রবিবার, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮
০৯ মে ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

চতুর্থ ধাপে ভাসানচর পৌঁছেছে আরো ১ হাজার ১১ রোহিঙ্গা

উইমেনআই২৪ ডেস্ক: হাতিয়ার ভাসানচরে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের কাছে ইতিবাচক ধারনা পেয়ে মুগ্ধ হয়েছে কক্সবাজারে থাকা অনেক রোহিঙ্গা। এখন নিজেদের (রোহিঙ্গা) ইচ্ছায় অনেকে আসতে চায় ভাসানচরে। তারই ধারাবাহিকতায় চতুর্থ ধাপে মঙ্গলবার আরো ১ হাজার ১১ জন রোহিঙ্গা ভাসানচর পৌঁছেছে। এ নিয়ে মোট রোহিঙ্গার সংখ্যা হল ১০ হাজার ১৬ জন।

মঙ্গলবার সকালে চট্রগ্রামের বোটক্লাব থেকে ছেড়ে আসা রোহিঙ্গাদের বহনকারী নৌ-বাহিনীর তিনটি জাহাজ দুপুর আড়াইটার সময় পৌছায় হাতিয়ার ভাসানচরে। এই যাত্রায় এলেন ২৮৮ জন নারী, ২৩৭ জন পুরুষ ও ৪৮৬ জন শিশুসহ ১ হাজার ১১ জন রোহিঙ্গা। এটা রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ভাসানচর আসার চতুর্থ ধাপের দ্বিত্বীয় অংশ। এর আগে চতুর্থ ধাপের প্রথম অংশে সোমবার ২ হাজার ১০ জন রোহিঙ্গা ভাসানচরে পৌঁছেছে।

ভাসানচর থানার ওসি মো. মাহে আলম জানান, নিয়মানুযায়ী মঙ্গলাবার আসা রোহিঙ্গাদের প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এর পর নিয়ে যাওয়া হয় রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রায়ন প্রকল্পের ওয়্যার হাউজে। সেখানে তাদের ভাসানচরে বসবাসের বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারনা দেন নৌ-বাহিনীর সদস্যরা।

বরাবরের মতো মঙ্গলাবারও ভাসানচর অভিমুখী রোহিঙ্গাদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক। কারণ আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় গড়ে ওঠা পরিকল্পিত এই অস্থায়ী আবাসনের বিষয়ে বিস্তারিত জেনেই তারা ছেড়েছে উখিয়ার শরণার্থী ক্যাম্প। ভাসানচরে পৌঁছানোর পরে তাদের গ্রহণ করে নেওয়া হয় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে।

জানা গেছে, ভাসানচরে প্রথম দফায় এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা স্থানান্তরিত হয় গত বছরের ৪ ডিসেম্বর। এরপর ২৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় সেখানে পৌঁছায় আরও এক হাজার ৮০৪ জন। তৃতীয় দফায় ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি দুই ধাপে স্থানান্তরিত হয় তিন হাজার ২৪৩ জন। সাগরপথে অন্য দেশে পাড়ি দিতে ব্যর্থ হওয়া বোটে ভাসমান ৩০৬ রোহিঙ্গার আশ্রয় মিলেছিল আগেই। সবশেষে গতকাল সোমবার চতুর্থ ধাপের প্রথম অংশে এলেন ২হাজার ১০জন রোহিঙ্গা। সবমিলিয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত ভাসানচরে রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ হাজার ১৬জন।

কক্সবাজার অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দৌজা বলেন, স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক এরকম রোহিঙ্গাদের শুধু ভাসানচরে স্থানান্তর করা হচ্ছে। তবে গত কিছু দিন থেকে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের নিকট ভাসানচরের উন্নত পরিবেশের কথা শুনে এখন অনেকে রোহিঙ্গা যেতে ইচ্ছা ব্যক্ত করছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো ইমরান হোসেন বলেন, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ইতিমধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৫ শ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে। যাতে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরু হলে পরের কয়েক মাসে অন্তত আট লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এর আগে আসেন আরও কয়েক লাখ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ।

শীর্ষ সংবাদ:
গবেষণায় করোনাকালীন নারীদের নানা প্রতিকূলতা         যেই ক্ষোভে তানিশাকে হত্যা করলো চাচাতো ভাই         কাবুলের স্কুলে বিস্ফোরণে প্রাণহানি ৪০         সহসাই খুলছে না বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত         টিকার দাম কমাতে রাশিয়াকে চিঠি         তোফায়েল আহমেদ সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন         খালেদার বিদেশের ব্যাপারে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী         এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা         বাংলাদেশিদের মালয়েশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা         উদ্যানের বিষয়ে যা বললেন কাদের         শিমুলিয়া থেকে ছাড়ল ফেরি         গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ         কানাডায় কোভিড ভ্যারিয়েন্ট বাড়ছে         খালেদার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আজ         হাসপাতালে ভর্তি তোফায়েল আহমেদ         ইতালিতে করোনায় চার বাংলাদেশির মৃত্যু         জনকণ্ঠের চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের দাবি বিএফইউজে‘র         নির্মল বন্ধুত্ব চাই!         শনিবার থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ