিঠি দিয়েছে সরকার’         কানাডায় ভ্যাকসিন: 'ম্যাচ অ্যান্ড মিক্স' এর পরিকল্পনা         চঞ্চল চৌধুরী, তুমিই মানুষ!         সমাজসেবায় তরুণ প্রজন্ম         করোনাভাইরাস ছড়ায় যেভাবে         চলছে সন্ধ্যা রায়ের জীবনমরণ লড়াই         দেশে টাকায় মিলল করোনার উপস্থিতি         বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল থাইল্যান্ডও         আমার সবকিছুর মৌলিক ভিত্তি আমার মা: জয়া