রবিবার, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮
০৯ মে ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

বাক্বিতণ্ডার ব্যাপারে ওই চিকিৎসক যা বললেন

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: রাজধানীতে দায়িত্বরত পুলিশ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এক নারী চিকিৎসকের বাক্বিতণ্ডায় জড়ানোর একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।

সাঈদা শওকত জেনি নামে ওই চিকিৎসক এই বিতর্কে দুঃখ পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এই দেশ ছেড়েই চলে যাবেন।

বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেনি বলেন, ‘আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। ডাক্তার হিসেবে যদি এই সম্মান পাই, তবে আমার কিছু বলার নাই। আমার বাবা বীর বিক্রম। আমার বিদেশে যাওয়ার অনেক সুযোগ ছিল। আমার আব্বা এই দেশে রেখেছে।‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমার গায়ে সাদা এপ্রোন, আমার গাড়িতে বিএসএমএমইউ এর ডিরেক্টররের সাইন করা পাস, বিএসএমএমইউ এর লোগো আর তারা আমাকে বলে আপনার আইডি কার্ড কোথায়? আপনার মুভমেন্ট পাস কোথায়? ডাক্তারের আইডি কার্ড, ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস! কোথায় সম্মান করা হবে, সেখানে আমাকে বলে আমি নাকি পাপিয়া।’

ডা. জেনি বলেন, ‘করোনার সময় যেখানে আমাদের সম্মান করে মাথায় তুলে রাখবে, সেখানে এই দিল আমাকে এই দেশ! আমি দুঃখে শেষ হয়ে যাচ্ছি। এই দেশ ছেড়ে যাব তো আমরা। সবাই ছেড়ে যাবে এই দেশ।’

সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলেও আক্ষেপ করেন এই চিকিৎসক।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোন সাংবাদিক আমাকে একটু সাহায্য করেনি। কেউ আমার জন্য এগিয়ে আসেনি। অনেক সাংবাদিক ভাই ছিল। উল্টো তারা বলছে ডাক্তার ভাইরা খুব খারাপ। এই করোনাকালে আমি পিপিই পরে ছিলাম। আমার জান শেষ হয়ে যাচ্ছিল। আমি আসতেছি বাসায়। তারা আমাকে রাস্তার মধ্যে থামিয়ে হয়রানি করল কিন্তু সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে বাহবা দিয়েছে।’

জেনির ভাষায়, ‘আমার সাংবাদিক ভাইদের উপর বেশি মন খারাপ। এই জাতি আমাকে ডাক্তার বানিয়েছে। আমি করোনাকালে সার্ভিস দিতে গিয়ে যে হয়রানির স্বীকার হলাম আমার আর দুঃখ রাখার জায়গা নেই।’

ওখানে একজন সাংবাদিক ছিল যে ভিডিও করে কেটে কেটে সাইটে ভিডিও আপলোড করছে। সে আমাকে বলে ডাক্তাররা খুব খারাপ। তাইলে করোনা হলে তারা কোথায় যাবে?‘

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানবজমিন পত্রিকার ফটোসাংবাদিক জীবন আহমেদ বলেন, ‘ওই ডাক্তারই আমাদের বলেছিলেন, আপনারা গণমাধ্যমের লোক। আপনারা ভিডিও করেন না কেন? কিন্তু পরে তিনিই আরও উত্তেজিত হয়ে উল্টাপাল্টা বলা শুরু করেন। আমাদের কোনো গণমাধ্যমকর্মী তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেননি।’

উল্লেখ, রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে করোনাকালীন ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার পথে এলিফ্যান্ট রোডে তার গাড়ি থামান নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এ কাইয়ুম। তবু তার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকেন দুইজনই। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও।

শীর্ষ সংবাদ:
গবেষণায় করোনাকালীন নারীদের নানা প্রতিকূলতা         যেই ক্ষোভে তানিশাকে হত্যা করলো চাচাতো ভাই         কাবুলের স্কুলে বিস্ফোরণে প্রাণহানি ৪০         সহসাই খুলছে না বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত         টিকার দাম কমাতে রাশিয়াকে চিঠি         তোফায়েল আহমেদ সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন         খালেদার বিদেশের ব্যাপারে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী         এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা         বাংলাদেশিদের মালয়েশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা         উদ্যানের বিষয়ে যা বললেন কাদের         শিমুলিয়া থেকে ছাড়ল ফেরি         গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ         কানাডায় কোভিড ভ্যারিয়েন্ট বাড়ছে         খালেদার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আজ         হাসপাতালে ভর্তি তোফায়েল আহমেদ         ইতালিতে করোনায় চার বাংলাদেশির মৃত্যু         জনকণ্ঠের চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের দাবি বিএফইউজে‘র         নির্মল বন্ধুত্ব চাই!         শনিবার থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ