রবিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭
০৭ মার্চ ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

শিশুকে ভাব প্রকাশে সুযোগ দিন

উইমেনআই২৪ ডেস্ক : বিজ্ঞান বলে ১ থেকে ৫ বছর পযন্ত শিশুর মস্তিষ্ক বিকশিত হয়। এ সময় শিশুর প্রতি কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। তবে এরপর থেকে মা-বাবা হিসাবে আপনাকে সব রকম উপায় অবলম্বন করতে হবে। কখনো নরম গলায় বা সহজ সরলভাবে বুঝিয়ে আবার কখনো বা তিরস্কার করে এবং কঠোরভাবে শাসিয়ে, কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা পরীক্ষা করার জন্য এমনটা করা হয়।

কিন্তু যখন আপনার সন্তান এসব শাসন বারণ অবহেলার দৃষ্টিতে দেখে বা তাদের কাজগে তুচ্ছ ব্যাপার মনে হয়, তখন কী করবেন? যেসব শিশু প্রায় বকাঝকা শোনে বা শাস্তি পায়, এক পর্যায়ে নিয়মিত শাস্তি পাওয়াটা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়। এই অবস্থায় মা-বাবার জন্য কয়েকটি কার্যকরী করণীয় প্রকাশ করছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কার্যকরী উপায় ভাবুন : আপনার শিশুর জন্য কী ধরণের শাস্তি কার্যকরী সেদিকে নজর দিন এবং তা কেবল যখন শিশু অবাধ্য হয়ে যায় তখনই এটি অবলম্বন করুন। তবে এত বেশি কঠোর হবেন না, যা তার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।

ভাব প্রকাশের সুযোগ দিন : আপনার শিশুকে ব্যাপারটি বুঝতে দিন। যখন সে কথা বলার সময় খারাপ ব্যবহার বা অমার্জিত আচরণ বা কথা বার্তায় কীভাবে সে মানুষের মনে ব্যথা দিতে পারে সে ব্যাপারে সচেতন করে তুলুন।

শিশুর সাথে আলোচনা করুন : আপনার শিশু যে ভুল করেছে তা বোঝাতে আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো, বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করা। আপনার শিশুকে কখনোই তর্ক বিতর্কের যাওয়ার সুযোগ দেবেন না, কারণ এটি আগুনে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।

প্রশংসা করুন : শিশুর সামনে তাকে নিয়ে প্রশংসা করুন। তবে বেশি প্রশংসা আবার ক্ষতির কারণও হতে পারে। যখন ব্যাপারগুলো সীমা লঙ্ঘন করে এবং অন্য কোনো সমাধান পাওয়া যায় না তখন আপনি কেবল শাস্তির আশ্রয় নেবেন। আপনার শিশুর সাথে কথা বলুন এবং যখনই সে কোনো ভালো কাজ করে তখক্ন তার প্রশংসা করুন। তার আচরণকে সংযত করতে শেখান এবং রাগের সময়ও যেন পিন পতন নীরব থাকে সেই অভ্যাসও তৈরি করুন।