মঙ্গলবার, ২৫ ফাল্গুন ১৪২৭
০৯ মার্চ ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

২০২০ সালে যেসব বরেণ্য ব্যক্তি চলে গেলেন মহাকালে

উইমেনআই২৪ ডেস্ক : 'জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথায় ভবে?'  ধরায় খ্যাতিমান কীর্তিমান সবাইকেই জাগতিক সংসার থেকে বিদায় নিয়ে চলে যেতে হয় অচীনপুরে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি,গণমাধ্যম, ক্রীড়া, চিকিৎসা, প্রশাসন, আইনবিভাগ, রাজনীতি, ব্যবসা- বানিজ্যি ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীসহ বিভিন্ন অঙ্গনে বাংলাদেশ হারিয়েছে তার কৃতি সন্তানদের।

ড. আনিসুজ্জামান

আনিসুজ্জামান (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৭ - ১৪ মে ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, লেখক ও জাতীয় অধ্যাপক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলন (১৯৫২), উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান (১৯৬৯) ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তার গবেষণা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।

ব্যারিস্টার রফিকুল হক

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক (২ নভেম্বর ১৯৩৫ — ২৪ অক্টোবর ২০২০) ছিলেন একজন আইনজীবী এবং দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল । ১৯৬০ সালে তিনি আইন পেশায় আসেন। ১৯৮৯-১৯৯০ সালে তিনি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুর্তজা বশীর

মুর্তজা বশীর (জন্ম: ১৭ আগস্ট ১৯৩২ - মৃত্যু: ১৫ আগস্ট ২০২০) একজন চিত্রশিল্পী, কার্টুনিস্ট এবং ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তার পিতা ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। 

চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত)

চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত) (১ জানুয়ারি, ১৯২৭- ২৫ আগস্ট, ২০২০) ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার। তিনি ৪নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

লে. কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরী 

লে. কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরী (জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯৩৬) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমাণ্ডার। শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে আহ্বায়ক করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিক, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'র অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। তিনি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২০ সালের ০৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকালে রাজধানীর সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

কামাল লোহানী

কামাল লোহানী (২৬ জুন ১৯৩৪ - ২০ জুন ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গঠিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংবাদ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের সংবাদ বেতারে তিনিই প্রথম পাঠ করেন। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৫ সালে বাংলাদেশে সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর

বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (৯ জানুয়ারি ১৯৩৬- ২৩ মার্চ ২০২০)[১] হলেন একজন বাংলাদেশি লেখক, চিত্র সমালোচক এবং শিক্ষাবিদ। তিনি ছোটগল্পে অবদানের জন্য ১৯৬৯ সালে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদত্ত বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের জন্য ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন।

ড. মোহাম্মদ আবদুল কাইউম

ড. মোহাম্মদ আবদুল কাইউম (জন্ম-১২ জানুয়ারি, ১৯৩১- মৃত্যু ১২ জুন, ২০২০)। নজরুল গবেষক ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাইউম শিক্ষালাভ করেন ঢাকা কলেজ, ঢাকা ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে । তিনি বিভিন্ন কলেজ, বাংলা একাডেমি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ‘নজরুল অধ্যাপক’ হিসেবে অধ্যাপনা করেন ।

রাহাত খান

রাহাত খান (১৯ ডিসেম্বর ১৯৪০ - ২৮ আগস্ট ২০২০)। একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি ৩২ টিরও বেশি উপন্যাস রচনা করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার এবং ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার একুশে পদক লাভ করেছিলেন। 

অধ্যাপক আলী আসগর

অধ্যাপক আলী আসগর ২০২০ সালের ১২ জুলাই মারা গেছেন। তিনি বিজ্ঞান আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে খ্যাত। অধ্যাপক আলী আসগর শিশু কিশোর ও বয়স্কদের জন্য লিখেছেন শতাধিক বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিজ্ঞান বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেও সুনাম অর্জন করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সব অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল আন্দোলনে বুদ্ধিবৃত্তিক অবদান রাখেন তিনি।

আলী যাকের

আলী যাকের (৬ নভেম্বর ১৯৪৪ - ২৭ নভেম্বর ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী অভিনেতা, ব্যবসায়ী ও কলামিস্ট। দেশীয় বিজ্ঞাপনশিল্পের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব যাকের টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে সমান জনপ্রিয়। আলী যাকের বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনী সংস্থা এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটি-র কর্ণধার ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লিখতেন। তার সহধর্মিনী সারা যাকেরও একজন অভিনেত্রী।

শিল্পকলায় অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, মুনীর চৌধুরী পদক, নরেন বিশ্বাস পদক এবং মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেছেন।

রশীদ হায়দার

রশীদ হায়দার (১৫ জুলাই ১৯৪১ - ১৩ অক্টোবর ২০২০) একজন বাংলাদেশী লেখক, ঔপন্যাসিক এবং গবেষক যিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০১৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

জামিলুর রেজা চৌধুরী

জামিলুর রেজা চৌধুরী (১৫ নভেম্বর ১৯৪২ - ২৮ শে এপ্রিল ২০২০) একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, অধ্যাপক, গবেষক এবং শিক্ষা অ্যাডভোকেট ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা (মন্ত্রী) ছিলেন (এপ্রিল-জুন ১৯৯৬)। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন এবং এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য। ২০০৩ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতিও ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসাবে ২০১৮ সালে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

জাফর আলম

জাফর আলম জন্ম ১৯৪৩ সাল-মৃত্যু ২০ জুন ২০২০। সাংবাদিকতা দিয়ে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭৫ সালে সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে জ্যেষ্ঠ উপপ্রধান তথ্য অফিসার হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। গুরুতর অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত তিনি লেখালেখির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন।

আবুল হাসনাত

আবুল হাসনাত (জন্ম- ১৭ জুলাই ১৯৪৫ মৃত্যু- ১ নভেম্বর ২০২০)। তিনি একাধারে সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলমের সম্পাদক, কবি ও সাংবাদিক। আবুল হাসনাত সাহিত্যে তার ছদ্মনাম ছিল মাহমুদ আল জামান। ‘জ্যোৎস্না ও দুর্বিপাক, 'কোনো একদিন ভুবনডাঙায়’, ‘ভুবনডাঙার মেঘ ও নধর কালো বেড়াল’ আবুল হাসনাতের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

জিয়াউদ্দিন তারিক আলী 

জিয়াউদ্দিন তারিক আলী (১৯৪৫-২০২০) একজন বাংলাদেশী সংস্কৃতিকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি ছিলেন। জিয়াউদ্দিন তারিক আলীর জন্ম ১৯৪৫ সালে। পেশায় প্রকৌশলী তারিক আলী যৌবনের শুরু থেকেই ছিলেন সঙ্গীত নিবেদিত। বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে তার সঙ্গীতশিক্ষণ এবং ছায়ানটের সঙ্গে আজীবন সম্পৃক্ততা। ১৯৭০-৭১ সালে গণসঙ্গীতের দলের হয়ে রাজপথে গান গেয়ে বেরিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে লড়াইয়ে যোগ দেন। মুক্তিসংগ্রামী শিল্পী দলের সদস্য হয়ে শরণার্থী শিবির, মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প, মুক্ত এলাকায় যোদ্ধাদের গানের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধকরণে এ দলের ছিল বিশেষ ভূমিকা।

সাইদা খানম

সাইদা খানম (২৯ ডিসেম্বর ১৯৩৭ - ১৮ আগস্ট ২০২০) ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী। বেগম পত্রিকার মাধ্যমে সাইদা খানম আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। তার ছবি ছাপা হয় দৈনিক অবজারভার, মর্নিং নিউজ, ইত্তেফাক, সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। আলোকচিত্রী হিসেবে দেশেও দেশের বাইরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নেন তিনি। তিনি বাংলা একাডেমি ও ইউএনবির আজীবন সদস্য ছিলেন।

সুফিয়া আহমেদ

সুফিয়া আহমেদ (২০ নভেম্বর, ১৯৩২ - ৯ এপ্রিল, ২০২০ ) হলেন একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ। তার জন্মগত নাম ইবরাহিম। ১৯৯৪ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক নির্বাচিত হন। ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

মকবুলা মনজুর 

মকবুলা মনজুর বা মোকবুলা মনজুর (জন্ম ১৯৩৮-মৃত্যু ৩ জুলাই,২০২০) একজন জাতীয় খ্যাতিমান বাংলাদেশী লেখক ও ঔপন্যাসিক। তাঁর সাহিত্য রচনাগুলি আধুনিক বাংলাদেশী সাহিত্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করা হয়। লেখক সৈয়দুর রহমান তাকে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, সেলিনা হোসেন এবং হাসান হাফিজুর রহমানের সাথে একসাথে আধুনিক বাংলাদেশী সাহিত্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অবদানকারী হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

সাঈদ হায়দার 

সাঈদ হায়দার (আনুমানিক ২০ ডিসেম্বর, ১৯২৫-১৫ জুলাই ২০২০) একজন চিকিৎসক, লেখক ও ভাষা সৈনিক ছিলেন। তিনি ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি একুশের চেতনা পরিষদের সহসভাপতি ও প্রথম শহীদ মিনারের অন্যতম সহযোগী নকশাবিদ। ভাষা আন্দোলনে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ তাকে একুশে পদক প্রদান করে।

মোহাম্মদ নাসিম

মোহাম্মদ নাসিম (২ এপ্রিল ১৯৪৮ – ১৩ জুন ২০২০) বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী। তিনি ১৯৯৬ সালে স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৬ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র হিসাবে ছিলেন।

আজাদ রহমান

আজাদ রহমান (১ জানুয়ারি ১৯৪৪ - ১৬ মে ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ও সঙ্গীতশিল্পী। পাশাপাশি তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত ও খেয়াল গানের চর্চা করেতেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

সাহারা খাতুন

সাহারা খাতুন (১ মার্চ ১৯৪৩ - ৯ জুলাই ২০২০ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও আইনজীবী যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন।[৫] শেখ হাসিনার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। তিনি আওয়ামী লীগের আইন সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মুনীরুজ্জামান

মুনীরুজ্জামান (মৃত্যু ২৪ নভেম্বর,২০২০) নব্বইর দশকের শুরুতে সিপিবি ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। পরে সাংবাদিকতায়  সক্রিয় হন। পূর্ব থেকেই তিনি সাপ্তাহিক একতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সাপ্তাহিক যায়যায়দিন ও পরে দৈনিক সংবাদে সাংবাদিকতা করেন।  মৃত্যুকালে তিনি সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন।

মাহবুবে আলম

মাহবুবে আলম (১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ - ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০) ছিলেন একজন মনোনীত প্রবীণ পরামর্শক এবং বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি ১৩ জানুয়ারী ২০০৯ থেকে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত হন। তিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ছিলেন। তিনি এর আগে এর আগে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে ১৫ নভেম্বর ১৯৯৮ থেকে ৪ অক্টোবর ২০০১ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

মান্নান হীরা

মান্নান হীরা (জন্ম ১৯৫৬-মৃত্যু ২৩ ডিসেম্বর ২০২০)  প্রধানত তিনি নাট্যকার হলেও মঞ্চের অন্যান্য শাখার সঙ্গেও তাঁর নিবিড় সম্পর্ক ছিল। সব সময় তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন মঞ্চনাটক, টেলিভিশন ও পথনাটক রচনায়। তাঁর নাটকের  প্রধান উপাদান নিরন্ন মানুষ ও দরিদ্র জনপদ। বিশেষ করে তার পথনাটক বিশাল কৃষিজীবী মানুষ, তাদের উৎপাদন ও উপকরণ কেন্দ্র করে লেখা। তীক্ষ্ণ সংলাপের ঘাত–প্রতিঘাতে মান্নান হীরার নাটক যেমন অভিনয় উপযোগী, তেমনি সুখপাঠ্য।

এম এ হাসেম

এম এ হাসেম (জন্ম ৩০ আগস্ট ১৯৪৩ মৃত্যু ২০ ডিসেম্বর ২০২০)  ১৯৬২ সালে তামাকের ব্যবসার মাধ্যমে তাঁর ব্যবসায়ী জীবনের সূচনা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি উৎপাদন ও পরিষেবাবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন ফার্নিচার, বোর্ড, খাদ্য ও পানীয়, প্লাস্টিক, কাগজ, তুলা, সুতা, পাট, রিয়েল এস্টেট, টেক্সটাইল, শিপিং, অ্যাগ্রো, গার্মেন্টস, এরোমেরিন লজিস্টিকস ইত্যাদি গড়ে তোলেন।

এম এ হাসেম দেশের দুটি বেসরকারি ব্যাংক—সিটি ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি জনতা ইনস্যুরেন্স প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি নোয়াখালীর এম এ হাসেম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

আলাউদ্দিন আলী

আলাউদ্দিন আলী (২৪ ডিসেম্বর ১৯৫২ - ৯ আগস্ট ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সুরকার, বেহালাবাদক, সঙ্গীতজ্ঞ, গীতিকার এবং সঙ্গীত পরিচালক। তিনি সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে সাতবার এবং গীতিকার হিসেবে একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

এন্ড্রু কিশোর কুমার বাড়ৈ

এন্ড্রু কিশোর কুমার বাড়ৈ (মঞ্চনাম এন্ড্রু কিশোর হিসাবেই অধিক পরিচিত; ৪ নভেম্বর ১৯৫৫ - ৬ জুলাই ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী গায়ক। তিনি বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, যে'জন্য তিনি 'প্লেব্যাক সম্রাট' নামে পরিচিত। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে "জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প", "হায়রে মানুষ রঙ্গীন ফানুস", "ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে", "আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি", "আমার বুকের মধ্যে খানে", "আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন", "ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা", "সবাই তো ভালোবাসা চায়" প্রভৃতি।

খন্দকার শহীদ উদ্দিন ফিরোজ

খন্দকার শহীদ উদ্দিন ফিরোজ (১৯৪৪-২০২০) একজন বাংলাদেশী অভিনেতা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি মঞ্চ এবং ছোট ও বড় পর্দায় যুগপৎ অভিনয় করেছেন; নাট্যদল থিয়েটারের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও সভাপতি ছিলেন। নিজ নাট্যদলের হয়ে অভিনয় করেছেন কিং লিয়ার, সাতঘাটের কানাকড়ি, রাক্ষসী সহ বেশ কয়েকটি মঞ্চ নাটকে। ‘সাতঘাটের কানাকড়ি’ ঢাকার মঞ্চের একটি আলোচিত ও প্রশংসিত নাটক।

১৯৬৮ সালে তিনি প্রথম টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেন। প্রথম অভিনীত টিভি নাটকের নাম ‘তবুও দ্বীপ জ্বলে’। অভিনয় জীবনে পাঁচ শতাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন।

মো. ইসরাফিল আলম

মো. ইসরাফিল আলম (১৩ মার্চ ১৯৬৬ - ২৭ জুলাই ২০২০) বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ যিনি নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। মো: ইসরাফিল আলমের পৈতৃক বাড়ি নওগাঁও জেলার রাণীনগর উপজেলার ঝিনা গ্রামে। তিনি এমবিএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন।
পেশায় ব্যবসায়ী মো: ইসরাফিল আলম রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি দুইবার সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ও ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের তিনবার নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

সাদেক বাচ্চু 

সাদেক বাচ্চু জন্ম (১ জানুয়ারি ১৯৫৫ মৃত্যু ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০)  বাংলা চলচ্চিত্রে তিনি নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। জীবনে শেষ বছরগুলোয় অভিনয়ে অনিয়মিত ছিলেন সাদেক বাচ্চু। তাঁকে নতুন নাটক বা চলচ্চিত্রে কম দেখা যেত। এর আগে পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে মঞ্চ, বেতার, টেলিভিশন ও সিনেমায় ছিল তাঁর পদচারণ। নব্বইয়ের দশকে পরিচালক এহতেশামের ‘চাঁদনী’ ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। রেডিও বা টেলিভিশনের আগে তিনি অভিনয় শুরু করেন মঞ্চে। তাঁর নাট্যদলের নাম মতিঝিল থিয়েটার। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দলটির সভাপতি ছিলেন। চলতি বছর বইমেলার মুক্তমঞ্চে নাটক নিয়ে ওঠে তাঁদের দলটি।

ইশরাত নিশাত

ইশরাত নিশাত (মৃত্যু ১৯ জানুয়ারি) ‘দেশ নাটক’ নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মঞ্চে একাধারে অভিনেত্রী, নির্দেশক ও আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে খ্যাতি ছিল তাঁর। তাঁর নির্দেশনায় ‘দেশ নাটকে’র প্রযোজনা ‘অরক্ষিতা’ প্রশংসিত হয়। নাসির উদ্দীন ইউসুফের আলোচিত ‘আলফা’ চলচ্চিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। অনেক নাটকে ও আবৃত্তি প্রযোজনায় মঞ্চ ও আলোক নির্দেশকের কাজ করে সংস্কৃতি অঙ্গনে তিনি নিজেকে করে তুলেছিলেন অনন্য।

হুমায়ুন কবির খোকন

হুমায়ুন কবির খোকন (মৃত্যু-২৮ এপ্রিল ২০২০) গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর। তিনি ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ছিলেন। তিনি দৈনিক আমাদের সময় ও আমাদের অর্থনীতির প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আবদুল কাদের

আবদুল কাদের (জন্ম ১৯৫১-মৃত্যু ২৬ ডিসেম্বর ১৯২০ ) স্কুলজীবন থেকেই অভিনয় শুরু করেন।  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অমল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর প্রথম নাটকে অভিনয়। ১৯৭২-৭৪, পরপর তিন বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মহসিন হল ছাত্র সংসদের নাট্য সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৭২ সালে আন্তহল নাট্য প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন মহসিন হলের নাটক সেলিম আল দীন রচিত ও নাসির উদ্দীন ইউসুফ নির্দেশিত ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’-এ অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার পেয়েছিলেন।

বাদল রায়

বাদল রায় (জন্ম ৪ জুলাই ১৯৫৭ মৃত্যু ২২ নভেম্বর ২০২০) বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। ক্লাব পর্যায়ে দুই দশকেরও বেশি সময় তিনি খেলেছেন ঢাকা মোহামেডানের হয়ে। ১৯৭৭ সালে মতিঝিল এলাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির বিখ্যাত সাদা-কালো জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল তার।

খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর ফুটবল সংগঠক হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছিলেন বাদল। প্রিয় ক্লাব মোহামেডানের কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি পদেও আসীন ছিলেন।

লতিফুর রহমান

লতিফুর রহমান (২৮ আগস্ট ১৯৪৫ - ১ জুলাই ২০২০) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি। তিনি দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা দুইটির প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের বাজারে আন্তর্জাতিক ফাস্টফুড চেইন পিৎজা হাট ও কেন্টাকি ফ্রাইড চিকেন প্রচলনের জন্য সমধিক পরিচিত। ব্যবসায়ে নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১২ সালে বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড পান।

নুরুল ইসলাম বাবুল 

নুরুল ইসলাম বাবুল (৩ মে ১৯৪৬ - ১৩ জুলাই ২০২০) একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।[১] তিনি বাংলাদেশের একজন শিল্পোদ্যোক্তা ও যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সেলিম আহমেদ 

সেলিম আহমেদ (মৃত্যু ২৩ ডিসেম্বর ২০২০) একাধারে অভিনেতা, শিল্পনির্দেশক ও প্রচ্ছদশিল্পী। প্রায় ১০ বছর আগে সেলিম আহমেদ অভিনয় শুরু করেন। তাঁর অভিনীত প্রথম নাটক ছিল জয়িতা। এরপর তিনি গোলাম মুক্তাদির পরিচালিত লোটাকম্বল ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। অভিনয়জীবনে তিনি একক, ধারাবাহিক ও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। আশির দশক থেকে প্রচ্ছদশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। স্ত্রী, দুই ছেলেসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ডা. মঈন উদ্দিন

ডা. মঈন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং এখন পর্যন্ত দেশে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা একমাত্র ডাক্তার।

মহিউদ্দিন বাহার 

মহিউদ্দিন বাহার (১৯৪৭-২০২০) একজন বাংলাদেশী টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অভিনেতা ও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।[১] তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে অবসর নেন। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে নির্মিত নাটিকায় অভিনয় করেছেন। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় তার স্বভাবসুলভ অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়তো।

তাসলিম আহমদ

তাসলিম আহমদ। যুক্তরাষ্ট্রের একজন বাংলাদেশি আমেরিকান চিকিৎসক (১১ মে ২০২০) করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

ড. সা'দত হুসাইন

ড. সা'দত হুসাইন (২৪ নভেম্বর ১৯৪৬ - ২২ এপ্রিল ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী আমলা এবং দেশের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন'-এর নবম চেয়ারম্যান।[২] এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রধান তথা বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

হুসাইন একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ এর প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারে তিনি কাজ করেছিলেন। চাকুরী জীবনে তিনি সততা, কর্মদক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন। তিনি ছিলেন নিয়মানুবর্তী ও নীতিপরায়ণ।[৩][৪]

অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ

অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ (১৫ ডিসেম্বর ১৯৩৩ – ১৭ জুলাই ২০২০) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

আবদুল মোনেম

আবদুল মোনেম (৫ জানুয়ারি ১৯৩৭ - ৩১ মে ২০২০) ছিলেন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও শিল্পদ্যোক্তা। তিনি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আবদুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা।

সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথের

সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথের (১৫ জানুয়ারি, ১৯৩৩ - ৩ মার্চ ২০২০) ছিলেন একজন বাংলাদেশী বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় পণ্ডিত। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি এবং বিশ্ব বৌদ্ধ ভ্রাতৃত্ব সংঘের সহ-সভাপতি ছিলেন। সমাজসেবায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

মুশাররাফ করিম

মুশাররাফ করিম (৯ জানুয়ারি, ১৯৪৬ - ১১ জানুয়ারি ২০২০) ছিলেন সত্তর দশকের একজন বাঙালি কবি। তিনি কবিতায় লোকজ শব্দ ব্যবহারের জন্য পরিচিত। এই বাংলাদেশী কবি একাধারে শিশু সাহিত্যিক এবং ঔপন্যাসিক। জীবিকাসূত্রে তিনি সাংবাদিক ছিলেন। শিশুসাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০০৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

 হায়দার আনোয়ার খান জুনো

 হায়দার আনোয়ার খান জুনো (জন্ম ১৯৪৪ মৃত্যু ২০২০) কমিউনিস্ট নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

সাইফুল আজম

সাইফুল আজম (জন্ম-১৯৪১ মৃত্যু- ১৪ জুন ২০২০) ছিলেন বাংলাদেশী বৈমানিক ও রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, জর্ডান ও ইরাকের বিমানবাহিনীর বৈমানিকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরায়েলি ছয় দিনের যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধে তিনি চারটি ইসরায়েলি বিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম হন, যা এখন পর্যন্ত একটি রেকর্ড। ১৯৭১ সালের পূর্বে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। বৈমানিক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহিনী তাঁকে বিশ্বের ২২ জন লিভিং ঈগলের (জীবন্ত বাজপাখি) একজন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ

মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ (মৃত্যু ২০২০) বাংলাদেশ টেলিভিশনের অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকের নির্মাতা ও টিভি ব্যক্তিত্ব।

বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী

বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী (জন্ম ১৯৪৮ মৃত্যু ২০২০) বিশিষ্ট কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।