বুধবার, ৩০ চৈত্র ১৪২৭
১৪ এপ্রিল ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

টেক্সাসে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নিয়ে রহস্য

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিহত ৬ বাংলাদেশির নিবাস পাবনাস জেলায়। মর্মান্তিক এ খবর শোনার পর থেকে গ্রামের বাড়িতে স্বজনদের শোকের মাতম চলছে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনা তারা হতবিহ্বল হয়ে গেছেন।

জানা গেছে, রহস্যঘেরা এই মৃত্যুর খবর গতকাল মঙ্গলবার সকালে জানতে পেরে নিস্তব্ধ হয়ে যায় শহরের উপকন্ঠ দোহারপাড়ায় এলাকার মানুষ। ওইদিন সকাল থেকেই নিহতদের স্বজন ও বন্ধুবান্ধব পাবনার গ্রামের বাড়িতে ভিড় জমায়। নিহতের পরিবার এবং আত্মীয়রা সরকারের কাছে দাবি করেছেন অন্ততপক্ষে দেশের মাটিতে নিহতদের দাফন করা হোক।

নিহতের ছোট ভাই আবুল কালাম আজাদ হিরক বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে স্বপরিবারে বসবাস করেন তার দুলাভাই তৌহিদুর রহমান ওরফে স্যাম তৌহিদ (৫৩)। তিনি আমেরিকার সিটি ব্যাংকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী আইরিন ইসলাম ওরফে নীলা তৌহিদ (৪৮) ও তার তিন সন্তান তানভীর তাওহীদ (২৩), মেয়ে ফারবিন তাওহীদ (২১) এবং ফারহান তাওহীদ (১৯) কে নিয়ে বসবাস করছিলেন। নীলার বৃদ্ধা মা আলতাফুন্নেচ্ছাও তাদের সঙ্গে টেক্সাসে ছিলেন। আলতাফুন্নেচ্ছা পাবনা আমেরিকা আসা যাওয়া করতেন। তার বড় ছেলে আতাউর রহমানও নিউইয়র্কে থাকেন। গত শুক্রবার রাতে পাবনায় আলতাফুন্নেচ্ছার ছেলেদের সঙ্গে কথা হয়। ১ এপ্রিল আলতাফুন্নেচ্ছার পাবনায় ফেরার কথা ছিল। করোনার কারণে সেই ফ্লাইট বাতিল হয়ে পরবর্তীতে ৭ এপ্রিল দেশে আসার দিন ঠিক হয়। কিন্তু গত শুক্র অথবা শনিবার রাতে তারা নৃশংসভাবে খুনের শিকার হন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরিবারের দুই সন্তান অন্য সদস্যদের হত্যা করে নিজেরাও আত্মহত্যা করতে পারেন।

তবে এ বিষয়ে আলতাফুনেচ্ছার বড় ছেলে ও নীলা তৌহিদের ভাই আরিফুর রহমান আলিফ বলেন, ‘তার ভাগ্নেরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে না। এর পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। তার ভাগ্নেরা মানসিক রোগী ছিলেন না। শুক্রবার রাতেও তার মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। কোনো সমস্যা থাকলে মা জানাতেন।’

নিহত আলতাফুনেচ্ছার ভাই আব্দুল হান্নান তালুকদার বলেন, ‘আমরা চাই সরকার তাদের লাশগুলো দেশে এনে দিক। আমরা পাবনায় তাদের দাফন করতে চাই।’

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার রাত ১টার দিকে টেক্সাসের অ্যালেন শহরের একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে একটি বাড়ির এক কক্ষে একইসঙ্গে বাবা-মা ও ৩ সন্তানের লাশ পড়ে থাকতে দেখে। একটু দূরেই পড়েছিল তাদের দাদির লাশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ  তাদেরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কিংবা তারা আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছে।

 

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

শীর্ষ সংবাদ:
আজ পহেলা বৈশাখ         কোন এক বৈসাবিতে         সুস্থ থাকতে সেহরিতে যে সকল খাবার খাওয়া উচিত         শিথিল লকডাউনে যুক্তরাজ্যে উৎসবের আমেজ         ক্রিকেটার সাকিবের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেন মিথিলা         লকডাউনে ব্যাংকে লেনদেন চার ঘণ্টা         ১০০ জনকে নিয়ে হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা         দ্বিতীয় টেস্টে নেগেটিভ হয়ে দেশে ফিরছেন প্রোটিয়া নারীরা         ‘ভুয়া’ ডক্টরেট ডিগ্রি, যা বললেন মমতাজ         চাঁদ দেখা গেছে, কাল রোজা শুরু         ঘরে বসেই বৈশাখের আনন্দ উপভোগ করুন: প্রধানমন্ত্রী         ‘করোনা মহামারী কখন শেষ হবে বলা কঠিন’         আহমদ শফীর মৃত্যু নিয়ে পিবিআইয়ের রিপোর্ট সম্পূর্ণ মিথ্যা: বাবুনগরী         যুক্তরাষ্ট্রে জনসনের টিকা ব্যবহারে স্থগিতাদেশ         সেই ‘জান্নাতী’ এখন মেডিকেল শিক্ষার্থী         ‘বিএনপি মিথ্যাচারকে রাজনীতি মনে করছে’         বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক চালু রাখতে গভর্নরকে চিঠি         প্রথম ঘণ্টায় জমা সোয়া লাখ মুভমেন্ট পাস         রয়টার্সের ১৭০ বছরে প্রথম নারী প্রধান সম্পাদক         হেফাজতের নায়েবে আমিরের পদত্যাগ