বৃহস্পতিবার, ৬ কার্তিক ১৪২৭
২২ অক্টোবর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
যুক্ত থাকুন

আর্কাইভ
আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com সংস্কারের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
সর্বশেষ

শান্তি মিশনে আরেক অর্জন

শান্তি মিশনে আরেক অর্জন
  • কঙ্গোয় বাংলাদেশের নারী পুলিশ

ওমেনআই ডেস্ক : জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালিত ডিআর কঙ্গোর কিনসাসা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সুরক্ষার দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যরা। বিদেশের মাটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরের সুরক্ষার দায়িত্ব পাওয়া দেশের জন্য অনেক বড় সম্মানের। শান্তিরক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের এটি আরেক নতুন অর্জন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে বিশ্বের নানাপ্রান্তে দায়িত্ব পালনকারীরা ‘ব্লু হেলমেটধারী’ হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের প্রতীক ‘ব্লু হেলমেট’। কয়েক দশক ধরে শান্তি মিশনে গৌরবের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা। কিছু দিন আগেই জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ফের শীর্ষে উঠে এসেছিল। শান্তিরক্ষী হিসেবে বিশ্বের নানাপ্রান্তে চ্যালেঞ্জ নিয়ে দায়িত্ব পালন করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন ব্লু হেলমেটধারীরা।

গতকাল পুলিশ সদর দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিনসাসা বিমানবন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বাংলাদেশ থেকে আট হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরের এই বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় রয়েছেন ব্যানএফপিইউ-১, রোটেশন-১৪ এর শান্তিরক্ষীরা। এটির সুরক্ষা দিতে পেরে পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত গর্বিত।

রোটেশন-১৪ এর কমান্ডার মেরিনা আক্তার বলেন, ‘শুধু দেশের মাটিতে নয়, বিদেশ বিভুঁইয়ে জাতিসংঘের পতাকাতলে অত্যন্ত মর্যাদা ও গর্বের সঙ্গে আমরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। কঙ্গোর এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অবশ্যই বিরাট চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা আশাবাদী, বরাবরের মতোই এবারও আমরা সফল হব। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট মেনে আমরা নির্মোহভাবে কঙ্গোবাসীর জন্য শান্তির অভিপ্রায়ে নিরন্তর কাজ করে চলেছি।’

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীদের এই অভিযাত্রা কঙ্গোবাসীর মনে নতুন আশা জাগিয়েছে।

বর্তমানে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইথিওপিয়া। এই তালিকায় বর্তমানে পাকিস্তানের অবস্থান পঞ্চম। সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ মিলে বর্তমানে ৬ হাজার ৭৩১ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত রয়েছেন।

১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা। ওই বছর ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দলে ১৫ জন সামরিক পর্যবেক্ষক পাঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেই থেকে শুরু শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে লাল-সবুজের বাংলাদেশের যাত্রা। এরপর দিন দিনই আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় দেশের সাফল্যে নতুন নতুন পালক যুক্ত হয়েছে, যা বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন এক মর্যাদায় নিয়ে গেছে। নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দেয় ১৯৯৩ সালে। আর পুলিশ নামিবিয়া মিশনের মধ্য দিয়ে ১৯৮৯ সালে শান্তিরক্ষী মিশনে যাত্রা শুরু করে। পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীরাও নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন।

Mujib Borsho

সর্বশেষ সংবাদ

লিড

শীর্ষ সংবাদ:
নিহত ভাইয়ের পরিবারের চারজনকে একাই হত্যা করেন রায়হানুল         আইপিএল খেলতে দেশ ছাড়লেন সালমা-জাহানারা         চাঁদনি চকের বলাকা মার্কেটে আগুন নিয়ন্ত্রনে         করোনার কারণে বিশ্ব বাণিজ্য নিম্নমুখী: জাতিসংঘ         স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজার আনুষ্ঠানিকতা পালনের আহ্বান সম্প্রীতি বাংলাদেশের         নোয়াখালীতে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ         আগামী বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী         'হচ্ছে না মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমেই মূল্যায়ন'         পোল্যান্ডে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত লায়লা হোসেন         খাশোগি হত্যায় সৌদি আরবের যুবরাজ সালমানের বিরুদ্ধে মামলা         কঙ্গনাকে প্রকাশ্যে ধর্ষণের হুমকি         ভাষাসৈনিক নুরুল ইসলামের ইন্তেকাল         গণতন্ত্রের আদর্শ ধারণ করেই পথ চলবে জাতীয় প্রেসক্লাব         যেভাবে সরকারি প্রাথমিকে শিক্ষক পদে আবেদন করবেন         এ বছর বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেবে ঢাবি, নম্বরও কমছে         গায়েহলুদের দিনেও ব্যাট-বল হাতে ক্রিকেটার সানজিদা         ব্যর্থতার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের পদত্যাগ করা উচিত: সেতুমন্ত্রী         মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী অমৃতা রাও         আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী         করোনায় আক্রান্ত ইমরান খানের বিশেষ সহকারী সানিয়া নিশতার