বুধবার, ৩০ চৈত্র ১৪২৭
১৪ এপ্রিল ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

কুড়িগ্রামে লকডাউনে ২১ কোটি টাকা বিতরণের উদ্যোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে লকডাউনে ঢিলেঢালাভাবে পালিত হলেও চরম বিপদে পড়েছেন শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষ। টানা তৃতীয় দিন লকডাউনের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিভিন্নভাবে ঋণ করে দোকান পাট ও সংসার চালাতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তাছাড়াও তাগিদ রয়েছে সাপ্তাহিক কিস্তি প্রদানের। সে কারণে এসব ব্যবসায়ীদের এখন মহাবিপদ।এসব পরিবারের কাছে লকডাউন এখন অনেক কষ্টের কারণ। যেন গোদের উপর বিষফোঁড়া। ঝুঁকি নিয়ে অনেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও ক্রেতার অভাবে ব্যবসায় কোন বিক্রি নেই। এরপরও প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয়েও অনেকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। এদিকে, হোটেল শ্রমিক ও অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষজনও পড়েছে চরম বিপাকে। কাজ নেই নেই কোনো সহায়তা।

তবে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘ইতোমধ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও লকডাউনে শ্রমজীবীসহ নিম্ন আয়ের মানুষজনকে সহায়তা প্রদানে সরকারিভাবে ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ বরাদ্দ পবিত্র রমজান ও ঈদের আগে ৭৩টি ইউনিয়ন ও ৩ পৌরসভায় বিতরণ করা হবে।

এদিকে, লকডাউনে বিপদে পড়া হোটেল শ্রমিকনেতা নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘এখন সব হোটেল বন্ধ। আমাদের মালিকরা কোনো টাকা পয়সা দিচ্ছেন না। আমরা এখন কোনো সহায়তা না পেলে পরিবারকে নিয়ে কিভাবে বাঁচব। কুড়িগ্রাম পৌরবাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সাজু, রমজান, রফিকুল ও কালাম জানান, লোন করে আমরা ব্যবসা পরিচালনা করছি। প্রতিদিন কিস্তি দিতে হয়। এখন ব্যবসা বন্ধ। ঘর থেকে টাকা এনে কিস্তি শোধ করতে হচ্ছে। কেউ কেউ সুদের উপর টাকা নিয়ে কিস্তি দিচ্ছে। আমাদেরকে নিয়ম করে দিক। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই। না হলে আমরা পথে বসবো।’

শাপলা চত্বরের শ্রমিক আব্দুল করিম বলেন, ‘গাড়ি বন্ধ। টাকা কোথায় পাব। আমাদের যদি সরকার সহায়তা করো তাহলে বাঁচতে পারব।’

অন্যদিকে ঊর্ধ্বমুখী কোভিড-১৯ ঠেকাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন থেকে নানান উদ্যোগ নেয়া হলেও মানছেন না সাধারণ মানুষ। জেলা প্রশাসনের প্রচারণা ও মাইকিং এর পরেও মাস্ক ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, করোনায় দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কর্মহীন খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য জেলার ৭৩টি ইউনিয়ন ও ৩ পৌরসভায় ভিজিএফ’র টাকা প্রতি পরিবারকে ৪৫০ টাকা করে ১৯ কোটি ২৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা প্রদান করা হবে। এছাড়াও ওই ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রতি পরিবারকে ৪০০ টাকা করে প্রদান করা হবে। এ টাকা আসন্ন রমজান ও ঈদেও আগে বিতরণ করা হবে। 

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

শীর্ষ সংবাদ:
আজ পহেলা বৈশাখ         কোন এক বৈসাবিতে         সুস্থ থাকতে সেহরিতে যে সকল খাবার খাওয়া উচিত         শিথিল লকডাউনে যুক্তরাজ্যে উৎসবের আমেজ         ক্রিকেটার সাকিবের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেন মিথিলা         লকডাউনে ব্যাংকে লেনদেন চার ঘণ্টা         ১০০ জনকে নিয়ে হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা         দ্বিতীয় টেস্টে নেগেটিভ হয়ে দেশে ফিরছেন প্রোটিয়া নারীরা         ‘ভুয়া’ ডক্টরেট ডিগ্রি, যা বললেন মমতাজ         চাঁদ দেখা গেছে, কাল রোজা শুরু         ঘরে বসেই বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করুন: প্রধানমন্ত্রী         ‘করোনা মহামারী কখন শেষ হবে বলা কঠিন’         আহমদ শফীর মৃত্যু নিয়ে পিবিআইয়ের রিপোর্ট সম্পূর্ণ মিথ্যা: বাবুনগরী         যুক্তরাষ্ট্রে জনসনের টিকা ব্যবহারে স্থগিতাদেশ         সেই ‘জান্নাতী’ এখন মেডিকেল শিক্ষার্থী         ‘বিএনপি মিথ্যাচারকে রাজনীতি মনে করছে’         বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক চালু রাখতে গভর্নরকে চিঠি         প্রথম ঘণ্টায় জমা সোয়া লাখ মুভমেন্ট পাস         রয়টার্সের ১৭০ বছরে প্রথম নারী প্রধান সম্পাদক         হেফাজতের নায়েবে আমিরের পদত্যাগ