শুক্রবার, ৩ বৈশাখ ১৪২৮
১৬ এপ্রিল ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির প্রতি আহ্বান: নদী বাঁচানোর পানি চুক্তি করুন

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের প্রধানমন্ত্রীদের আসন্ন বৈঠকের প্রেক্ষাপটে ১৬ মার্চ দিল্লীতে অনুষ্ঠিত সচিব পর্যায়ের বৈঠকে যৌথ নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে যোগ দেবার জন্য ঢাকা আসছেন। বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম মানুষ আশা করে এই সফরের সময় তাদের বাঁচা-মরার প্রশ্ন যৌথ নদী-পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে অগ্রগতি হবে।

পরিবেশ ও পানি-অধিকার পর্যবেক্ষণ গ্রুপ আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি) এক বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করে যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে প্রবাহিত নদীগুলোকে উৎস থেকে সাগর পর্যন্ত জীবিত রেখে অববাহিকা ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার জন্য পারষ্পরিক বন্ধুত্বের আলোকে উভয়পক্ষ কার্যকর কিছু করবে।

পৃথিবীর বৃহুত্তম বদ্বীপ এই দেশের ভেতরে প্রবাহিত ৫৭টি নদীর মধ্যে ৫৪টিই ভারতের হয়ে এসেছে। টেকসই নদী-ব্যবস্থাপনার অভাবে উজানে যথেচ্ছ পানি প্রত্যাহারের কারণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৩০টির অধিক নদী ইতোমধ্যে মরে গেছে। সীমান্তে পানি-বণ্টনের ভ্রান্ত নীতিভিত্তিক গঙ্গা পানি চুক্তি বাংলাদেশের প্রত্যাশিত কাজে আসছে না। তিস্তার পুরো শুষ্ককালীন প্রবাহ গজলডোবা ব্যারেজের মাধ্যমে প্রত্যাহারের কারণে এ নদীর বাংলাদেশ অংশ প্রতিবছর শুকিয়ে যাচ্ছে। অথচ ভরা মৌসুমে গঙ্গা ও তিস্তার বন্যায় ভাসছে এদেশের মানুষ।

আইএফসি মনে করে, বাংলাদেশে নদীগুলোর ভাটির অংশ পানি প্রত্যাহারের কারণে মরে গেলে এই প্রাকৃতিক প্রবাহগুলোর উজানের অংশও মরে যেতে বাধ্য। প্রাকৃতিক প্লাবনভূমি দিয়ে প্রবাহিত হলেই নদী জীবিত থাকে, কারণ শুকনো মওসুমে প্লাবনভূমির ভূগর্ভস্থ পানি নদীকে জীবিত রাখে। অন্যত্র শুকনো মাটি শুধু নদীর পানি শুষে নেয়। একারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ৫০০০-এর বেশি বাঁধ ভেঙ্গে নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সম্প্রতি স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, উৎস থেকে সাগর পর্যন্ত (S2S) ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন এবং দূষণ নিরসন করা সম্ভব।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- আইএফসি, নিউ ইয়র্ক-এর চেয়ারম্যান, আতিকুর রহমান সালু, মহাসচিব, সৈয়দ টিপু সুলতান, আইএফসি বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ড এস আই খান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইরফানুল বারী এবং আইএফসি সমন্বয়ক মোস্তফা কামাল মজুমদার।

 

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

শীর্ষ সংবাদ:
ঝটপট মজাদার ইফতার রেসিপি         দ. কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা         ‘এখানেও কুৎসিত মনের কিসিঞ্জারদের হস্তক্ষেপ’         রাজশাহীতে তরুণীর লাশ উদ্ধার         যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে ৮ জনের প্রাণহানি         লকডাউনে দায়িত্বে থাকা ৩ ট্রাফিক পুলিশকে মারধর         ‘খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান রিপোর্ট ভালো’         ‘দেশে এক সপ্তাহে ৩০ শতাংশ মৃত্যু বেড়েছে’         শুক্রবার গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়         রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড: ১০ লাখ ডলার দিচ্ছে জাপান         প্রবাসীদের জন্য শনিবার থেকে বিশেষ ফ্লাইট         সিটিস্ক্যান শেষে বাসায় ফিরেছেন খালেদা         বেগম খালেদা এভারকেয়ার হাসপাতালে         কবরী লাইফ সাপোর্টে         হেফাজতের ৩ নেতা পাঁচ দিনের রিমান্ডে         পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে সমালোচনা         গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সময়সীমা বাড়ছে         ইফতারের আগে রোজাদারের করণীয়