সোমবার, ৬ বৈশাখ ১৪২৮
১৯ এপ্রিল ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

এখনও মানুষ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে উদ্দীপ্ত হয়: তথ্যমন্ত্রী

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের আবেদন ৫০ বছর আগে যেমন ছিল, আজ ৫০ বছর পর সেই একইরকম আবেদন আছে। এখনও মানুষ এ ভাষণ শুনে উদ্দীপ্ত হয়।’

রবিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : বাঙালির মুক্তির সড়ক’ শীর্ষক সেমিনারে  তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারে প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদ ইয়াসমিনের সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু এই ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ২১ বছর এ ভাষণ বাজেনি। রাষ্ট্রীয় সমস্ত অনুষ্ঠানে এ ভাষণ নিষিদ্ধ ছিল, এমনকি বঙ্গবন্ধুর নামটিও নিষিদ্ধ ছিল।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে বহু কালজয়ী ভাষণ আছে, যেগুলো বিশ্ব ইতিহাসে স্থান করে রেখেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সবার থেকে আলাদা। কারণ তিনি লিখিত ভাষণ দেননি। বঙ্গবন্ধু একনাগাড়ে যে ভাষণ দিয়েছিলেন সেটি কোনো বইয়ের ভাষা ছিল না। তিনি সবাইকে তুমি করে সম্বোধন করেছিলেন। তিনি পুরো জাতিকেই আপন করে নিয়েছিলেন। সবাই তাঁর কথায় প্রস্তুত হয়েছিল।’ এই দিনে কাউকে ইতিহাস বিকৃতি না করার জন্য আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

পাকিস্তানি গোয়েন্দা রিপোর্টের বরাত দিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সেদিন পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা বলেছে, এই ভাষণ কার্যত স্বাধীনতার ভাষণ। কিন্তু তাঁকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না, কারণ তিনি সরাসরি কিছু বলেননি। বঙ্গবন্ধু এমনই এক নেতা ছিলেন, তিনি অনেক দূর দেখতে পারতেন।’

প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই মূলত স্বাধীনতার ঘোষণা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণে তৎকালীন রাজনৈতিক যাবতীয় সববিষয় স্বল্পদৈর্ঘ্য আকারে উপস্থাপন করে স্বাধীনতা অর্জনের পথ নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাসসের সাবেক সিটি এডিটর অজিত কুমার সরকার। লিখিত বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্লেষণ করেন তিনি।

অজিত কুমার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণে ২৩ বছরের ইতিহাস কথাটি দুইবার এসেছে। বঙ্গবন্ধু মূল বক্তব্যে পৌঁছাবার আগে প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন। ভাষণে তিনবার মুক্তির কথা বলা হয়েছে। বলেছেন বাংলার মানুষের মুক্তির কথা। মুক্তি বলতে তিনি সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তিসহ জনগণের সার্বিক কথা বলেছেন।’

সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণকে স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইতে যুক্ত করা দরকার। তাহলে আজকের প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তিতে থাকবে না। তারা এই এক ভাষণের মধ্য দিয়েই গোটা মুক্তিযুদ্ধকে বুঝতে পারবে।’

অন্যদের মধ্যে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বপন সাহা, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বক্তব্য দেন।

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

শীর্ষ সংবাদ:
নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা         সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়ঙ্কর গুজব ছড়ানো হচ্ছে         সৌন্দর্য রক্ষায় আম         বইয়ের আদলে দৃষ্টি নন্দন ফলক         মামুনুলের সাত দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ         সিলভার বাটন পেলেন বিউটি এক্সপার্ট আফরোজা পারভীন         হেফাজতের বিরুদ্ধে আরো ৬২ আলেমের বিবৃতি         ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী         ‘যেনো পরম আত্মীয় এলাকা ছেড়ে দূরে চলে গেলেন’         মাত্র এক তৃতীয়াংশ হতদরিদ্র পায় সরকারি সহায়তা         ‘জনাব, কিছু ফেলে গেলেন কি?’         পরিচয়পত্র চাওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তুলকালাম         আফগানিস্তানে ৮ মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা         ৪ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের জরিমান         'হাসপাতালে ১০ গুণ বেশি রোগী'         মামুনুল হক যেভাবে গ্রেফতার হন         কানাডার অন্টারিও প্রদেশে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ         ‘হাসপাতালে ভর্তির ৫ দিনেই ৪৮ শতাংশ মৃত্যু’         ‘অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়ান’         চলচ্চিত্র সাংবাদিক শফিউজ্জামান মারা গেছেন         বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের ৭৫ লাখ ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক