মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
১৮ মে ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

প্রজন্ম হোক সমতার : সকল নারীর অধিকার

সেলিনা আক্তার: মানবসভ্যতা প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে। আর সেইসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগোচ্ছে মানুষ। প্রতিনিয়ত আমরা নারী ও পুরুষের মধ্যকার সমঅধিকার এবং সমবণ্টনের কথা বলছি। বলছি, দুজনের সমান সুযোগ পাওয়ার প্রয়োজনের কথা। অনেক ক্ষেত্রে এই প্রয়োজন অনেকটা মিটেছে। নারী পুরুষের সাথে তালে তাল মিলিয়ে নানা পেশায় অংশ নিচ্ছে, নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, অংশ নিচ্ছে পরিবার ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সব ব্যাপারেও। সভ্যতার শুরুতে নারী-পুরুষের মধ্যে দৈহিক পার্থক্য ছাড়া অন্য আর কোনো পার্থক্য ছিল না কাজে ও বিবেচনাতেও। উভয়ের কাজের প্রকার, পরিমাণ এবং মর্যাদাও ছিল সমান। সামাজিক রীতিনীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর প্রাধান্য যেমন ছিল সমাজে, তেমনি পুরুষদের কর্তৃত্বও কম ছিল না। ফলে সমাজ সে সময়ে ছিল সমতাভিত্তিক। নারী ও পুরুষ ছিল একে অপরের পরিপূরক। কালক্রমে নারী ও পুরুষের এই সমতাভিত্তিক সমাজের অবসান ঘটে। নারী ও পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা বিনষ্ট হয় এবং নারীর অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুন্ন হতে থাকে। তার নিজস্ব সত্ত্বা এবং অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ঘরে-বাইরে, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা সর্বত্র শুরু হয় নারীর সংগ্রাম। প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারীকে মানুষ হিসেবে তার প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার অর্জনে হিমশিম খেতে হয়। যদিও অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে, তারপরও অনেক ক্ষেত্রে এখনও নারীকে সংগ্রাম করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের শুরুতেই জাতির পিতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতনের স্বীকার নারীদের পুনর্বাসনের জন্য নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন যে দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী তাদেরকে বাদ দিয়ে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। স্বাধীনতা লাভের নয় মাসের মধ্যে বঙ্গবন্ধু জাতিকে উপহার দেন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান। যে সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান ও আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’। ২৮(১) অনুচ্ছেদে রয়েছে, কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না’ এবং ২৮(২) অনুচ্ছেদে আছে, ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষ সমান অধিকার লাভ করিবেন’। সরকার গঠনের শুরু থেকেই নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে জাতির পিতার নির্দেশনা ছিল। দেশে রাজনীতি ও প্রশাসনে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু সরকারই প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য দশভাগ আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সাধারণ আসনে নারীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ রাখা হয়। এর পাশাপাশি উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নারীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে দু’জন নারীকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানে সরকারি চাকরি ও কর্মক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়। সংবিধানে শুধু নারী পুরুষের সমতাই নিশ্চিত করা হয়নি বরং সরকারি চাকরিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অসম প্রতিযোগিতা ও প্রতিনিধিত্বের অবসান করা হয়। সরকারি চাকুরিতে মেয়েদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দিয়ে সবক্ষেত্রে ১০ ভাগ কোটা সংরক্ষণ করা হয়। জাতির পিতা ১৯৭২ সালে নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও নিরাপদ আবাসনের জন্য ‘নারী পুনর্বাসন বোর্ড’ গঠন করেন। এই বোর্ডের মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পথে নারীর অগ্রযাত্রা। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার দর্শন অনুসারে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের নতুন ধারা সূচিত করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত উদ্যোগের ফলে উচ্চশিক্ষাসহ সকল ধরনের শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীদের শতভাগ অংশগ্রহণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সুরক্ষা ও নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন আট মার্চ, পালিত হয় বিশ্বজুড়ে। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা এবং কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। কিন্তু শৃঙ্খলিত সমাজ সেদিন তা মানতে পারেনি। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান রাজনীতিবিদ সে দেশের সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জেটকিন প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে এবং দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। বাংলাদেশে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। প্রতিবারের মতো এবারও একটি প্রতিপাদ্য এবং উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হবে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২১ এর প্রতিপাদ্য হলো ‘করোনাকালে নারী নেতৃত্ব : গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’ এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সামাজিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ দিন দেশের শ্রেষ্ঠ পাঁচজন জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে নারী দারিদ্রমোচনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। নারীর ক্ষমতায়ন, নারী নির্যাতন বন্ধ, নারী পাচার রোধ, কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা বিধান এবং আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ডের মূল ধারায় নারীর পূর্ণ ও সমঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করাসহ নারীর সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। নারীদের ব্যাপক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমবাজারে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে জেন্ডার সমতাভিত্তিক সমাজ ও সুরক্ষিত শিশু। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দারিদ্র্যবিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সরকার মোট বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে ৭৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি মানুষ বিভিন্ন ভাতা পাচ্ছেন। নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। তথ্য আপা প্রকল্পের মাধ্যমে এক কোটি গ্রামীণ নারীর সেবা প্রদান ও ক্ষমতায়ন করা হচ্ছে। বিশ লাখ নারীকে ভিজিডি, মাতৃত্বকালীন ও ল্যাক্টেটিং মাদার ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আবার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ প্রণয়ন করেছে। আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার নারী যা বিশ্বে বিরল। এদেশের নারীরা আজ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সচিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীতে উচ্চতর পদে দায়িত্ব পালন করছে। মাঠ প্রশাসনে নারী ওসি, ইউএনও, এসপি ও ডিসি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছে। বিদেশের মাটিতে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশবাহিনীর নারী সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে। যা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে আছে নারীরা। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যবসায় বাংলাদেশের নারীর বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীত করেছে। এছাড়া নারীরা সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক ও কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। নারী উন্নয়নে বাংলাদেশ রোল মডেল সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নারী নেতৃত্বে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে “পিস ট্রি”, ২০১১ ও ২০১৩ সালে দুইবার “সাউথ সাউথ”, ২০১৬ সালে “প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন”, ২০১৬ সালে “এজেন্ট অব চেঞ্জ” ও ২০১৮ সালে “গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড” পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনীতির সকল কার্যক্রমে নারীর পূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০৪১ সালের পূর্বেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নারীর, নিরাপত্তা, সুরক্ষা, বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়, বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন কঠোরভাবে দমন এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ সংশোধন করে ধর্ষণের অপরাধের জন্য “যাবজ্জীন সশ্রম কারাদণ্ড” শাস্তির পরিবর্তে “মৃত্যুদণ্ড” প্রতিস্থাপন করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০৪১ সালে বাল্যবিয়ে শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে বাল্য ২০১৪ সালে লন্ডন গার্লস সামিটে প্রদত্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ও বাল্যবিয়ে নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৮-২০৩০ এর বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নারী ও শিশুর উন্নয়ন ও সুরক্ষার জন্য সরকার গত ১০ বছরে যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮, শিশু আইন ২০১৩, মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ২০১২, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ ও জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ প্রণয়ন করা হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের প্রথম স্থানে। সরকারের কার্যকর বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। অনেক অর্জনের মধ্যে ছোটোখাট যে সমস্যাগুলি রয়েছে তা চিহ্নিত করে নারীর অধিকার নিশ্চিতে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত থাকলে নারী দিবসের চেতনা সার্থক হবে এবং বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবে এবং নারীর অধিকার আদায় সম্পূর্ণ হবে।

Mujib Borsho

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট করায় আমার সাথে অন্যায় হচ্ছে : রোজিনা         রিমান্ড নাকচ, সাংবাদিক রোজিনাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ         স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিং বয়কটের ঘোষণা সাংবাদিকদের         রোজিনা ইসলামকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ         সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নেওয়া হলো আদালতে         একজন সাংবাদিকের প্রথম কাজ সত্য খুঁজে বের করা         রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রেখে মারধর         প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা         রোজিনা ছিঁচকে চোর না, সে এদেশের সবচেয়ে নন্দিত সাংবাদিক         আমার বিরুদ্ধেও মামলা দেন         সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সুচিকিৎসা দিয়ে দায়িত্ব পালনে ফিরে যেতে দেওয়া হোক         পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকে         প্রথম আলোর রিপোর্টারকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে আটকে হেনস্থা করা হয়েছে         জীবনযুদ্ধে জয়ী আকলিমা চাকরি পেলেন পৌরসভায়         মাথাপিছু আয় এখন ২২২৭ ডলার         সংবাদ মাধ্যমের অফিস লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাব         ভারতফেরত তরুণীকে কো'য়ারেন্টিনে ‘ধ'র্ষণ’, এএসআই গ্রে'প্তার         সেদিন অনেক ঝড় মাথায় নিয়েই দেশে এসেছিলাম: শেখ হাসিনা         ব্যাংক কর্মকর্তারা দুর্নীতি করলে জরিমানা-মামলা         পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বর্ডার বন্ধ         শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিতের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে