রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
সর্বশেষ

শৈশব নির্যাতন থেকে স্বপ্নের উড়ান ইয়েমেনের প্রথম পরিচালক খাদিজার

শৈশব নির্যাতন থেকে স্বপ্নের উড়ান ইয়েমেনের প্রথম পরিচালক খাদিজার

মুজতবা সাউদ

খাদিজা আল সালামি। ইয়েমেনের সানায় জন্ম নেয়া আরবি ভাষার এই নারী পরিচালকের জীবনটাই এক বেদনাদায়ক কাহিনী। মাত্র ১১ বছর বয়সেই সৎ পিতার পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন, ইয়েমেনের প্রথম নারী পরিচালক খাদিজা আল সালামি । সে সময় তার নানি জোর করে খাদিজার বিয়ে দেয়। ইচ্ছার বিরুদ্ধেই স্বামী তাকে বলৎকার করে। তিনি তার নিজের চাচার বাসায় চলে যান। সেখানে খুব কস্ট করে লেখাপড়া শুরু করেন। ১৬ বছর বয়সে খাদিজা স্কলারশীপ পান। এরপর পড়াশোনার জন্য তাঁকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। যোগাযোগ বিষয়ে তিনি মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর মনোনিবেশ করেন চলচ্চিত্র পরিচালনায়। দশটিরও বেশি ছবি বানিয়েছেন তিনি। চলচ্চিত্র নির্মাণ করে ইয়েমেনের খাদিজা আল সালামি অস্কার নমিনেশন সহ পেয়েছেন বেশ কটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার, নমিনেশন এবং সম্মাননা। বিশ্ব চলচ্চিত্রে তৈরি করে নিয়েছেন নিজস্ব পরিচিতি। খাদিজা আল সালামির যে ছবিটি শুধু ইয়েমেনেই নয়, বিশ্ব চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে আলোচিত হয়ে আসছে, সেই ছবিটির নাম বেশ লম্বা। আরবি ভাষার পাশাপাশি এর যে ইংরেজি নাম দেয়া হয়েছে তা হলো, "আই এম নোজুম, এইজ টেন এন্ড ডিভোর্সড"। ছবির মুখ্য চরিত্রের নাম জেমিনি। দশ বছরের মেয়ে। তার বোনকে ভয়ঙ্কর ভাবে ধর্ষিত হতে দেখে ছুটে আসে আদালতে। বিচারকের কাছে দাবি করে অসম্মতিতে জোর করে বিয়ে দেয়া বন্ধ করার এবং ডিভোর্স মঞ্জুর করার। সে সোচ্চার হয় পাশবিকতার শিকার মেয়েদেরই সামাজিক ভাবে হেয় করার বিরুদ্ধে। এর পরিচালক খাদিজা আল সালামি ১১ নভেম্বর ইয়েমেনের সানায় জন্মগ্রহণ করেন। শুভেচ্ছা এই আরবি ভাষার নারী পরিচালককে।

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

লিড