বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭
০৩ মার্চ ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

‘ঘুরে দাঁড়াবো আবার,সবার জন্য মানবাধিকার’

ইমদাদ ইসলাম : ‘ঘুরে দাঁড়াবো আবার,সবার জন্য মানবাধিকার’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যয় বাংলাদেশ ও পালিত হচ্ছে  মানবাধিকার দিবস। মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জাতিসংঘের আহবানে  প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর এ দিবসটি পালন করা হয়।এবছর কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক সংকট বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো মানবিক বিপর্যয়। করোনা ভাইরাসের মহামারির ফলে বিশ্বে তৈরি হয়েছে এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। দেশে দেশে চলছে লকডাউন। সবকিছু বন্ধ করে এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার নিরন্তর চেষ্টা। ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ এর কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটেছে।করোনা সংক্রমণের চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক সংকট কর্মহীনতা মানুষকে এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এর থেকে দ্রুত পরিত্রানের কোনো পথ নেই।

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হয়। সে থেকে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে বিশ্বব্যপী পালিত হচ্ছে। মানবাধিকারের অন্তর্নিহিত বিষয় হচ্ছে 'মানুষ' ও 'অধিকার'।  মানবাধিকার বলতে মানুষ যা নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে এবং যা মানুষকে বিকশিত করতে সাহায্য করে তাই মানবাধিকার। এটি হরণ করলে মানুষ আর মানুষ থাকে না।জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের মুখবন্ধে মানব পরিবারের সকল সদস্যের সমান ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার সমূহ  এবং সহজাত মর্যাদার স্বীকৃতিই হচ্ছে বিশ্বে শান্তি, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তি মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘোষণাপত্রে মোট ত্রিশটি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধারাগুলো সকল সদস্য রাষ্ট্র ও তাদের অধীনস্ত ভূখণ্ডের জাতিসমূহ উওরোত্তর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়াসের মাধ্যমে এই অধিকার ও সাধীনতাসমূহের সার্বজনীন ও কার্যকর স্বীকৃতি আদায় এবং যথাযথ পালন নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে।

মানবাধিকার হলো সকলের অধিকার, কোনো শ্রেণি বা দলের নয়।সকল মানুষের সমান অধিকার, কারো কম বা বেশি নয়।মানবাধিকার কোনো বিশেষ মর্যাদা বা সম্পর্কের উপর নির্ভরশীল নয়।অকারণে এ অধিকার খর্ব করা যায় না।
 

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রেও মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায় বিচারের অঙ্গীকার করা হয়েছে।  ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের প্রতি সম্মান জানিয়ে মানবাধিকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। আমাদের সংবিধানের ৩য় বিভাগে মৌলিক অধিকারের (২৬-৪৭ অনুচ্ছেদ) বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এগুলো জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের সাথে সামজস্যপূর্ণ।বঙ্গবন্ধুর সুযেগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে একটি মানবিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। কোভিড-১৯ এর কারণে লকডাউনের সময়ও মানবাধিকার কমিশন অনলাইনে তাদের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন "মুজিববর্ষের অঙ্গীকার : সুরক্ষিত হবে মানবাধিকার" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বর্ষ উদযাপন করছে। এলক্ষ্যে 'বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার' শিরোনামে দেশের সকল শিক্ষা  প্রতিষ্ঠানের (মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা) নবম ও দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি ও সমমানের ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইন/ সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। করোনা দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীগণ অনলাইনে রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্দিষ্ট ইমেইল বা অন্য কোনো মাধ্যমে রচনা জমা দিয়েছে। নবম ও দশম (সমমানের)  শ্রেণির প্রতিযোগী সমন্বয়ে 'ক' গ্রুপ সর্বোচ্চ ৭ শত শব্দ এবং একাদশ ও দ্বাদশ ( সমমানের)  প্রতিযোগী সমন্বয়ে 'খ' গ্রুপ সর্বোচ্চ ১ হাজার ২ শত শব্দের রচনা নির্ধারিত ছিল। প্রাপ্ত সকল রচনা জেলা বাছাই কমিটি বাছাই করে দুই গ্রুপ থেকে দশটি করে মোট বিশটি রচনা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে প্রেরণ করেছে। কমিশনের বিশেষজ্ঞ প্যানেল ৬৪ জেলা থেকে প্রাপ্ত মোট ১ হাজার ২৮০ টি রচনার মধ্যে থেকে প্রথমে প্রতিগ্রুপ থেকে ৫০ টি করে মোট ১ শতটি বাছাই করেছে। এ একশতটি বাছাইকৃত রচনা নিয়ে কমিশন 'নতুন প্রজন্মের মননে বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার' শিরোনামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করবে। এছাড়াও বাছাইকৃত ১ শতটি রচনার প্রতিযোগীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার বিষয়ে অনলাইনের মাধ্যমে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উভয় গ্রুপ থেকে সেরা দশজন করে মোট বিশজনকে নির্বাচন করা হবে। মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিতব্য অনুষ্ঠানে প্রতি বিভাগ থেকে তিনটি সেরা উপজেলা ও একটি সেরা জেলাকে সন্মননা প্রদান করা হবে। এছাড়াও সেরা ২০ জন প্রতিযোগীকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীকে সার্টিফিকেট ও মানবাধিকার কমিশনের লোগো সম্বোলিত কলম প্রদান করা হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ যার মাধ্যমে ভুক্তভুগীরা উপকৃত হয়েছেন এবং বিষয়গুলো সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে- আসামির নাম, বাবার নামের ও ঠিকানার একাংশের মিল থাকায় বাগেরহাটের সালাম ঢালী বিনা অপরাধে জেলে থাকার বিষয়টি জানার পর মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাকে মুক্ত করা হয়। রাজধানীর মিরপুরের শিশু গৃহকর্মী খাদিজাকে নির্যাতনের বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার মাধ্যমে খাদিজার বিচার পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ায় দোষী ব্যক্তিদের চিন্হিত করে ব্যবস্হা গ্রহণের মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও সাময়িক সাহায্য হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮ সালে চিকিৎসাধীন জনৈকা রওশন আরার খারাপ কিডনির সাথে ভালো কিডনিটিও কেটে ফেলে দেওয়া হয়।ভিকটিমের ছেলে এর বিচারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করেছেন; বিষয়টি জানার পর মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপে সংশ্লিষ্ট থানা মামলা নিয়েছে। কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোঃ রাশেদ এর বিষয়টি আমলে নিয়ে বিচার বহিঃ ভূত হত্যা বন্ধ করতে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয়কে পত্র দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণসহ নির্যাতনের শিকার নারীদের পাশে মানবাধিকার কমিশন সব সময় আছে। নারীদের মানবাধিকার রক্ষায় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তাসহ নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে। লালমনিরহাটে তথাকথিত ধর্ম অবমাননার জন্য এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে এবং পুড়িয়ে মারার ঘটনা তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশ কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির একটি সংকটময় সময় অতিক্রম করেছে। ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে লক্ষ লক্ষ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল বিলম্ব না করে এহেন দুর্যোগের সময় জাতির সামনে করোনা মোকাবিলায় সর্বমোট বিভিন্ন প্যাকেজে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশাল প্রণোদনা ঘোষণা করেন এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।

ভাইরাসজনিত কারণে কর্মহীনতা ও আয়ের সুযোগ হ্রাসের কবল থেকে দেশের অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতা বৃদ্ধি করা হয়। এরমধ্যে সারা দেশে নির্বাচিত ৫০ লাখ উপকারভোগী পরিবারের প্রত্যেককে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়। অতি দরিদ্র ১ শতটি উপজেলার  বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা শতভাগে উন্নিত করা হয়। মানবিক সহায়তা হিসেবে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি গৃহহীন মানুষের জন্য  গৃহ নির্মাণের ব্যবস্হা করা হয়েছে। ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হয়েছে। দেশে প্রতিটি মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনকে ঈদুল ফিতরের উপহার হিসেবে জনপ্রতি ২ হাজার ৫ শত টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। দেশের নন- এমপিও, কারিগরি মাদ্রাসা ও ইফতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫১ হাজারের ও বেশি শিক্ষককে ৫ হাজার টাকা করে এবং ১০ হাজারের ও বেশি কর্মচারীকে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।  বিনামূল্যে কোভিট-১৯ এর চিকিৎসার ব্যবস্হা করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে সকল সেক্টরের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী  কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ফ্রন্টলাইনার হিসেবে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্হ্যকর্মী,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম কর্মী ও সরকারের দায়িত্বশীল বিভিন্ন দপ্তর দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং করছে।

পৃথিবীর অত্যাচারিত ও অতি নিপীড়িত একটি জাতিসত্তার নাম রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের অত্যাচারের (জাতিগত নিধন)  ফলে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ ভয়ে বাংলাদেশ পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়।প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশ আশ্রয় নিতে গিয়ে শত-শত রোহিঙ্গা নারী ও শিশু মারা যায়। এসব অসহায় উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশ মানবতার এক মহান দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় এসব উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়ান। বিশ্বের বিবেকবান মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চ্যানেল ফোর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে 'মাদার অব হিউম্যানিটি' অভিধায় ভূষিত করে। এছাড়াও ২০১৬ সালে শান্তিতে নোবেল জয়ী কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে "বিশ্ব মানবতার বিবেক" হিসেবে উল্লেখ করেন। আরেক নোবেল জয়ী কৈলাশ সত্যার্থী "বিশ্ব মানবতার আলোকবর্তিকা" হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উল্লেখ করেন।

আইনে শাস্তিযোগ্য সব কর্মকাণ্ডই অপরাধ। অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের বিচার ব্যবস্হায় যাদের ভূমিকা রয়েছে তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় না। এজন্য দায়িত্বশীল সকলকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। দেশকে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। মানুষকে আরও মানবিক হতে হবে। মানুষের মধ্যে মানবিক বোধ জাগ্রত হলে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা সার্থক হবে। 

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

লিড