মঙ্গলবার, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮
১১ মে ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

মওদুদ আহমদ আর নেই

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আর নেই।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি এই রাজনীতিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়। এর আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে দীর্ঘদিন এভার কেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

মওদুদ আহমদ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিএনপির ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। সাবেক সাংসদ ও অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ২৪ মে ১৯৪০ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মাওলানা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এবং মা বেগম আম্বিয়া খাতুন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে মওদুদ আহমেদ চতুর্থ।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান পাশ করে বৃটেনের লন্ডনস্থ লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টার-এ্যাট-ল' ডিগ্রি অর্জন করেন। লন্ডনে পড়াশুনা করে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং হাইকোর্টে ওকালতি শুরু করেন। তিনি ব্লান্ড ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলনে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ব্যারিস্টার মওদুদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১-এ ইয়াহিয়া খান কর্তৃক আহুত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ছিলেন।

১৯৭৭-৭৯ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টা ছিলেন। ১৯৭৯ সালে তিনি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তাকে উপ-প্রধানমন্ত্রী করা হয়। ১৯৮১ সালের মে মাসে জিয়াউর রহমান নিহত হন এবং এক বছরের ভেতর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন। ১৯৮৫ এর নির্বাচনে মওদুদ আহমদ আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সরকারের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এক বছর পর ১৯৮৬ এ তাকে আবার উপ-প্রধানমন্ত্রী করা হয়।

১৯৮৮ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৮৯ সালে তাকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় এবং এরশাদ তাকে উপ-রাষ্ট্রপতি করেন। ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকার জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১ সালে মওদুদ আহমদ আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ২০০১ সালেও তিনি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাঁচবার মওদুদ আহমেদ নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা থেকে নির্বাচিত হন।

মন্ত্রিত্ব ছাড়াও মওদুদ আহমেদ জিয়াউর রহমানকে বিএনপি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেন। এই দলের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি এরশাদের জাতীয় পার্টির সংগঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

শীর্ষ সংবাদ:
চঞ্চলের পরিচয় নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির জোয়ার         ৫০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ         করোনা পরীক্ষার নতুন ফি নির্ধারণ         ‘চ্যালেঞ্জিং পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে’         ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কাটা যাবে না’         যমুনা গ্রুপে চাকরি         কাল থেকে ঈদের ছুটি শুরু         পন্টুনের তার ছিঁড়ে মাইক্রোবাস নদীতে         বৈদ্যুতিক ট্রেনের যুগে বাংলাদেশ         বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা         ‘চীনকে চিঠি দিয়েছে সরকার’         কানাডায় ভ্যাকসিন: 'ম্যাচ অ্যান্ড মিক্স' এর পরিকল্পনা         চঞ্চল চৌধুরী, তুমিই মানুষ!         সমাজসেবায় তরুণ প্রজন্ম         করোনাভাইরাস ছড়ায় যেভাবে         চলছে সন্ধ্যা রায়ের জীবনমরণ লড়াই         দেশে টাকায় মিলল করোনার উপস্থিতি         বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল থাইল্যান্ডও         আমার সবকিছুর মৌলিক ভিত্তি আমার মা: জয়া         নিখোঁজের তিন দিন পর তরুণের লাশ উদ্ধার